মার্কিন নির্ভরতা কমাতে চায় দক্ষিণ কোরিয়া

মার্কিন নির্ভরতা কমাতে চায় দক্ষিণ কোরিয়া
সিজেডএন ডেস্ক

দীর্ঘদিনের শত্রু প্রতিবেশি উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক হুমকি আর যুক্তরাষ্ট্রের হঠাৎ বদলে যাওয়া আচরণের মুখে এবার স্বাধীন নিরাপত্তা সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
দেশের সুরক্ষায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আগের মতো ভরসা করার দিন শেষ হয়েছে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে দেশটির ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টি।
দক্ষিণ কোরিয়ার সংসদে দাঁড়িয়ে শাসক দলের নেতা কিম মিন-সক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করার দিন শেষ হয়ে গেছে। তারা এখন আর কোনো দয়ালু বড় ভাই নয়, বরং নিজেদের স্বার্থে কঠিন দরকষাকষি করছে। তাই দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণকে বাঁচাতে হলে সিউলকে এখন থেকেই নিজেদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নিজেদেরই তৈরি করতে হবে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিউলের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে আনার সিদ্ধান্তসহ সাম্প্রতিক একাধিক মার্কিন পদক্ষেপের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এই মন্তব্য করেছেন।
ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি খুব শিগগিরই উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। কেবল তাই নয়, খরচের দোহাই দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে মার্কিন সেনাবাহিনীর যৌথ সামরিক মহড়াও কমিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন। ট্রাম্পের দাবি, এসব সামরিক মহড়ার পেছনে প্রচুর অর্থ নষ্ট হয় এবং এতে উত্তর কোরিয়াকে মিছামিছি খেপিয়ে তোলা হয়।
সিউলের মূল ভয়, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক অস্ত্র ধ্বংস করতে বাধ্য করবে না। এর পরিবর্তে সাময়িকভাবে নতুন অস্ত্র তৈরি বন্ধ রাখার মতো কোনো চুক্তিতে রাজি হয়ে যেতে পারে।
মিন-সক বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার সম্পর্কের ক্ষেত্রে নাটকীয় উন্নতি হতে পারে। যদি উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ইস্যুতে ‘আগে স্থবিরতা, পরে সমাধান’ নীতি গ্রহণ করা হয়, এজন্য আগে থেকেই আমাদের স্বাধীন নিরাপত্তা সক্ষমতা জোরদার করতে হবে।’
উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং-উনের ‘দ্বি-রাষ্ট্র’ নীতিকে পুরোপুরি খারিজ না করে এটিকে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান প্রসারে ব্যবহার করা যায় কিনা, দক্ষিণ কোরিয়াকে সেটা বিবেচনা করা উচিত বলেও জানান তিনি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

