চীনকে ঠেকাতে বড় পদক্ষেপ, জার্মান প্রযুক্তিতে ৬ সাবমেরিন বানাবে ভারত

চীনকে ঠেকাতে বড় পদক্ষেপ, জার্মান প্রযুক্তিতে ৬ সাবমেরিন বানাবে ভারত
সিজেডএন ডেস্ক

ভারত মহাসাগরে চীনের বাড়তি নজরদারি ও নিজেদের নৌবহরের ঘাটতি সামলাতে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে দিল্লি। জার্মানির সহায়তায় নিজেদের জলসীমার সুরক্ষায় আরও ৬টি সাবমেরিন তৈরি করতে যাচ্ছে ভারত। ‘প্রজেক্ট ৭৫ (আই)’ কর্মসূচির অধীনে এ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৭০ হাজার কোটি রুপি। খুব শিগগিরই নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির টেবিলে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রস্তাবটি তোলা হতে পারে বলে জানা গেছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু ঠিক থাকলে মুম্বাইয়ের মাজাগন ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড এবং জার্মানির থাইসেনক্রুপ মেরিন সিস্টেমস যৌথভাবে নির্মাণকাজ শুরু করবে। এ প্রকল্পের মূল বিশেষত্ব হলো, সাবমেরিনগুলো বিদেশ থেকে সরাসরি না কিনে জার্মানির প্রযুক্তিগত সহায়তায় ভারতেই তৈরি হবে। নতুন এ ডুবোজাহাজগুলোতে যুক্ত থাকবে উন্নত ‘এয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রপালশন’ (এআইপি) প্রযুক্তি। ফলে প্রচলিত ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিনের চেয়ে এগুলো অনেক বেশি সময় পানির নিচে থাকতে পারবে। পাশাপাশি এতে যুক্ত হচ্ছে আধুনিক সেন্সর, শক্তিশালী টর্পেডো, ক্ষেপণাস্ত্র এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধপ্রযুক্তি।
তবে ভারত একে শুধুই সাবমেরিন বানানোর চুক্তি হিসেবে দেখছে না। ভবিষ্যতে নিজস্ব প্রযুক্তিতে সাবমেরিন তৈরি, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং আধুনিকায়নের সম্পূর্ণ সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে এ প্রকল্প হাতে নিয়েছে দিল্লি। প্রযুক্তি হস্তান্তরের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে হায়দরাবাদের ভিইএম টেকনোলজিসের সঙ্গে ভারী টর্পেডো তৈরির সমঝোতা করেছে জার্মানির প্রতিষ্ঠানটি। অন্যদিকে সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধপ্রযুক্তি প্রস্তুত করতে কাজ চলছে সিএফএফ ফ্লুইড কন্ট্রোলের সঙ্গে।
এর আগে ফরাসি সহায়তায় মাজাগন ডক ছয়টি কালভারি শ্রেণির সাবমেরিন তৈরি করেছিল, যার প্রথমটি ২০১৭ সালে এবং সর্বশেষ ‘আইএনএস ভাগশির’ ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়। তবে ভারত মহাসাগরে চীনা সাবমেরিনের সক্রিয়তা বাড়তে থাকায় নিজেদের শক্তিবৃদ্ধিতে জার্মানির সঙ্গে এই যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে ভারত।
সূত্র: এনডিটিভি

