বিদ্যালয়ের মাঠে হাট, তবুও অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ

বিদ্যালয়ের মাঠে হাট, তবুও অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ
মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী ঝিটকা আনন্দ মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সাপ্তাহিক হাট বসলেও নেওয়া হয়নি স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন। এছাড়া, বিদ্যালয়ের মাঠে হাট বসলেও অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, তাদের কোনো অনুমতি ছাড়াই স্কুল মাঠে হাট পরিচালনা করা হচ্ছে।
স্কুল মাঠে হাট, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা:
স্কুল মাঠে হাট বসায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্কুলের শিক্ষার্থীরা। দশম শ্রেণির ছাত্র ফাহিম মুনতাসীর অনিক বলেন, ‘ হাটের দিন আমাদের স্কুল মাঠে নৌকা, কাঠ আর মুরগির খোপ বিক্রি হয়। তবে হাটের দিন ছাড়াও মাঠে পণ্য রাখা হয়। তাতে আমাদের খেলার সমস্যা হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘স্কুল মাঠে শনিবার হাট বসলেও আমাদের কাছ থেকে কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মাঠজুড়ে নৌকা, চৌকি, হাঁস-মুরগির খোপসহ বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছে বিক্রেতারা। হাটে আসা ক্রেতাদের কাছ থেকে নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি খাজনা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন কেউ কেউ।
অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ:
ঘিওর উপজেলার বাঠইমুড়ী এলাকার কৃষক রফিকুল ইসলাম জানান, হাটে নৌকা কিনতে এসে অতিরিক্ত খাজনা দাবি করায় খাজনা আদায়কারীদের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। তিনি বলেন, ‘যে পরিমাণ খাজনা নেওয়ার কথা, তার চেয়ে বেশি আদায় করা হচ্ছে। এক থেকে দেড় লাখ টাকার গরুর খাজনা নেওয়া হয় ৪০০ টাকা। হাটে ৫ হাজার টাকার নৌকা বিক্রি করলে ৪০০ টাকা খাজনা দিতে হয়।
শিবালয় উপজেলার ক্রেতা আকসি হোসেন জানান, একটি নৌকার খাজনা ২শ টাকা নেওয়া উচিত।
চরাঞ্চলের আজিমনগর ইউনিয়নের বসন্তপুরের বাসিন্দা নাজমুল হোসেন জানান, তিনি ৭ হাজার টাকা দিয়ে একটি নৌকা কিনেছেন। তার কাছ থেকে ৪৫০ টাকা খাজনা আদায় করা হয়েছে। অতিরিক্ত খাজনা নেয়ায় প্রতিবাদ করেও লাভ হয়নি।
হাটে আসা কয়েকজন নৌকা বিক্রেতা বলেন, ‘কারা বা কীভাবে স্কুল মাঠের ইজারা নিয়েছেন, সেই বিষয়ে তাদের কোনো ধারণা নেই। তারা শুধু হাটে এসে বিক্রি করেন।’
স্থানীয় কয়েকজন কিশোর জানান, প্রতি সপ্তাহে শনিবার বিদ্যালয়ের মাঠে হাট বসায় খেলাধুলা ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও নানা ধরনের বিড়ম্বনার মুখে পড়ছে।
এ বিষয়ে ইজারাদারের প্রতিনিধি মো. রিপন বলেন, ‘খাজনা বেশি নেওয়া হচ্ছে না। এই মাঠে অনেক বছর ধরেই হাট বসে আসছে।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘স্কুল মাঠে হাট বসানোর জন্য কোনো ইজারা দেওয়া হয়নি।’
বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই মাঠ কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেয়নি। অনুমতি ছাড়াই এখানে হাট বসানো হচ্ছে। বিষয়টি বন্ধে উপজেলা প্রশাসনকে লিখিতভাবে অবহিত করা হবে।’
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত ইউএনও ফাহিজা বিসরাত হোসেন বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসন ঝিটকা হাটের পেরিফেরিতে হাট ইজারা দিলেও স্কুল মাঠে হাট বসানোর ইজারা দেয়নি।’

