উত্তরাখণ্ডে ১৭ মাদ্রাসা সিলগালা

উত্তরাখণ্ডে ১৭ মাদ্রাসা সিলগালা
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের উত্তরাখণ্ডে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও নির্ধারিত শিক্ষাব্যবস্থার মানদণ্ড অনুসরণ না করার অভিযোগে মাদ্রাসার বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ অভিযানের পর রাজ্যটিতে মোট ২০টি মাদ্রাসা বন্ধ হয়েছে। এর মধ্যে ১৭টি প্রশাসন সিলগালা করেছে। বাকি তিনটি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তরাখণ্ডের দেহরাদুন ও হালদাওয়ানিতেও সম্প্রতি অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। রাজ্যের সংখ্যালঘু উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ সচিব পরাগ মধুকর ধাকাতে বলেছেন, প্রয়োজনীয় স্বীকৃতি ও নির্ধারিত শিক্ষার মানদণ্ড পূরণ করতে না পারা মাদ্রাসাগুলোর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, সরকারি নিয়ম ও স্বীকৃতির শর্ত পূরণ না করে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হবে না।
সর্বশেষ অভিযানে দেহরাদুনের তিনটি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আজাদ কলোনির মাদ্রাসা জামিয়া-তুস-সালাম আল-ইসলামিয়াকে সিলগালা করেছে প্রশাসন। একই এলাকার মাদ্রাসা দার-ই-আরকাম এবং মাজরা এলাকার মাদ্রাসা দারুল উলুম রহিমিয়ার কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে প্রতিষ্ঠান দুটির কার্যক্রম বন্ধের কথা জানিয়েছে।
অন্যদিকে হালদাওয়ানিতে দুটি মাদ্রাসা সিলগালা করা হয়েছে। এর একটি গৌজা জালি নর্থ এলাকার শনি বাজার রোডে অবস্থিত মাদ্রাসা জামিয়া নুরিয়া বারকাতে আমিনা। অন্যটি বানভুলপুরার ইন্দিরা নগরে পরিচালিত একটি অননুমোদিত মাদ্রাসা। প্রয়োজনীয় স্বীকৃতির কাগজপত্র দেখাতে না পারায় প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
গত জুলাইয়ে উত্তরাখণ্ড সরকার রাজ্যের মাদ্রাসা বোর্ড বিলুপ্ত করে নতুন একটি কর্তৃপক্ষ গঠন করে। নতুন ব্যবস্থার আওতায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিবন্ধন, স্বীকৃতি ও নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ ব্যবস্থার আওতায় শুধু মুসলিম সম্প্রদায়ের নয়, খ্রিষ্টান, শিখ, পারসি, জৈন ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। রাজ্য সরকার জানিয়েছে, নতুন কাঠামোর মূল লক্ষ্য আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। নির্ধারিত নিয়ম ও স্বীকৃতি ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না।
উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি বলেছেন, শিশুদের শিক্ষার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। যারা প্রচলিত আইন ও নির্ধারিত নিয়ম মানবে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, নতুন কাঠামো চালুর আগে উত্তরাখণ্ড মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে স্বীকৃত মাদ্রাসার সংখ্যা ছিল ৪৫২টি। এর আগে স্বীকৃতির জন্য আবেদন না করা ২০০টির বেশি মাদ্রাসার বিরুদ্ধেও অভিযান চালিয়ে সেগুলো সিলগালা করা হয়েছিল।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে ২০২৪ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্টও একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিয়েছিল। উত্তর প্রদেশের একটি মামলার শুনানিতে আদালত বলেছিলেন, সংখ্যালঘুদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। তবে শিক্ষার মান নিশ্চিত করার স্বার্থে রাষ্ট্র প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ভারতের উত্তরাখণ্ডে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও নির্ধারিত শিক্ষাব্যবস্থার মানদণ্ড অনুসরণ না করার অভিযোগে মাদ্রাসার বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ অভিযানের পর রাজ্যটিতে মোট ২০টি মাদ্রাসা বন্ধ হয়েছে। এর মধ্যে ১৭টি প্রশাসন সিলগালা করেছে। বাকি তিনটি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তরাখণ্ডের দেহরাদুন ও হালদাওয়ানিতেও সম্প্রতি অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। রাজ্যের সংখ্যালঘু উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ সচিব পরাগ মধুকর ধাকাতে বলেছেন, প্রয়োজনীয় স্বীকৃতি ও নির্ধারিত শিক্ষার মানদণ্ড পূরণ করতে না পারা মাদ্রাসাগুলোর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, সরকারি নিয়ম ও স্বীকৃতির শর্ত পূরণ না করে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হবে না।
সর্বশেষ অভিযানে দেহরাদুনের তিনটি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আজাদ কলোনির মাদ্রাসা জামিয়া-তুস-সালাম আল-ইসলামিয়াকে সিলগালা করেছে প্রশাসন। একই এলাকার মাদ্রাসা দার-ই-আরকাম এবং মাজরা এলাকার মাদ্রাসা দারুল উলুম রহিমিয়ার কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে প্রতিষ্ঠান দুটির কার্যক্রম বন্ধের কথা জানিয়েছে।
অন্যদিকে হালদাওয়ানিতে দুটি মাদ্রাসা সিলগালা করা হয়েছে। এর একটি গৌজা জালি নর্থ এলাকার শনি বাজার রোডে অবস্থিত মাদ্রাসা জামিয়া নুরিয়া বারকাতে আমিনা। অন্যটি বানভুলপুরার ইন্দিরা নগরে পরিচালিত একটি অননুমোদিত মাদ্রাসা। প্রয়োজনীয় স্বীকৃতির কাগজপত্র দেখাতে না পারায় প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