ভারত মহাসাগরে চীনের বাড়তি নজরদারি ও নিজেদের নৌবহরের ঘাটতি সামলাতে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে দিল্লি। জার্মানির সহায়তায় নিজেদের জলসীমার সুরক্ষায় আরও ৬টি সাবমেরিন তৈরি করতে যাচ্ছে ভারত। ‘প্রজেক্ট ৭৫ (আই)’ কর্মসূচির অধীনে এ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৭০ হাজার কোটি রুপি। খুব শিগগিরই নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির টেবিলে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রস্তাবটি তোলা হতে পারে বলে জানা গেছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু ঠিক থাকলে মুম্বাইয়ের মাজাগন ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড এবং জার্মানির থাইসেনক্রুপ মেরিন সিস্টেমস যৌথভাবে নির্মাণকাজ শুরু করবে। এ প্রকল্পের মূল বিশেষত্ব হলো, সাবমেরিনগুলো বিদেশ থেকে সরাসরি না কিনে জার্মানির প্রযুক্তিগত সহায়তায় ভারতেই তৈরি হবে। নতুন এ ডুবোজাহাজগুলোতে যুক্ত থাকবে উন্নত ‘এয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রপালশন’ (এআইপি) প্রযুক্তি। ফলে প্রচলিত ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিনের চেয়ে এগুলো অনেক বেশি সময় পানির নিচে থাকতে পারবে। পাশাপাশি এতে যুক্ত হচ্ছে আধুনিক সেন্সর, শক্তিশালী টর্পেডো, ক্ষেপণাস্ত্র এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধপ্রযুক্তি।
তবে ভারত একে শুধুই সাবমেরিন বানানোর চুক্তি হিসেবে দেখছে না। ভবিষ্যতে নিজস্ব প্রযুক্তিতে সাবমেরিন তৈরি, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং আধুনিকায়নের সম্পূর্ণ সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে এ প্রকল্প হাতে নিয়েছে দিল্লি। প্রযুক্তি হস্তান্তরের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে হায়দরাবাদের ভিইএম টেকনোলজিসের সঙ্গে ভারী টর্পেডো তৈরির সমঝোতা করেছে জার্মানির প্রতিষ্ঠানটি। অন্যদিকে সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধপ্রযুক্তি প্রস্তুত করতে কাজ চলছে সিএফএফ ফ্লুইড কন্ট্রোলের সঙ্গে।
এর আগে ফরাসি সহায়তায় মাজাগন ডক ছয়টি কালভারি শ্রেণির সাবমেরিন তৈরি করেছিল, যার প্রথমটি ২০১৭ সালে এবং সর্বশেষ ‘আইএনএস ভাগশির’ ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়। তবে ভারত মহাসাগরে চীনা সাবমেরিনের সক্রিয়তা বাড়তে থাকায় নিজেদের শক্তিবৃদ্ধিতে জার্মানির সঙ্গে এই যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে ভারত।
সূত্র: এনডিটিভি

চীনকে ঠেকাতে বড় পদক্ষেপ, জার্মান প্রযুক্তিতে ৬ সাবমেরিন বানাবে ভারত
সিজেডএন ডেস্ক

ভারত মহাসাগরে চীনের বাড়তি নজরদারি ও নিজেদের নৌবহরের ঘাটতি সামলাতে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে দিল্লি। জার্মানির সহায়তায় নিজেদের জলসীমার সুরক্ষায় আরও ৬টি সাবমেরিন তৈরি করতে যাচ্ছে ভারত। ‘প্রজেক্ট ৭৫ (আই)’ কর্মসূচির অধীনে এ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৭০ হাজার কোটি রুপি। খুব শিগগিরই নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির টেবিলে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রস্তাবটি তোলা হতে পারে বলে জানা গেছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু ঠিক থাকলে মুম্বাইয়ের মাজাগন ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড এবং জার্মানির থাইসেনক্রুপ মেরিন সিস্টেমস যৌথভাবে নির্মাণকাজ শুরু করবে। এ প্রকল্পের মূল বিশেষত্ব হলো, সাবমেরিনগুলো বিদেশ থেকে সরাসরি না কিনে জার্মানির প্রযুক্তিগত সহায়তায় ভারতেই তৈরি হবে। নতুন এ ডুবোজাহাজগুলোতে যুক্ত থাকবে উন্নত ‘এয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রপালশন’ (এআইপি) প্রযুক্তি। ফলে প্রচলিত ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিনের চেয়ে এগুলো অনেক বেশি সময় পানির নিচে থাকতে পারবে। পাশাপাশি এতে যুক্ত হচ্ছে আধুনিক সেন্সর, শক্তিশালী টর্পেডো, ক্ষেপণাস্ত্র এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধপ্রযুক্তি।
তবে ভারত একে শুধুই সাবমেরিন বানানোর চুক্তি হিসেবে দেখছে না। ভবিষ্যতে নিজস্ব প্রযুক্তিতে সাবমেরিন তৈরি, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং আধুনিকায়নের সম্পূর্ণ সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে এ প্রকল্প হাতে নিয়েছে দিল্লি। প্রযুক্তি হস্তান্তরের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে হায়দরাবাদের ভিইএম টেকনোলজিসের সঙ্গে ভারী টর্পেডো তৈরির সমঝোতা করেছে জার্মানির প্রতিষ্ঠানটি। অন্যদিকে সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধপ্রযুক্তি প্রস্তুত করতে কাজ চলছে সিএফএফ ফ্লুইড কন্ট্রোলের সঙ্গে।
এর আগে ফরাসি সহায়তায় মাজাগন ডক ছয়টি কালভারি শ্রেণির সাবমেরিন তৈরি করেছিল, যার প্রথমটি ২০১৭ সালে এবং সর্বশেষ ‘আইএনএস ভাগশির’ ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়। তবে ভারত মহাসাগরে চীনা সাবমেরিনের সক্রিয়তা বাড়তে থাকায় নিজেদের শক্তিবৃদ্ধিতে জার্মানির সঙ্গে এই যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে ভারত।
সূত্র: এনডিটিভি

ভারতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ ধসে নিহত ৭, নিখোঁজ ১