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী ঝিটকা আনন্দ মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সাপ্তাহিক হাট বসলেও নেওয়া হয়নি স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন। এছাড়া, বিদ্যালয়ের মাঠে হাট বসলেও অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, তাদের কোনো অনুমতি ছাড়াই স্কুল মাঠে হাট পরিচালনা করা হচ্ছে।
স্কুল মাঠে হাট, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা:
স্কুল মাঠে হাট বসায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্কুলের শিক্ষার্থীরা। দশম শ্রেণির ছাত্র ফাহিম মুনতাসীর অনিক বলেন, ‘ হাটের দিন আমাদের স্কুল মাঠে নৌকা, কাঠ আর মুরগির খোপ বিক্রি হয়। তবে হাটের দিন ছাড়াও মাঠে পণ্য রাখা হয়। তাতে আমাদের খেলার সমস্যা হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘স্কুল মাঠে শনিবার হাট বসলেও আমাদের কাছ থেকে কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মাঠজুড়ে নৌকা, চৌকি, হাঁস-মুরগির খোপসহ বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছে বিক্রেতারা। হাটে আসা ক্রেতাদের কাছ থেকে নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি খাজনা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন কেউ কেউ।
অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ:
ঘিওর উপজেলার বাঠইমুড়ী এলাকার কৃষক রফিকুল ইসলাম জানান, হাটে নৌকা কিনতে এসে অতিরিক্ত খাজনা দাবি করায় খাজনা আদায়কারীদের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। তিনি বলেন, ‘যে পরিমাণ খাজনা নেওয়ার কথা, তার চেয়ে বেশি আদায় করা হচ্ছে। এক থেকে দেড় লাখ টাকার গরুর খাজনা নেওয়া হয় ৪০০ টাকা। হাটে ৫ হাজার টাকার নৌকা বিক্রি করলে ৪০০ টাকা খাজনা দিতে হয়।
শিবালয় উপজেলার ক্রেতা আকসি হোসেন জানান, একটি নৌকার খাজনা ২শ টাকা নেওয়া উচিত।
চরাঞ্চলের আজিমনগর ইউনিয়নের বসন্তপুরের বাসিন্দা নাজমুল হোসেন জানান, তিনি ৭ হাজার টাকা দিয়ে একটি নৌকা কিনেছেন। তার কাছ থেকে ৪৫০ টাকা খাজনা আদায় করা হয়েছে। অতিরিক্ত খাজনা নেয়ায় প্রতিবাদ করেও লাভ হয়নি।
হাটে আসা কয়েকজন নৌকা বিক্রেতা বলেন, ‘কারা বা কীভাবে স্কুল মাঠের ইজারা নিয়েছেন, সেই বিষয়ে তাদের কোনো ধারণা নেই। তারা শুধু হাটে এসে বিক্রি করেন।’
স্থানীয় কয়েকজন কিশোর জানান, প্রতি সপ্তাহে শনিবার বিদ্যালয়ের মাঠে হাট বসায় খেলাধুলা ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও নানা ধরনের বিড়ম্বনার মুখে পড়ছে।
এ বিষয়ে ইজারাদারের প্রতিনিধি মো. রিপন বলেন, ‘খাজনা বেশি নেওয়া হচ্ছে না। এই মাঠে অনেক বছর ধরেই হাট বসে আসছে।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘স্কুল মাঠে হাট বসানোর জন্য কোনো ইজারা দেওয়া হয়নি।’
বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই মাঠ কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেয়নি। অনুমতি ছাড়াই এখানে হাট বসানো হচ্ছে। বিষয়টি বন্ধে উপজেলা প্রশাসনকে লিখিতভাবে অবহিত করা হবে।’
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত ইউএনও ফাহিজা বিসরাত হোসেন বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসন ঝিটকা হাটের পেরিফেরিতে হাট ইজারা দিলেও স্কুল মাঠে হাট বসানোর ইজারা দেয়নি।’

বিদ্যালয়ের মাঠে হাট, তবুও অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ
মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী ঝিটকা আনন্দ মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সাপ্তাহিক হাট বসলেও নেওয়া হয়নি স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন। এছাড়া, বিদ্যালয়ের মাঠে হাট বসলেও অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, তাদের কোনো অনুমতি ছাড়াই স্কুল মাঠে হাট পরিচালনা করা হচ্ছে।
স্কুল মাঠে হাট, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা:
স্কুল মাঠে হাট বসায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্কুলের শিক্ষার্থীরা। দশম শ্রেণির ছাত্র ফাহিম মুনতাসীর অনিক বলেন, ‘ হাটের দিন আমাদের স্কুল মাঠে নৌকা, কাঠ আর মুরগির খোপ বিক্রি হয়। তবে হাটের দিন ছাড়াও মাঠে পণ্য রাখা হয়। তাতে আমাদের খেলার সমস্যা হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘স্কুল মাঠে শনিবার হাট বসলেও আমাদের কাছ থেকে কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মাঠজুড়ে নৌকা, চৌকি, হাঁস-মুরগির খোপসহ বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছে বিক্রেতারা। হাটে আসা ক্রেতাদের কাছ থেকে নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি খাজনা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন কেউ কেউ।
অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ:
ঘিওর উপজেলার বাঠইমুড়ী এলাকার কৃষক রফিকুল ইসলাম জানান, হাটে নৌকা কিনতে এসে অতিরিক্ত খাজনা দাবি করায় খাজনা আদায়কারীদের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। তিনি বলেন, ‘যে পরিমাণ খাজনা নেওয়ার কথা, তার চেয়ে বেশি আদায় করা হচ্ছে। এক থেকে দেড় লাখ টাকার গরুর খাজনা নেওয়া হয় ৪০০ টাকা। হাটে ৫ হাজার টাকার নৌকা বিক্রি করলে ৪০০ টাকা খাজনা দিতে হয়।
শিবালয় উপজেলার ক্রেতা আকসি হোসেন জানান, একটি নৌকার খাজনা ২শ টাকা নেওয়া উচিত।
চরাঞ্চলের আজিমনগর ইউনিয়নের বসন্তপুরের বাসিন্দা নাজমুল হোসেন জানান, তিনি ৭ হাজার টাকা দিয়ে একটি নৌকা কিনেছেন। তার কাছ থেকে ৪৫০ টাকা খাজনা আদায় করা হয়েছে। অতিরিক্ত খাজনা নেয়ায় প্রতিবাদ করেও লাভ হয়নি।
হাটে আসা কয়েকজন নৌকা বিক্রেতা বলেন, ‘কারা বা কীভাবে স্কুল মাঠের ইজারা নিয়েছেন, সেই বিষয়ে তাদের কোনো ধারণা নেই। তারা শুধু হাটে এসে বিক্রি করেন।’
স্থানীয় কয়েকজন কিশোর জানান, প্রতি সপ্তাহে শনিবার বিদ্যালয়ের মাঠে হাট বসায় খেলাধুলা ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও নানা ধরনের বিড়ম্বনার মুখে পড়ছে।
এ বিষয়ে ইজারাদারের প্রতিনিধি মো. রিপন বলেন, ‘খাজনা বেশি নেওয়া হচ্ছে না। এই মাঠে অনেক বছর ধরেই হাট বসে আসছে।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘স্কুল মাঠে হাট বসানোর জন্য কোনো ইজারা দেওয়া হয়নি।’
বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই মাঠ কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেয়নি। অনুমতি ছাড়াই এখানে হাট বসানো হচ্ছে। বিষয়টি বন্ধে উপজেলা প্রশাসনকে লিখিতভাবে অবহিত করা হবে।’
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত ইউএনও ফাহিজা বিসরাত হোসেন বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসন ঝিটকা হাটের পেরিফেরিতে হাট ইজারা দিলেও স্কুল মাঠে হাট বসানোর ইজারা দেয়নি।’









