শিরোনাম

মানসিক রোগ মানেই ‘পাগলামি’ নয়

সিজেডএন ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
মানসিক রোগ মানেই ‘পাগলামি’ নয়
ছবিতে বিভিন্ন ধরনের মানসিক রোগের লক্ষণ দেখানো হয়েছে

মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়লেও এ বিষয়ে সমাজে এখনো নানা ভুল ধারণা, কুসংস্কার ও সামাজিক লেবেল প্রচলিত। কেউ সামান্য গুছিয়ে চললেই নিজেকে ‘ওসিডি রোগী’ মনে করেন, আবার কেউ মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে ‘জিন-ভূতে ধরেছে’ বলে ধরে নেন। কেউ বিষণ্নতাকে নিছক মন খারাপ বা দুর্বলতা মনে করেন, আবার কারও সামাজিকভাবে মিশতে অস্বস্তি হলে তাকে অহংকারী বলে এড়িয়ে যান।

একদিকে মানসিক রোগকে গুরুত্ব না দেওয়া, অন্যদিকে সামান্য কিছু আচরণের ভিত্তিতে নিজে বা অন্যকে কোনো নির্দিষ্ট মানসিক রোগের সঙ্গে চিহ্নিত করার প্রবণতা দুটিই ক্ষতিকর। কারণ, মানসিক রোগের নির্ণয় একটি জটিল ও পেশাদার প্রক্রিয়া। কেবল কিছু লক্ষণ বা আচরণ দেখে নিজে নিজে রোগ নির্ধারণ করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি কারও আচরণ পছন্দ না হলেই তাকে ‘মানসিক রোগী’ বলে দেওয়া আরও বিপজ্জনক।

ইন্টারনেট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহজলভ্যতার কারণে এখন অনেকে নিজের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে গুগল, চ্যাটজিপিটি, জেমিনি কিংবা বিভিন্ন অনলাইন কনটেন্টের সাহায্য নেন। নিজের মধ্যে কিছু অস্বাভাবিকতা টের পেলে এসব জায়গা থেকে তথ্য পাওয়া যায় ঠিকই, কিন্তু সেখান থেকে নিশ্চিতভাবে কোনো মানসিক রোগের রোগনির্ণয় করা যায় না। বরং ভুল তথ্য বা অসম্পূর্ণ তথ্য অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক তৈরি করতে পারে।

প্রচলিত কিছু আচরণ ও সামাজিক ধারণার কারণে আমরা যেন নিজেরাই সাইকিয়াট্রিস্ট বা কাউন্সেলর হয়ে উঠছি। চারপাশে প্রায়ই শোনা যায়, ‘আমার মনে হয় আমার ওসিডি আছে।’ আবার কেউ মানসিক সমস্যায় ভুগছেন শুনলেই বলা হয়, ‘ও তো মানসিক রোগী, নিশ্চয়ই জিন-ভূতের আছড় আছে।’ এসব ধারণা মানসিক স্বাস্থ্যসেবার পথে বড় বাধা তৈরি করতে পারে।

মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বেরই বড় উদ্বেগের বিষয়। বাংলাদেশে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের গবেষণায় প্রাপ্তবয়স্কদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশের মধ্যে কোনো না কোনো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। ফলে বিষয়টিকে হালকা করে দেখা কিংবা কুসংস্কারের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করার সুযোগ নেই।

তাহলে আমাদের প্রচলিত ধারণার সঙ্গে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ব্যাখ্যার পার্থক্য কোথায়? চলুন, কয়েকটি পরিচিত ভুল ধারণা দেখে নেওয়া যাক।

ওসিডি কোনো ফ্যাশন বা পরিচ্ছন্নতার শখ নয়

কিছু মানুষ ঘর গোছানো, জিনিসপত্র নির্দিষ্টভাবে সাজিয়ে রাখা কিংবা অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতা পছন্দ করাকে মজা করে ‘ওসিডি’ বলে থাকেন। কেউ কেউ নিজেকে একটু গুছানো বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন মনে হলেই বলেন, ‘আমি তো ভীষণ ওসিডি।’