গত জুলাইয়ে উত্তরাখণ্ড সরকার রাজ্যের মাদ্রাসা বোর্ড বিলুপ্ত করে নতুন একটি কর্তৃপক্ষ গঠন করে। নতুন ব্যবস্থার আওতায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিবন্ধন, স্বীকৃতি ও নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ ব্যবস্থার আওতায় শুধু মুসলিম সম্প্রদায়ের নয়, খ্রিষ্টান, শিখ, পারসি, জৈন ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। রাজ্য সরকার জানিয়েছে, নতুন কাঠামোর মূল লক্ষ্য আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। নির্ধারিত নিয়ম ও স্বীকৃতি ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না।
উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি বলেছেন, শিশুদের শিক্ষার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। যারা প্রচলিত আইন ও নির্ধারিত নিয়ম মানবে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, নতুন কাঠামো চালুর আগে উত্তরাখণ্ড মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে স্বীকৃত মাদ্রাসার সংখ্যা ছিল ৪৫২টি। এর আগে স্বীকৃতির জন্য আবেদন না করা ২০০টির বেশি মাদ্রাসার বিরুদ্ধেও অভিযান চালিয়ে সেগুলো সিলগালা করা হয়েছিল।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে ২০২৪ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্টও একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিয়েছিল। উত্তর প্রদেশের একটি মামলার শুনানিতে আদালত বলেছিলেন, সংখ্যালঘুদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। তবে শিক্ষার মান নিশ্চিত করার স্বার্থে রাষ্ট্র প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

উত্তরাখণ্ডে ১৭ মাদ্রাসা সিলগালা
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের উত্তরাখণ্ডে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও নির্ধারিত শিক্ষাব্যবস্থার মানদণ্ড অনুসরণ না করার অভিযোগে মাদ্রাসার বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ অভিযানের পর রাজ্যটিতে মোট ২০টি মাদ্রাসা বন্ধ হয়েছে। এর মধ্যে ১৭টি প্রশাসন সিলগালা করেছে। বাকি তিনটি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তরাখণ্ডের দেহরাদুন ও হালদাওয়ানিতেও সম্প্রতি অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। রাজ্যের সংখ্যালঘু উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ সচিব পরাগ মধুকর ধাকাতে বলেছেন, প্রয়োজনীয় স্বীকৃতি ও নির্ধারিত শিক্ষার মানদণ্ড পূরণ করতে না পারা মাদ্রাসাগুলোর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, সরকারি নিয়ম ও স্বীকৃতির শর্ত পূরণ না করে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হবে না।
সর্বশেষ অভিযানে দেহরাদুনের তিনটি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আজাদ কলোনির মাদ্রাসা জামিয়া-তুস-সালাম আল-ইসলামিয়াকে সিলগালা করেছে প্রশাসন। একই এলাকার মাদ্রাসা দার-ই-আরকাম এবং মাজরা এলাকার মাদ্রাসা দারুল উলুম রহিমিয়ার কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে প্রতিষ্ঠান দুটির কার্যক্রম বন্ধের কথা জানিয়েছে।
অন্যদিকে হালদাওয়ানিতে দুটি মাদ্রাসা সিলগালা করা হয়েছে। এর একটি গৌজা জালি নর্থ এলাকার শনি বাজার রোডে অবস্থিত মাদ্রাসা জামিয়া নুরিয়া বারকাতে আমিনা। অন্যটি বানভুলপুরার ইন্দিরা নগরে পরিচালিত একটি অননুমোদিত মাদ্রাসা। প্রয়োজনীয় স্বীকৃতির কাগজপত্র দেখাতে না পারায় প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
গত জুলাইয়ে উত্তরাখণ্ড সরকার রাজ্যের মাদ্রাসা বোর্ড বিলুপ্ত করে নতুন একটি কর্তৃপক্ষ গঠন করে। নতুন ব্যবস্থার আওতায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিবন্ধন, স্বীকৃতি ও নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ ব্যবস্থার আওতায় শুধু মুসলিম সম্প্রদায়ের নয়, খ্রিষ্টান, শিখ, পারসি, জৈন ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। রাজ্য সরকার জানিয়েছে, নতুন কাঠামোর মূল লক্ষ্য আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। নির্ধারিত নিয়ম ও স্বীকৃতি ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না।
উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি বলেছেন, শিশুদের শিক্ষার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। যারা প্রচলিত আইন ও নির্ধারিত নিয়ম মানবে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, নতুন কাঠামো চালুর আগে উত্তরাখণ্ড মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে স্বীকৃত মাদ্রাসার সংখ্যা ছিল ৪৫২টি। এর আগে স্বীকৃতির জন্য আবেদন না করা ২০০টির বেশি মাদ্রাসার বিরুদ্ধেও অভিযান চালিয়ে সেগুলো সিলগালা করা হয়েছিল।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে ২০২৪ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্টও একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিয়েছিল। উত্তর প্রদেশের একটি মামলার শুনানিতে আদালত বলেছিলেন, সংখ্যালঘুদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। তবে শিক্ষার মান নিশ্চিত করার স্বার্থে রাষ্ট্র প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস









