যুক্তরাজ্যে আকাশপথে চরম বিশৃঙ্খলা: বাতিল হাজারেরও বেশি ফ্লাইট

যুক্তরাজ্যে আকাশপথে চরম বিশৃঙ্খলা: বাতিল হাজারেরও বেশি ফ্লাইট
সিজেডএন ডেস্ক

বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় আকস্মিক প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের কারণে যুক্তরাজ্যজুড়ে ভয়াবহ ফ্লাইট বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) এ যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে দেশটির বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে এক হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। আকস্মিক এ সিদ্ধান্তে যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ রুটের পাশাপাশি পুরো ইউরোপজুড়ে বিমান চলাচলে ব্যাপক জট ও দীর্ঘ বিলম্বের সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে চরম দুর্ভোগে লাখো যাত্রী।
ফ্লাইট ট্র্যাকিং সংস্থা ‘ফ্লাইটরাডার২৪’-এর তথ্য অনুযায়ী, মূল ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দেওয়ায় মঙ্গলবার এক হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে বিপুলসংখ্যক ফ্লাইটের সূচি ওলটপালট হয়ে যায়। এ বিভ্রাটের সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে লন্ডনের প্রধান চার বিমানবন্দর—হিথ্রো, গ্যাটউইক, স্ট্যানস্টেড ও লন্ডন সিটিতে। এছাড়া ম্যানচেস্টার, বার্মিংহাম এবং স্কটল্যান্ডের অন্তত ১৫টি বিমানবন্দরেও পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল এয়ার ট্রাফিক সার্ভিসেস (NATS) জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে মূল সিস্টেমের ত্রুটি সারিয়ে তোলা সম্ভব হয়েছে। তবে প্রাথমিক সংকট কাটলেও আকাশপথে তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলা ও ফ্লাইট জট স্বাভাবিক করা এয়ারলাইনগুলোর জন্য বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজকে ১০০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল ও নতুন করে পুনর্নির্ধারণ করতে হয়েছে। অন্যদিকে রায়ানএয়ারের ৫০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় প্রায় ৬০ হাজার যাত্রী বিপাকে পড়েছেন। একইভাবে ইজিজেটও বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বাতিলের পাশাপাশি ইউরোপজুড়ে দীর্ঘ বিলম্বের কথা জানিয়েছে।
বিমানবন্দরে আটকে থাকা যাত্রীদের অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত তিক্ত। গ্যাটউইক বিমানবন্দরে এক যাত্রী আয়ারল্যান্ডগামী বিমানে ওঠার পর টানা তিন ঘণ্টা ভেতরেই আটকে থাকেন। শেষ পর্যন্ত তাকে জানানো হয় ফ্লাইটটি বাতিল করা হয়েছে। এ পুরো পরিস্থিতিকে তিনি দুঃস্বপ্নের সঙ্গে তুলনা করেন।
এ বিষয়ে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘এ প্রযুক্তিগত ত্রুটি পুরোপুরি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।’ তবে সংকট এখনই পুরোপুরি কাটছে না উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘এর প্রভাব আরও কিছুদিন থাকতে পারে।’
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। যেকোনো অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি এড়াতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগেই নিজ নিজ এয়ারলাইনের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: বিবিসি

বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় আকস্মিক প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের কারণে যুক্তরাজ্যজুড়ে ভয়াবহ ফ্লাইট বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) এ যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে দেশটির বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে এক হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। আকস্মিক এ সিদ্ধান্তে যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ রুটের পাশাপাশি পুরো ইউরোপজুড়ে বিমান চলাচলে ব্যাপক জট ও দীর্ঘ বিলম্বের সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে চরম দুর্ভোগে লাখো যাত্রী।
ফ্লাইট ট্র্যাকিং সংস্থা ‘ফ্লাইটরাডার২৪’-এর তথ্য অনুযায়ী, মূল ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দেওয়ায় মঙ্গলবার এক হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে বিপুলসংখ্যক ফ্লাইটের সূচি ওলটপালট হয়ে যায়। এ বিভ্রাটের সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে লন্ডনের প্রধান চার বিমানবন্দর—হিথ্রো, গ্যাটউইক, স্ট্যানস্টেড ও লন্ডন সিটিতে। এছাড়া ম্যানচেস্টার, বার্মিংহাম এবং স্কটল্যান্ডের অন্তত ১৫টি বিমানবন্দরেও পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল এয়ার ট্রাফিক সার্ভিসেস (NATS) জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে মূল সিস্টেমের ত্রুটি সারিয়ে তোলা সম্ভব হয়েছে। তবে প্রাথমিক সংকট কাটলেও আকাশপথে তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলা ও ফ্লাইট জট স্বাভাবিক করা এয়ারলাইনগুলোর জন্য বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজকে ১০০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল ও নতুন করে পুনর্নির্ধারণ করতে হয়েছে। অন্যদিকে রায়ানএয়ারের ৫০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় প্রায় ৬০ হাজার যাত্রী বিপাকে পড়েছেন। একইভাবে ইজিজেটও বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বাতিলের পাশাপাশি ইউরোপজুড়ে দীর্ঘ বিলম্বের কথা জানিয়েছে।
বিমানবন্দরে আটকে থাকা যাত্রীদের অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত তিক্ত। গ্যাটউইক বিমানবন্দরে এক যাত্রী আয়ারল্যান্ডগামী বিমানে ওঠার পর টানা তিন ঘণ্টা ভেতরেই আটকে থাকেন। শেষ পর্যন্ত তাকে জানানো হয় ফ্লাইটটি বাতিল করা হয়েছে। এ পুরো পরিস্থিতিকে তিনি দুঃস্বপ্নের সঙ্গে তুলনা করেন।
এ বিষয়ে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘এ প্রযুক্তিগত ত্রুটি পুরোপুরি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।’ তবে সংকট এখনই পুরোপুরি কাটছে না উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘এর প্রভাব আরও কিছুদিন থাকতে পারে।’
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। যেকোনো অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি এড়াতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগেই নিজ নিজ এয়ারলাইনের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: বিবিসি

যুক্তরাজ্যে আকাশপথে চরম বিশৃঙ্খলা: বাতিল হাজারেরও বেশি ফ্লাইট
সিজেডএন ডেস্ক

বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় আকস্মিক প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের কারণে যুক্তরাজ্যজুড়ে ভয়াবহ ফ্লাইট বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) এ যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে দেশটির বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে এক হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। আকস্মিক এ সিদ্ধান্তে যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ রুটের পাশাপাশি পুরো ইউরোপজুড়ে বিমান চলাচলে ব্যাপক জট ও দীর্ঘ বিলম্বের সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে চরম দুর্ভোগে লাখো যাত্রী।
ফ্লাইট ট্র্যাকিং সংস্থা ‘ফ্লাইটরাডার২৪’-এর তথ্য অনুযায়ী, মূল ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দেওয়ায় মঙ্গলবার এক হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে বিপুলসংখ্যক ফ্লাইটের সূচি ওলটপালট হয়ে যায়। এ বিভ্রাটের সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে লন্ডনের প্রধান চার বিমানবন্দর—হিথ্রো, গ্যাটউইক, স্ট্যানস্টেড ও লন্ডন সিটিতে। এছাড়া ম্যানচেস্টার, বার্মিংহাম এবং স্কটল্যান্ডের অন্তত ১৫টি বিমানবন্দরেও পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল এয়ার ট্রাফিক সার্ভিসেস (NATS) জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে মূল সিস্টেমের ত্রুটি সারিয়ে তোলা সম্ভব হয়েছে। তবে প্রাথমিক সংকট কাটলেও আকাশপথে তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলা ও ফ্লাইট জট স্বাভাবিক করা এয়ারলাইনগুলোর জন্য বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজকে ১০০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল ও নতুন করে পুনর্নির্ধারণ করতে হয়েছে। অন্যদিকে রায়ানএয়ারের ৫০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় প্রায় ৬০ হাজার যাত্রী বিপাকে পড়েছেন। একইভাবে ইজিজেটও বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বাতিলের পাশাপাশি ইউরোপজুড়ে দীর্ঘ বিলম্বের কথা জানিয়েছে।
বিমানবন্দরে আটকে থাকা যাত্রীদের অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত তিক্ত। গ্যাটউইক বিমানবন্দরে এক যাত্রী আয়ারল্যান্ডগামী বিমানে ওঠার পর টানা তিন ঘণ্টা ভেতরেই আটকে থাকেন। শেষ পর্যন্ত তাকে জানানো হয় ফ্লাইটটি বাতিল করা হয়েছে। এ পুরো পরিস্থিতিকে তিনি দুঃস্বপ্নের সঙ্গে তুলনা করেন।
এ বিষয়ে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘এ প্রযুক্তিগত ত্রুটি পুরোপুরি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।’ তবে সংকট এখনই পুরোপুরি কাটছে না উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘এর প্রভাব আরও কিছুদিন থাকতে পারে।’
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। যেকোনো অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি এড়াতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগেই নিজ নিজ এয়ারলাইনের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: বিবিসি

আগ্নেয়গিরির ছাইয়ে ঢেকে গেছে আকাশ, শিডিউল বিপর্যয়ে ৩ শতাধিক ফ্লাইট 







