ভারতে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, অলৌকিকভাবে বাঁচলেন ৩ সেনা কর্মকর্তা

ভারতে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, অলৌকিকভাবে বাঁচলেন ৩ সেনা কর্মকর্তা
সিটিজেন ডেস্ক

ভারতের লাদাখের পার্বত্য অঞ্চলে গত ২০ মে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে পড়ে দেশটির সেনাবাহিনীর একটি ‘চিতা’ হেলিকপ্টার। তবে এতে থাকা ৩ উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেছেন। বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারের পাশে পাথরের ওপর বসে থাকা আহত কর্মকর্তাদের একটি সেলফি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত হেলিকপ্টারটিতে যাত্রী হিসেবে ছিলেন মেজর জেনারেল শচীন মেহতা। আর এটি পরিচালনার দায়িত্বে পাইলট হিসেবে ছিলেন একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল এবং একজন মেজর। দুর্ঘটনায় তারা তিনজনই কম-বেশি আহত হলেও বড় কোনো বিপত্তি ঘটেনি। এ ঘটনার পেছনে আসল কারণ কী এবং কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটলো, তা অনুসন্ধানের জন্য ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এদিকে এ দুর্ঘটনার পর ভারতীয় সেনাবাহিনীর পুরোনো ‘চিতা’ হেলিকপ্টার বহরের নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ১৯৭০-এর দশকে ভারতীয় সামরিক বাহিনীতে যুক্ত হওয়া চিতা হেলিকপ্টারগুলো দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে সিয়াচেন হিমবাহসহ বিভিন্ন দুর্গম ও উচ্চ পাহাড়ি এলাকায় সামরিক কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে পুরোনো প্রযুক্তির কারণে এর আগেও একাধিকবার এ হেলিকপ্টারগুলো প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পার্বত্য অঞ্চলে চিতা হেলিকপ্টার এখনো কার্যকর ভূমিকা রাখলেও এর ব্যাকডেটেড প্রযুক্তির কারণে দিন দিন নিরাপত্তা ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।
এ উদ্বেগজনক পরিস্থিতির কারণে সেনাবাহিনী থেকে পুরোনো ‘চিতা’ হেলিকপ্টারগুলো ধাপে ধাপে পুরোপুরি বাতিল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর বিকল্প হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের (এইচএএল) তৈরি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তির লাইট ইউটিলিটি হেলিকপ্টার (এলইউএইচ) যুক্ত করা হচ্ছে। নতুন প্রযুক্তির আধুনিক হেলিকপ্টারগুলো ঘণ্টায় ২২০ কিলোমিটার গতিতে উড়তে সক্ষম এবং প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অনায়াসে অপারেশন পরিচালনা করতে পারে।
সূত্র: এনডিটিভি

ভারতের লাদাখের পার্বত্য অঞ্চলে গত ২০ মে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে পড়ে দেশটির সেনাবাহিনীর একটি ‘চিতা’ হেলিকপ্টার। তবে এতে থাকা ৩ উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেছেন। বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারের পাশে পাথরের ওপর বসে থাকা আহত কর্মকর্তাদের একটি সেলফি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত হেলিকপ্টারটিতে যাত্রী হিসেবে ছিলেন মেজর জেনারেল শচীন মেহতা। আর এটি পরিচালনার দায়িত্বে পাইলট হিসেবে ছিলেন একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল এবং একজন মেজর। দুর্ঘটনায় তারা তিনজনই কম-বেশি আহত হলেও বড় কোনো বিপত্তি ঘটেনি। এ ঘটনার পেছনে আসল কারণ কী এবং কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটলো, তা অনুসন্ধানের জন্য ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এদিকে এ দুর্ঘটনার পর ভারতীয় সেনাবাহিনীর পুরোনো ‘চিতা’ হেলিকপ্টার বহরের নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ১৯৭০-এর দশকে ভারতীয় সামরিক বাহিনীতে যুক্ত হওয়া চিতা হেলিকপ্টারগুলো দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে সিয়াচেন হিমবাহসহ বিভিন্ন দুর্গম ও উচ্চ পাহাড়ি এলাকায় সামরিক কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে পুরোনো প্রযুক্তির কারণে এর আগেও একাধিকবার এ হেলিকপ্টারগুলো প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পার্বত্য অঞ্চলে চিতা হেলিকপ্টার এখনো কার্যকর ভূমিকা রাখলেও এর ব্যাকডেটেড প্রযুক্তির কারণে দিন দিন নিরাপত্তা ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।
এ উদ্বেগজনক পরিস্থিতির কারণে সেনাবাহিনী থেকে পুরোনো ‘চিতা’ হেলিকপ্টারগুলো ধাপে ধাপে পুরোপুরি বাতিল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর বিকল্প হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের (এইচএএল) তৈরি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তির লাইট ইউটিলিটি হেলিকপ্টার (এলইউএইচ) যুক্ত করা হচ্ছে। নতুন প্রযুক্তির আধুনিক হেলিকপ্টারগুলো ঘণ্টায় ২২০ কিলোমিটার গতিতে উড়তে সক্ষম এবং প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অনায়াসে অপারেশন পরিচালনা করতে পারে।
সূত্র: এনডিটিভি

