২০০ বছরের পুরোনো প্রাসাদ কিনলেন জাকারবার্গ

২০০ বছরের পুরোনো প্রাসাদ কিনলেন জাকারবার্গ
সিজেডএন ডেস্ক

প্রযুক্তি বিশ্বের অন্যতম পরিচিত মুখ ও মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ এবং তার স্ত্রী প্রিসিলা চ্যান আয়ারল্যান্ডে প্রায় ২০০ বছরের প্রাচীন একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ কিনেছেন। ডাবলিন শহর থেকে প্রায় ১২৫ মাইল দূরে ব্ল্যাকওয়াটার নদীর মনোরম তীরে অবস্থিত এ স্থাপত্যটির নাম ‘স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেল’। গথিক স্থাপত্যের আদলে ৪৪০ একর জমির ওপর নির্মিত তিনতলা এ প্রাসাদের আয়তন প্রায় ১৬ হাজার বর্গফুট। যদিও এ কেনাবেচার সুনির্দিষ্ট দর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে রিয়েল এস্টেট বিশেষজ্ঞদের মতে সম্পত্তিটির বাজারমূল্য ২ কোটি ৩০ লাখ থেকে ৩ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের মধ্যে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) এর সত্যতা নিশ্চিত করেন ‘জাকারবার্গের মুখপাত্র ব্রায়ান বেকার। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, জাকারবার্গ ও তার পরিবার ঐতিহাসিক বাড়িটির যত্ন নেওয়ার সুযোগ পেয়ে আনন্দিত। আয়ারল্যান্ডে সময় কাটানোর জন্যও তারা আগ্রহী।’ মূলত জাকারবার্গের পরিবার যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বাস করলেও ইউরোপে মেটার আন্তর্জাতিক সদর দপ্তর আয়ারল্যান্ডে হওয়ায় দেশটিতে তাদের নিয়মিত আসা-যাওয়া করতে হয়। আয়ারল্যান্ড সফরের সময় এ দুর্গটিই হবে তাদের মূল আবাসস্থল।
স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেলের ইতিহাস বেশ সুদীর্ঘ ও আকর্ষণীয়। ১৮২৭ থেকে ১৮৩০ সালের মাঝামাঝি সময়ে তৎকালীন ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ জন কেলির জন্য স্থপতি জেমস ও জর্জ রিচার্ড পেইন বেলেপাথর এবং চুনাপাথরের সমন্বয়ে প্রাসাদটির নকশা করেছিলেন। বর্তমানে এটি দেশটির সরকার কর্তৃক তালিকাভুক্ত একটি সংরক্ষিত ঐতিহাসিক স্থাপত্য। ২৫ বছর ধরে অর্থদাতা মাইকেল অ্যালেন-বাকলির পরিবার যত্নসহকারে বিশাল এ প্রাসাদের একাধিকবার সংস্কার ও আধুনিকায়ন করেছে।
প্রাসাদটির নান্দনিক নকশা ও চোখধাঁধানো পরিসরের গল্প উঠে এসেছে ‘দ্য হাউসেস অব আয়ারল্যান্ড’ বইতেও। বইটির লেখক ব্রায়ান ডি ব্রেফনি ও রোজমেরি ফোলিয়ট উল্লেখ করেছেন, প্রাসাদটির পরিধি এতটাই বিস্তৃত যে এর রান্নাঘর থেকে খাবার ঘরের দিকে সাধারণ গতিতে হেঁটে যেতেই অন্তত সাড়ে চার মিনিট সময় লাগে। নিজস্ব ইতিহাস, স্থাপত্যশৈলী এবং সুবিশাল পরিসরের কারণে স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসলকে আয়ারল্যান্ডের অন্যতম মূল্যবান ও মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হয়।

প্রযুক্তি বিশ্বের অন্যতম পরিচিত মুখ ও মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ এবং তার স্ত্রী প্রিসিলা চ্যান আয়ারল্যান্ডে প্রায় ২০০ বছরের প্রাচীন একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ কিনেছেন। ডাবলিন শহর থেকে প্রায় ১২৫ মাইল দূরে ব্ল্যাকওয়াটার নদীর মনোরম তীরে অবস্থিত এ স্থাপত্যটির নাম ‘স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেল’। গথিক স্থাপত্যের আদলে ৪৪০ একর জমির ওপর নির্মিত তিনতলা এ প্রাসাদের আয়তন প্রায় ১৬ হাজার বর্গফুট। যদিও এ কেনাবেচার সুনির্দিষ্ট দর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে রিয়েল এস্টেট বিশেষজ্ঞদের মতে সম্পত্তিটির বাজারমূল্য ২ কোটি ৩০ লাখ থেকে ৩ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের মধ্যে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) এর সত্যতা নিশ্চিত করেন ‘জাকারবার্গের মুখপাত্র ব্রায়ান বেকার। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, জাকারবার্গ ও তার পরিবার ঐতিহাসিক বাড়িটির যত্ন নেওয়ার সুযোগ পেয়ে আনন্দিত। আয়ারল্যান্ডে সময় কাটানোর জন্যও তারা আগ্রহী।’ মূলত জাকারবার্গের পরিবার যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বাস করলেও ইউরোপে মেটার আন্তর্জাতিক সদর দপ্তর আয়ারল্যান্ডে হওয়ায় দেশটিতে তাদের নিয়মিত আসা-যাওয়া করতে হয়। আয়ারল্যান্ড সফরের সময় এ দুর্গটিই হবে তাদের মূল আবাসস্থল।
স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেলের ইতিহাস বেশ সুদীর্ঘ ও আকর্ষণীয়। ১৮২৭ থেকে ১৮৩০ সালের মাঝামাঝি সময়ে তৎকালীন ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ জন কেলির জন্য স্থপতি জেমস ও জর্জ রিচার্ড পেইন বেলেপাথর এবং চুনাপাথরের সমন্বয়ে প্রাসাদটির নকশা করেছিলেন। বর্তমানে এটি দেশটির সরকার কর্তৃক তালিকাভুক্ত একটি সংরক্ষিত ঐতিহাসিক স্থাপত্য। ২৫ বছর ধরে অর্থদাতা মাইকেল অ্যালেন-বাকলির পরিবার যত্নসহকারে বিশাল এ প্রাসাদের একাধিকবার সংস্কার ও আধুনিকায়ন করেছে।
প্রাসাদটির নান্দনিক নকশা ও চোখধাঁধানো পরিসরের গল্প উঠে এসেছে ‘দ্য হাউসেস অব আয়ারল্যান্ড’ বইতেও। বইটির লেখক ব্রায়ান ডি ব্রেফনি ও রোজমেরি ফোলিয়ট উল্লেখ করেছেন, প্রাসাদটির পরিধি এতটাই বিস্তৃত যে এর রান্নাঘর থেকে খাবার ঘরের দিকে সাধারণ গতিতে হেঁটে যেতেই অন্তত সাড়ে চার মিনিট সময় লাগে। নিজস্ব ইতিহাস, স্থাপত্যশৈলী এবং সুবিশাল পরিসরের কারণে স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসলকে আয়ারল্যান্ডের অন্যতম মূল্যবান ও মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হয়।