কিন্তু অবসেসিভ কমপালসিভ ডিজঅর্ডার বা ওসিডি কোনো ফ্যাশন, শখ কিংবা সৌন্দর্যবোধের প্রকাশ নয়। এ সমস্যায় অনিচ্ছাকৃত ও বারবার ফিরে আসা কিছু চিন্তা, ভয় বা তাড়না দেখা দিতে পারে। যেমন, হাত না ধুলে জীবাণুতে আক্রান্ত হওয়ার ভয়, কোনো কিছু ঠিকভাবে না করলে ভয়াবহ কিছু ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা ইত্যাদি। সেই ভয় বা অস্বস্তি কমানোর জন্য আক্রান্ত ব্যক্তি একই কাজ বারবার করতে বাধ্য বোধ করতে পারেন।

বারবার হাত ধোয়া, দরজা বন্ধ হয়েছে কি না বারবার পরীক্ষা করা কিংবা কোনো কাজ নির্দিষ্ট নিয়মে না করলে অস্বস্তিতে ভোগা এসব আচরণ কখনো কখনো ওসিডির অংশ হতে পারে। তবে সব ধরনের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বা গুছিয়ে রাখার অভ্যাসকে ওসিডি বলা যাবে না। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য বিষয়টি সাধারণত আনন্দের নয়; বরং তীব্র মানসিক চাপ ও যন্ত্রণার কারণ হতে পারে।

শুধু ইতিবাচক চিন্তায় ডিপ্রেশন সারে না

বিষণ্নতা বা ডিপ্রেশনকে সমাজে প্রায়ই সাধারণ মন খারাপের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়। অনেকে মনে করেন, জীবন নিয়ে হতাশ হওয়া মানেই ডিপ্রেশন। আবার কেউ বিষণ্নতায় ভুগলে তাকে বলা হয়, ‘এত চিন্তা করো না’, ‘ইতিবাচক চিন্তা করো’, ‘ব্যস্ত থাকলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।’

বাস্তবে বিষয়টি এত সহজ নয়। সাধারণ মন খারাপের পেছনে অনেক সময় নির্দিষ্ট কোনো ঘটনা বা কারণ থাকে এবং সময়ের সঙ্গে তা কেটে যেতে পারে। কিন্তু ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশন একটি গুরুতর মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, যার প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে এবং দৈনন্দিন জীবন, কাজ, সম্পর্ক ও নিজের যত্ন নেওয়ার ক্ষমতাকে ব্যাহত করতে পারে।

তাই বিষণ্নতায় আক্রান্ত কাউকে শুধু ‘পজিটিভ’ হওয়ার পরামর্শ দেওয়া যথেষ্ট নয়। যেমন শারীরিক অসুস্থতায় চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, তেমনি ডিপ্রেশনের ক্ষেত্রেও প্রয়োজন অনুযায়ী পেশাদার মূল্যায়ন, কাউন্সেলিং বা সাইকোথেরাপি এবং কখনো ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে। এটি ব্যক্তির ইচ্ছাশক্তির দুর্বলতা বা কোনো ধরনের নাটক নয়।

এডিএইচডি মানেই শুধু অমনোযোগিতা নয়

শিশুদের চঞ্চলতা বা পড়াশোনায় মনোযোগের ঘাটতিকে অনেক সময় ‘দুষ্টুমি’, ‘ফাঁকিবাজি’ কিংবা ‘বেয়াদবি’ হিসেবে দেখা হয়। ফলে এডিএইচডি থাকা অনেক শিশুকে শাস্তি বা বকাঝকার মুখোমুখি হতে হয়।

অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার বা এডিএইচডি নিছক স্বভাবের ত্রুটি নয়। এটি একটি নিউরোডেভেলপমেন্টাল অবস্থা, যার কারণে মনোযোগ ধরে রাখা, আবেগ নিয়ন্ত্রণ, কাজ সংগঠিত করা এবং আচরণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এটি শুধু শিশুদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। অনেকের ক্ষেত্রে বয়স বাড়ার পরও এর কিছু লক্ষণ থেকে যায়। বড়দের ক্ষেত্রে কাজের সময়সীমা মেনে চলতে সমস্যা, গুরুত্বপূর্ণ কাজ ভুলে যাওয়া, কাজের মাঝখানে মনোযোগ হারিয়ে ফেলা কিংবা একসঙ্গে অনেক কিছু শুরু করে কিছুই শেষ করতে না পারার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তাই এডিএইচডি আক্রান্ত শিশুকে শুধু ‘দুষ্টু’ বা ‘অমনোযোগী’ বলে শাস্তি না দিয়ে প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

সিজোফ্রেনিয়া জিন-ভূতের আছড় নয়

মানসিক রোগ নিয়ে সবচেয়ে ক্ষতিকর কুসংস্কারগুলোর একটি হলো সিজোফ্রেনিয়াকে জিন, ভূত, জাদুটোনা বা অশুভ শক্তির প্রভাব হিসেবে দেখা। এখনো অনেক পরিবারে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার পরিবর্তে আক্রান্ত ব্যক্তিকে কবিরাজ, পীর-ফকির কিংবা ঝাড়ফুঁকের কাছে নেওয়া হয়।

সিজোফ্রেনিয়া একটি গুরুতর মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, যার ক্ষেত্রে ব্যক্তির চিন্তা, অনুভূতি, আচরণ এবং বাস্তবতা উপলব্ধির ওপর প্রভাব পড়তে পারে। কেউ এমন কিছু শব্দ শুনতে পারেন বা কিছু দেখতে পারেন, যা অন্যরা শুনছেন বা দেখছেন না। আক্রান্ত ব্যক্তির কাছে এসব অভিজ্ঞতা বাস্তব বলেই মনে হতে পারে।

আরেকটি ভুল ধারণা হলো, সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত সবাই বিপজ্জনক বা সহিংস। বাস্তবে এমন সাধারণীকরণ ঠিক নয়। বরং সামাজিক কুসংস্কার, বৈষম্য ও অবহেলার কারণে মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরাই অনেক সময় নিগ্রহের শিকার হন।

সঠিক সময়ে চিকিৎসা, ওষুধ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী থেরাপির মাধ্যমে সিজোফ্রেনিয়ার অনেক উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাই জিন-ভূতের ধারণায় আটকে না থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই জরুরি।

সামাজিক উদ্বেগকে অহংকার ভাবা যাবে না

কেউ সামাজিক অনুষ্ঠানে যেতে চান না, মানুষের সামনে কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করেন কিংবা অপরিচিত মানুষের সঙ্গে কথা বলার সময় ভীষণ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এমন আচরণকে অনেকেই সরাসরি ‘লজ্জাবতী স্বভাব’ বা ‘অহংকার’ হিসেবে দেখেন।

কিন্তু কিছু মানুষের ক্ষেত্রে বিষয়টি সাধারণ লাজুকতার চেয়ে অনেক বেশি তীব্র হতে পারে। সোশ্যাল অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত ব্যক্তি মানুষের সামনে নিজেকে নিয়ে অতিরিক্ত বিচার-বিশ্লেষণ ও নেতিবাচক মূল্যায়নের ভয় অনুভব করতে পারেন। তাদের মনে হতে পারে, সবাই তাকে দেখছে, তার ভুল ধরছে কিংবা তাকে নিয়ে হাসাহাসি করছে।

ফলে সামাজিক পরিস্থিতি এড়িয়ে চলা, মানুষের সঙ্গে কথা বলতে ভয় পাওয়া বা জনসমক্ষে কথা বলার সময় তীব্র উদ্বেগ তৈরি হতে পারে। শুধু ‘স্বাভাবিক হও’ বা ‘সবার সঙ্গে মিশো’ বললেই এই সমস্যা দূর হয় না। প্রয়োজন হলে পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সহায়তা নিতে হয়।

