অনশন ভাঙার কারণ জানালেন সোনম ওয়াংচুক

অনশন ভাঙার কারণ জানালেন সোনম ওয়াংচুক
সিজেডএন ডেস্ক

টানা ২৬ দিন অনশনে থাকার পর শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়াই কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন পরিবেশ আন্দোলনকর্মী ও বিজ্ঞানী সোনম ওয়াংচুক। এ নিয়ে তৈরি হওয়া নানা আলোচনার জবাবে তিনি জানিয়েছেন, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ ঠেকানোই ছিল তার প্রধান উদ্দেশ্য।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ৫৯ বছর বয়সী এ বিজ্ঞানী জানান, পদত্যাগের দাবি বহাল থাকলেও অনশন চালিয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের জীবন বা ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে ফেলার কোনো ইচ্ছা তার ছিল না। সরকারের কাছ থেকে লিখিত নিশ্চয়তা পাওয়ার পরেই তিনি অনশন ভাঙার সিদ্ধান্ত নেন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের তদন্ত, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে ২৮ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের অনশনে বসেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গভীর রাতে কেন্দ্রীয় সরকার লিখিতভাবে জানায়, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো এফআইআর বা মামলা করা হবে না। পাশাপাশি প্রশ্নফাঁসের ঘটনা নিয়ে সংসদে আলোচনা করা এবং প্রশ্নফাঁসের কারণে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
অনশন প্রত্যাহারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনা ও গোপন সমঝোতার অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দেন ওয়াংচুক। তিনি বলেন, গোপন আপস করার ইচ্ছা থাকলে টানা ২৬ দিন না খেয়ে অনশন করার প্রয়োজন হতো না। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি তার ব্যক্তিগত একক দায়িত্ব নয় বলে উল্লেখ করেন ওয়াংচুক। তিনি জানান, এ বিষয়ে সরকার সময় চেয়েছে এবং আন্দোলন অব্যাহত থাকলে সরকার পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে। তবে অনশন ভাঙার মুহূর্তে অনেক শিক্ষার্থী ও সমর্থক পাশে থাকতে না পারায় কিছুটা আক্ষেপ প্রকাশ করেন এই আন্দোলনকর্মী।
সূত্র: এনডিটিভি

টানা ২৬ দিন অনশনে থাকার পর শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়াই কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন পরিবেশ আন্দোলনকর্মী ও বিজ্ঞানী সোনম ওয়াংচুক। এ নিয়ে তৈরি হওয়া নানা আলোচনার জবাবে তিনি জানিয়েছেন, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ ঠেকানোই ছিল তার প্রধান উদ্দেশ্য।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ৫৯ বছর বয়সী এ বিজ্ঞানী জানান, পদত্যাগের দাবি বহাল থাকলেও অনশন চালিয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের জীবন বা ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে ফেলার কোনো ইচ্ছা তার ছিল না। সরকারের কাছ থেকে লিখিত নিশ্চয়তা পাওয়ার পরেই তিনি অনশন ভাঙার সিদ্ধান্ত নেন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের তদন্ত, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে ২৮ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের অনশনে বসেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গভীর রাতে কেন্দ্রীয় সরকার লিখিতভাবে জানায়, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো এফআইআর বা মামলা করা হবে না। পাশাপাশি প্রশ্নফাঁসের ঘটনা নিয়ে সংসদে আলোচনা করা এবং প্রশ্নফাঁসের কারণে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
অনশন প্রত্যাহারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনা ও গোপন সমঝোতার অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দেন ওয়াংচুক। তিনি বলেন, গোপন আপস করার ইচ্ছা থাকলে টানা ২৬ দিন না খেয়ে অনশন করার প্রয়োজন হতো না। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি তার ব্যক্তিগত একক দায়িত্ব নয় বলে উল্লেখ করেন ওয়াংচুক। তিনি জানান, এ বিষয়ে সরকার সময় চেয়েছে এবং আন্দোলন অব্যাহত থাকলে সরকার পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে। তবে অনশন ভাঙার মুহূর্তে অনেক শিক্ষার্থী ও সমর্থক পাশে থাকতে না পারায় কিছুটা আক্ষেপ প্রকাশ করেন এই আন্দোলনকর্মী।
সূত্র: এনডিটিভি

অনশন ভাঙার কারণ জানালেন সোনম ওয়াংচুক
সিজেডএন ডেস্ক

টানা ২৬ দিন অনশনে থাকার পর শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়াই কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন পরিবেশ আন্দোলনকর্মী ও বিজ্ঞানী সোনম ওয়াংচুক। এ নিয়ে তৈরি হওয়া নানা আলোচনার জবাবে তিনি জানিয়েছেন, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ ঠেকানোই ছিল তার প্রধান উদ্দেশ্য।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ৫৯ বছর বয়সী এ বিজ্ঞানী জানান, পদত্যাগের দাবি বহাল থাকলেও অনশন চালিয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের জীবন বা ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে ফেলার কোনো ইচ্ছা তার ছিল না। সরকারের কাছ থেকে লিখিত নিশ্চয়তা পাওয়ার পরেই তিনি অনশন ভাঙার সিদ্ধান্ত নেন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের তদন্ত, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে ২৮ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের অনশনে বসেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গভীর রাতে কেন্দ্রীয় সরকার লিখিতভাবে জানায়, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো এফআইআর বা মামলা করা হবে না। পাশাপাশি প্রশ্নফাঁসের ঘটনা নিয়ে সংসদে আলোচনা করা এবং প্রশ্নফাঁসের কারণে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
অনশন প্রত্যাহারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনা ও গোপন সমঝোতার অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দেন ওয়াংচুক। তিনি বলেন, গোপন আপস করার ইচ্ছা থাকলে টানা ২৬ দিন না খেয়ে অনশন করার প্রয়োজন হতো না। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি তার ব্যক্তিগত একক দায়িত্ব নয় বলে উল্লেখ করেন ওয়াংচুক। তিনি জানান, এ বিষয়ে সরকার সময় চেয়েছে এবং আন্দোলন অব্যাহত থাকলে সরকার পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে। তবে অনশন ভাঙার মুহূর্তে অনেক শিক্ষার্থী ও সমর্থক পাশে থাকতে না পারায় কিছুটা আক্ষেপ প্রকাশ করেন এই আন্দোলনকর্মী।
সূত্র: এনডিটিভি

টাইফয়েডে আক্রান্ত অভিজিৎ দীপকে, বললেন ‘আন্দোলন চলবে’ 