২০০ বছরের পুরোনো প্রাসাদ কিনলেন জাকারবার্গ
সিজেডএন ডেস্ক

প্রযুক্তি বিশ্বের অন্যতম পরিচিত মুখ ও মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ এবং তার স্ত্রী প্রিসিলা চ্যান আয়ারল্যান্ডে প্রায় ২০০ বছরের প্রাচীন একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ কিনেছেন। ডাবলিন শহর থেকে প্রায় ১২৫ মাইল দূরে ব্ল্যাকওয়াটার নদীর মনোরম তীরে অবস্থিত এ স্থাপত্যটির নাম ‘স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেল’। গথিক স্থাপত্যের আদলে ৪৪০ একর জমির ওপর নির্মিত তিনতলা এ প্রাসাদের আয়তন প্রায় ১৬ হাজার বর্গফুট। যদিও এ কেনাবেচার সুনির্দিষ্ট দর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে রিয়েল এস্টেট বিশেষজ্ঞদের মতে সম্পত্তিটির বাজারমূল্য ২ কোটি ৩০ লাখ থেকে ৩ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের মধ্যে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) এর সত্যতা নিশ্চিত করেন ‘জাকারবার্গের মুখপাত্র ব্রায়ান বেকার। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, জাকারবার্গ ও তার পরিবার ঐতিহাসিক বাড়িটির যত্ন নেওয়ার সুযোগ পেয়ে আনন্দিত। আয়ারল্যান্ডে সময় কাটানোর জন্যও তারা আগ্রহী।’ মূলত জাকারবার্গের পরিবার যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বাস করলেও ইউরোপে মেটার আন্তর্জাতিক সদর দপ্তর আয়ারল্যান্ডে হওয়ায় দেশটিতে তাদের নিয়মিত আসা-যাওয়া করতে হয়। আয়ারল্যান্ড সফরের সময় এ দুর্গটিই হবে তাদের মূল আবাসস্থল।
স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেলের ইতিহাস বেশ সুদীর্ঘ ও আকর্ষণীয়। ১৮২৭ থেকে ১৮৩০ সালের মাঝামাঝি সময়ে তৎকালীন ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ জন কেলির জন্য স্থপতি জেমস ও জর্জ রিচার্ড পেইন বেলেপাথর এবং চুনাপাথরের সমন্বয়ে প্রাসাদটির নকশা করেছিলেন। বর্তমানে এটি দেশটির সরকার কর্তৃক তালিকাভুক্ত একটি সংরক্ষিত ঐতিহাসিক স্থাপত্য। ২৫ বছর ধরে অর্থদাতা মাইকেল অ্যালেন-বাকলির পরিবার যত্নসহকারে বিশাল এ প্রাসাদের একাধিকবার সংস্কার ও আধুনিকায়ন করেছে।
প্রাসাদটির নান্দনিক নকশা ও চোখধাঁধানো পরিসরের গল্প উঠে এসেছে ‘দ্য হাউসেস অব আয়ারল্যান্ড’ বইতেও। বইটির লেখক ব্রায়ান ডি ব্রেফনি ও রোজমেরি ফোলিয়ট উল্লেখ করেছেন, প্রাসাদটির পরিধি এতটাই বিস্তৃত যে এর রান্নাঘর থেকে খাবার ঘরের দিকে সাধারণ গতিতে হেঁটে যেতেই অন্তত সাড়ে চার মিনিট সময় লাগে। নিজস্ব ইতিহাস, স্থাপত্যশৈলী এবং সুবিশাল পরিসরের কারণে স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসলকে আয়ারল্যান্ডের অন্যতম মূল্যবান ও মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হয়।

১০ বছর কারাদণ্ডের মুখে ভারতীয় ক্যাপ্টেন