সোমাটিক সিম্পটম ডিসঅর্ডার মানে রোগীর ‘ঢং’ নয়

হাসপাতালে এমন রোগীও দেখা যায়, যারা দীর্ঘদিন ধরে বুক জ্বালা, শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথা, অবশভাব কিংবা নানা ধরনের শারীরিক উপসর্গের কথা বলেন। এক চিকিৎসকের কাছ থেকে আরেক চিকিৎসকের কাছে গেলেও অনেক সময় পরীক্ষার রিপোর্টে গুরুতর কোনো শারীরিক কারণ পাওয়া যায় না।

এ অবস্থায় পরিবারের কেউ কেউ রোগীকে ‘ঢং করছেন’, ‘মনোযোগ পাওয়ার চেষ্টা করছেন’ কিংবা ‘রোগের ভান করছেন’ বলে মনে করেন। এই ধারণাটিও ভুল।

সোমাটিক সিম্পটম ডিসঅর্ডারে শারীরিক উপসর্গ বা যন্ত্রণা সত্যিই অনুভূত হয়। মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা অন্যান্য মানসিক বিষয় শারীরিক উপসর্গের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত হতে পারে। পরীক্ষায় নির্দিষ্ট শারীরিক রোগের প্রমাণ না পাওয়া মানেই রোগী অভিনয় করছেন এমনটা নয়।

তাই এ ধরনের রোগীকেও অবহেলা বা উপহাস না করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শারীরিক ও মানসিক মূল্যায়ন করানো দরকার।

বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডারকে স্বার্থপরতা বলা ঠিক নয়

কোনো ব্যক্তি খুব দ্রুত আবেগ পরিবর্তন করেন, হঠাৎ প্রচণ্ড রেগে যান, সম্পর্কের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে পড়েন কিংবা পরিত্যক্ত হওয়ার ভয় পান এমন আচরণকে অনেক সময় ‘নাটক’, ‘স্বার্থপরতা’ বা ‘ব্ল্যাকমেইল’ হিসেবে দেখা হয়।

বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার বা বিএপিডির ক্ষেত্রে আবেগ নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কাছের মানুষের আচরণে সামান্য পরিবর্তনও আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে তীব্র প্রত্যাখ্যাত বা পরিত্যক্ত হওয়ার ভয় তৈরি করতে পারে। এর ফলে সম্পর্কের ক্ষেত্রে চরম আবেগ, রাগ, হতাশা বা হঠাৎ আচরণগত পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

আবেগের তীব্র বহিঃপ্রকাশের পর আক্রান্ত ব্যক্তি নিজেও অনেক সময় অনুশোচনা, অপরাধবোধ ও মানসিক যন্ত্রণায় ভোগেন। তাই এসব আচরণকে শুধু ‘নাটক’ বা ‘স্বার্থপরতা’ হিসেবে দেখলে সমস্যাটি আরও জটিল হতে পারে।

ভুল ধারণা ভাঙতে হবে, রোগীকে নয়

মানসিক রোগ নিয়ে সমাজে প্রচলিত ভুল ধারণা একদিনে দূর হবে না। তবে এগুলোকে স্বাভাবিক বা নিরীহ ভেবে ছেড়ে দেওয়ারও সুযোগ নেই। কারণ একটি ভুল সামাজিক লেবেল কখনো কখনো একজন মানুষকে চিকিৎসা থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারে কিংবা তার মানসিক যন্ত্রণা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

আবার ইন্টারনেট বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে পাওয়া তথ্যকে ভিত্তি করে নিজে নিজে কোনো মানসিক রোগের নাম ঠিক করে নেওয়াও ঠিক নয়। নিজের মধ্যে অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন, দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ, উদ্বেগ, বিষণ্নতা বা আচরণগত সমস্যা দেখা দিলে প্রশিক্ষিত মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীর পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো: মানসিক রোগকে ভয়, কুসংস্কার কিংবা সামাজিক অপমানের বিষয় না বানিয়ে স্বাস্থ্যগত সমস্যা হিসেবে দেখা। প্রয়োজন হলে কাউন্সেলর, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সহায়তা নিতে হবে। চিকিৎসার প্রয়োজন আছে কি না, সেটি নির্ধারণ করবেন সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী; সমাজের প্রচলিত ধারণা নয়।

/এমআর/