দীর্ঘদিনের শত্রু প্রতিবেশি উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক হুমকি আর যুক্তরাষ্ট্রের হঠাৎ বদলে যাওয়া আচরণের মুখে এবার স্বাধীন নিরাপত্তা সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
দেশের সুরক্ষায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আগের মতো ভরসা করার দিন শেষ হয়েছে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে দেশটির ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টি।
দক্ষিণ কোরিয়ার সংসদে দাঁড়িয়ে শাসক দলের নেতা কিম মিন-সক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করার দিন শেষ হয়ে গেছে। তারা এখন আর কোনো দয়ালু বড় ভাই নয়, বরং নিজেদের স্বার্থে কঠিন দরকষাকষি করছে। তাই দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণকে বাঁচাতে হলে সিউলকে এখন থেকেই নিজেদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নিজেদেরই তৈরি করতে হবে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিউলের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে আনার সিদ্ধান্তসহ সাম্প্রতিক একাধিক মার্কিন পদক্ষেপের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এই মন্তব্য করেছেন।
ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি খুব শিগগিরই উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। কেবল তাই নয়, খরচের দোহাই দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে মার্কিন সেনাবাহিনীর যৌথ সামরিক মহড়াও কমিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন। ট্রাম্পের দাবি, এসব সামরিক মহড়ার পেছনে প্রচুর অর্থ নষ্ট হয় এবং এতে উত্তর কোরিয়াকে মিছামিছি খেপিয়ে তোলা হয়।
সিউলের মূল ভয়, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক অস্ত্র ধ্বংস করতে বাধ্য করবে না। এর পরিবর্তে সাময়িকভাবে নতুন অস্ত্র তৈরি বন্ধ রাখার মতো কোনো চুক্তিতে রাজি হয়ে যেতে পারে।
মিন-সক বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার সম্পর্কের ক্ষেত্রে নাটকীয় উন্নতি হতে পারে। যদি উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ইস্যুতে ‘আগে স্থবিরতা, পরে সমাধান’ নীতি গ্রহণ করা হয়, এজন্য আগে থেকেই আমাদের স্বাধীন নিরাপত্তা সক্ষমতা জোরদার করতে হবে।’
উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং-উনের ‘দ্বি-রাষ্ট্র’ নীতিকে পুরোপুরি খারিজ না করে এটিকে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান প্রসারে ব্যবহার করা যায় কিনা, দক্ষিণ কোরিয়াকে সেটা বিবেচনা করা উচিত বলেও জানান তিনি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

মার্কিন নির্ভরতা কমাতে চায় দক্ষিণ কোরিয়া
সিজেডএন ডেস্ক

দীর্ঘদিনের শত্রু প্রতিবেশি উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক হুমকি আর যুক্তরাষ্ট্রের হঠাৎ বদলে যাওয়া আচরণের মুখে এবার স্বাধীন নিরাপত্তা সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
দেশের সুরক্ষায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আগের মতো ভরসা করার দিন শেষ হয়েছে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে দেশটির ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টি।
দক্ষিণ কোরিয়ার সংসদে দাঁড়িয়ে শাসক দলের নেতা কিম মিন-সক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করার দিন শেষ হয়ে গেছে। তারা এখন আর কোনো দয়ালু বড় ভাই নয়, বরং নিজেদের স্বার্থে কঠিন দরকষাকষি করছে। তাই দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণকে বাঁচাতে হলে সিউলকে এখন থেকেই নিজেদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নিজেদেরই তৈরি করতে হবে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিউলের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে আনার সিদ্ধান্তসহ সাম্প্রতিক একাধিক মার্কিন পদক্ষেপের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এই মন্তব্য করেছেন।
ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি খুব শিগগিরই উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। কেবল তাই নয়, খরচের দোহাই দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে মার্কিন সেনাবাহিনীর যৌথ সামরিক মহড়াও কমিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন। ট্রাম্পের দাবি, এসব সামরিক মহড়ার পেছনে প্রচুর অর্থ নষ্ট হয় এবং এতে উত্তর কোরিয়াকে মিছামিছি খেপিয়ে তোলা হয়।
সিউলের মূল ভয়, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক অস্ত্র ধ্বংস করতে বাধ্য করবে না। এর পরিবর্তে সাময়িকভাবে নতুন অস্ত্র তৈরি বন্ধ রাখার মতো কোনো চুক্তিতে রাজি হয়ে যেতে পারে।
মিন-সক বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার সম্পর্কের ক্ষেত্রে নাটকীয় উন্নতি হতে পারে। যদি উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ইস্যুতে ‘আগে স্থবিরতা, পরে সমাধান’ নীতি গ্রহণ করা হয়, এজন্য আগে থেকেই আমাদের স্বাধীন নিরাপত্তা সক্ষমতা জোরদার করতে হবে।’
উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং-উনের ‘দ্বি-রাষ্ট্র’ নীতিকে পুরোপুরি খারিজ না করে এটিকে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান প্রসারে ব্যবহার করা যায় কিনা, দক্ষিণ কোরিয়াকে সেটা বিবেচনা করা উচিত বলেও জানান তিনি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫







