শিরোনাম

কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মমতার সরকারকে দুষলেন শুভেন্দু

সিজেডএন ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মমতার সরকারকে দুষলেন শুভেন্দু
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (বাঁয়ে) ও হোটেল (ডানে)

কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের এক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি নাগরিক বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকিদের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

এ ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এর জন্য বিগত সরকারের গাফিলতি ও তদারকির অভাবকে দায়ী করেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিগত সরকারের আমলে হোটেলসহ বাণিজ্যিক ভবনগুলোতে বাধ্যতামূলক অগ্নিনির্বাপণ নিরাপত্তা বজায় রাখার বিষয়ে চরম অবহেলা করা হয়েছে। বর্তমানে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা ও আহতদের যথাযথ চিকিৎসার পাশাপাশি আগুনের মূল কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এক্সে দেওয়া বার্তায় শুভেন্দু লিখেছেন, কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটে মর্মান্তিক অগ্নিদুর্ঘটনা নিয়ে আমি ক্ষুব্ধ ‌ও হতাশ। সেখানে বর্তমানে আমরা উদ্ধার অভিযান ও ঘটনার তদন্তের ওপর নজর রাখছি। কিন্তু যা হয়েছে সেটির বাস্তবতা উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। সাবেক সরকার যে কি ধরনের ভয়াবহ গাফিলতি করেছে এ ঘটনা আমাদের সেটিই মনে করিয়ে দেয়। গত কয়েক বছর ধরে শহর ও রাজ্যের অবকাঠামোগুলো কোনো ধরনের সরকারি তদারকি ছাড়াই গড়ে উঠেছে। বিগত সরকারের আমলে অনেক অবকাঠামো তৈরি হয়েছে এবং সেখানে হোটেল চালানো এবং অন্যান্য ব্যবসা পরিচালনা করতে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এগুলোতে বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা ব্যবস্থা উপেক্ষা করা হয়েছে।

বর্তমানে দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাঁচ সদস্যের গঠন করা বিশেষ কমিটি দ্রুতই অগ্নিকাণ্ডের উৎস ও নিরাপত্তার ঘাটতিগুলো খতিয়ে দেখে প্রতিবেদন জমা দেবে।

উল্লেখ্য মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) স্থানীয় সময় দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে হোটেলটিতে হঠাৎ করেই আগুনের শিখা ও ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। এতে মুহূর্তের মধ্যে হোটেলজুড়ে তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়। এ দুর্ঘটনায় আরও ছয়জন গুরুতর দগ্ধ ও আহত হয়েছেন। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সূত্র: এএনআই

/এমএকে/