ভারতে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, অলৌকিকভাবে বাঁচলেন ৩ সেনা কর্মকর্তা
সিটিজেন ডেস্ক

ভারতের লাদাখের পার্বত্য অঞ্চলে গত ২০ মে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে পড়ে দেশটির সেনাবাহিনীর একটি ‘চিতা’ হেলিকপ্টার। তবে এতে থাকা ৩ উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেছেন। বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারের পাশে পাথরের ওপর বসে থাকা আহত কর্মকর্তাদের একটি সেলফি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত হেলিকপ্টারটিতে যাত্রী হিসেবে ছিলেন মেজর জেনারেল শচীন মেহতা। আর এটি পরিচালনার দায়িত্বে পাইলট হিসেবে ছিলেন একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল এবং একজন মেজর। দুর্ঘটনায় তারা তিনজনই কম-বেশি আহত হলেও বড় কোনো বিপত্তি ঘটেনি। এ ঘটনার পেছনে আসল কারণ কী এবং কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটলো, তা অনুসন্ধানের জন্য ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এদিকে এ দুর্ঘটনার পর ভারতীয় সেনাবাহিনীর পুরোনো ‘চিতা’ হেলিকপ্টার বহরের নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ১৯৭০-এর দশকে ভারতীয় সামরিক বাহিনীতে যুক্ত হওয়া চিতা হেলিকপ্টারগুলো দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে সিয়াচেন হিমবাহসহ বিভিন্ন দুর্গম ও উচ্চ পাহাড়ি এলাকায় সামরিক কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে পুরোনো প্রযুক্তির কারণে এর আগেও একাধিকবার এ হেলিকপ্টারগুলো প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পার্বত্য অঞ্চলে চিতা হেলিকপ্টার এখনো কার্যকর ভূমিকা রাখলেও এর ব্যাকডেটেড প্রযুক্তির কারণে দিন দিন নিরাপত্তা ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।
এ উদ্বেগজনক পরিস্থিতির কারণে সেনাবাহিনী থেকে পুরোনো ‘চিতা’ হেলিকপ্টারগুলো ধাপে ধাপে পুরোপুরি বাতিল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর বিকল্প হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের (এইচএএল) তৈরি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তির লাইট ইউটিলিটি হেলিকপ্টার (এলইউএইচ) যুক্ত করা হচ্ছে। নতুন প্রযুক্তির আধুনিক হেলিকপ্টারগুলো ঘণ্টায় ২২০ কিলোমিটার গতিতে উড়তে সক্ষম এবং প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অনায়াসে অপারেশন পরিচালনা করতে পারে।
সূত্র: এনডিটিভি

ভারত-বাংলাদেশের যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক: গঙ্গা চুক্তি প্রশ্নে নীরবতা


