ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতাকে প্রাণনাশের হুমকি

ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতাকে প্রাণনাশের হুমকি
সিটিজেন ডেস্ক

ভারতের বিতর্কিত ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছেন। দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করে এবং নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের বিরুদ্ধে একটি অনলাইন স্বাক্ষর অভিযান শুরু করার পর থেকেই তিনি এ হুমকি পাচ্ছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে কিছু হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার স্ক্রিনশট পোস্ট করে দিপকে নিজেই এই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছেন। দিপকের পোস্ট করা স্ক্রিনশট অনুযায়ী, হিন্দিতে পাঠানো একটি বার্তায় তাকে হুমকি দিয়ে বলা হয়েছে, অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার জন্য তাকে টাকা দেওয়া হবে, অন্যথায় আমেরিকায় গিয়েও তাকে মেরে ফেলা হতে পারে। অপর একটি বার্তায় বলা হয়, তার ফোন নম্বর এবং বাড়ি খুঁজে বের করতে উগ্রবাদীদের বেশি সময় লাগবে না। মূলত নিট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে চলমান তীব্র অসন্তোষের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে এ স্বাক্ষর অভিযান শুরু করলেই দিপকে লক্ষ্য করে এমন হুমকি আসতে থাকে।
এ ককরোচ জনতা পার্টির উৎপত্তি সম্প্রতি ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। গত সপ্তাহে দিল্লি হাইকোর্টে সিনিয়র আইনজীবী মনোনয়ন সংক্রান্ত এক শুনানিতে বিচারপতি সূর্য কান্ত মন্তব্য করেছিলেন, কিছু তরুণ তেলাপোকার মতো ঘুরে বেড়ায়, যাদের কোনো চাকরি বা নির্দিষ্ট পেশা নেই এবং তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা তথ্যের অধিকার (আরটিআই) কর্মী সেজে সবাইকে আক্রমণ করে। এ মন্তব্য নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতি ব্যাখ্যা দেন, তার বক্তব্য দেশের সাধারণ তরুণদের বিরুদ্ধে ছিল না। ভুয়া যোগ্যতা নিয়ে পেশায় ঢুকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে ছিল।
প্রধান বিচারপতির ওই মন্তব্যের পরই অভিজিৎ দিপকে এক্সে তীব্র সমালোচনা করে ককরোচ জনতা পার্টির ধারণাটি সামনে আনেন এবং অনলাইনে সদস্য সংগ্রহের ফরম ছড়িয়ে দেন, যা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করে। অখিলেশ যাদব ও মহু মৈত্রের মতো ভারতের বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাও এ ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্মে সমর্থন জানান। তবে তরুণদের মধ্যে এর দ্রুত জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য উদ্বেগ ছড়ানোর অভিযোগে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে প্ল্যাটফর্মটির এক্স অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি আইন ২০০০-এর ৬৯(এ) ধারা প্রয়োগ করে এবং গোয়েন্দা ব্যুরোর (আইবি) সুপারিশের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে এক জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া

ভারতের বিতর্কিত ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছেন। দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করে এবং নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের বিরুদ্ধে একটি অনলাইন স্বাক্ষর অভিযান শুরু করার পর থেকেই তিনি এ হুমকি পাচ্ছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে কিছু হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার স্ক্রিনশট পোস্ট করে দিপকে নিজেই এই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছেন। দিপকের পোস্ট করা স্ক্রিনশট অনুযায়ী, হিন্দিতে পাঠানো একটি বার্তায় তাকে হুমকি দিয়ে বলা হয়েছে, অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার জন্য তাকে টাকা দেওয়া হবে, অন্যথায় আমেরিকায় গিয়েও তাকে মেরে ফেলা হতে পারে। অপর একটি বার্তায় বলা হয়, তার ফোন নম্বর এবং বাড়ি খুঁজে বের করতে উগ্রবাদীদের বেশি সময় লাগবে না। মূলত নিট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে চলমান তীব্র অসন্তোষের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে এ স্বাক্ষর অভিযান শুরু করলেই দিপকে লক্ষ্য করে এমন হুমকি আসতে থাকে।
এ ককরোচ জনতা পার্টির উৎপত্তি সম্প্রতি ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। গত সপ্তাহে দিল্লি হাইকোর্টে সিনিয়র আইনজীবী মনোনয়ন সংক্রান্ত এক শুনানিতে বিচারপতি সূর্য কান্ত মন্তব্য করেছিলেন, কিছু তরুণ তেলাপোকার মতো ঘুরে বেড়ায়, যাদের কোনো চাকরি বা নির্দিষ্ট পেশা নেই এবং তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা তথ্যের অধিকার (আরটিআই) কর্মী সেজে সবাইকে আক্রমণ করে। এ মন্তব্য নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতি ব্যাখ্যা দেন, তার বক্তব্য দেশের সাধারণ তরুণদের বিরুদ্ধে ছিল না। ভুয়া যোগ্যতা নিয়ে পেশায় ঢুকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে ছিল।
প্রধান বিচারপতির ওই মন্তব্যের পরই অভিজিৎ দিপকে এক্সে তীব্র সমালোচনা করে ককরোচ জনতা পার্টির ধারণাটি সামনে আনেন এবং অনলাইনে সদস্য সংগ্রহের ফরম ছড়িয়ে দেন, যা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করে। অখিলেশ যাদব ও মহু মৈত্রের মতো ভারতের বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাও এ ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্মে সমর্থন জানান। তবে তরুণদের মধ্যে এর দ্রুত জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য উদ্বেগ ছড়ানোর অভিযোগে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে প্ল্যাটফর্মটির এক্স অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি আইন ২০০০-এর ৬৯(এ) ধারা প্রয়োগ করে এবং গোয়েন্দা ব্যুরোর (আইবি) সুপারিশের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে এক জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া

ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতাকে প্রাণনাশের হুমকি
সিটিজেন ডেস্ক

ভারতের বিতর্কিত ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছেন। দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করে এবং নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের বিরুদ্ধে একটি অনলাইন স্বাক্ষর অভিযান শুরু করার পর থেকেই তিনি এ হুমকি পাচ্ছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে কিছু হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার স্ক্রিনশট পোস্ট করে দিপকে নিজেই এই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছেন। দিপকের পোস্ট করা স্ক্রিনশট অনুযায়ী, হিন্দিতে পাঠানো একটি বার্তায় তাকে হুমকি দিয়ে বলা হয়েছে, অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার জন্য তাকে টাকা দেওয়া হবে, অন্যথায় আমেরিকায় গিয়েও তাকে মেরে ফেলা হতে পারে। অপর একটি বার্তায় বলা হয়, তার ফোন নম্বর এবং বাড়ি খুঁজে বের করতে উগ্রবাদীদের বেশি সময় লাগবে না। মূলত নিট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে চলমান তীব্র অসন্তোষের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে এ স্বাক্ষর অভিযান শুরু করলেই দিপকে লক্ষ্য করে এমন হুমকি আসতে থাকে।
এ ককরোচ জনতা পার্টির উৎপত্তি সম্প্রতি ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। গত সপ্তাহে দিল্লি হাইকোর্টে সিনিয়র আইনজীবী মনোনয়ন সংক্রান্ত এক শুনানিতে বিচারপতি সূর্য কান্ত মন্তব্য করেছিলেন, কিছু তরুণ তেলাপোকার মতো ঘুরে বেড়ায়, যাদের কোনো চাকরি বা নির্দিষ্ট পেশা নেই এবং তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা তথ্যের অধিকার (আরটিআই) কর্মী সেজে সবাইকে আক্রমণ করে। এ মন্তব্য নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতি ব্যাখ্যা দেন, তার বক্তব্য দেশের সাধারণ তরুণদের বিরুদ্ধে ছিল না। ভুয়া যোগ্যতা নিয়ে পেশায় ঢুকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে ছিল।
প্রধান বিচারপতির ওই মন্তব্যের পরই অভিজিৎ দিপকে এক্সে তীব্র সমালোচনা করে ককরোচ জনতা পার্টির ধারণাটি সামনে আনেন এবং অনলাইনে সদস্য সংগ্রহের ফরম ছড়িয়ে দেন, যা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করে। অখিলেশ যাদব ও মহু মৈত্রের মতো ভারতের বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাও এ ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্মে সমর্থন জানান। তবে তরুণদের মধ্যে এর দ্রুত জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য উদ্বেগ ছড়ানোর অভিযোগে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে প্ল্যাটফর্মটির এক্স অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি আইন ২০০০-এর ৬৯(এ) ধারা প্রয়োগ করে এবং গোয়েন্দা ব্যুরোর (আইবি) সুপারিশের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে এক জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া

ভারতে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, অলৌকিকভাবে বাঁচলেন ৩ সেনা কর্মকর্তা


