গণপূর্ত প্রকৌশলীদের ৩ পদে গ্রেড পেতে আর বাধা রইলো না

গণপূর্ত প্রকৌশলীদের ৩ পদে গ্রেড পেতে আর বাধা রইলো না
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিসিএস (গণপূর্ত) ক্যাডারের প্রধান প্রকৌশলী গ্রেড-১, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পদ গ্রেড-২ ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর পদ গ্রেড-৩ এ উন্নীত হচ্ছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে ইতিবাচক মতামত দিয়েছে।
বিসিএস (গণপূর্ত) ক্যাডারের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পদ গ্রেড-২ ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর পদ গ্রেড-৩ এ উন্নীত করার জন্য গণপূর্তের সেই সময়ের প্রধান প্রকৌশলী মো. কবির আহমেদ ভূঁইয়া হাইকোর্ট বিভাগে ২০১২ সালে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেছিলেন। সেই রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়েছিলেন।
হাইকোর্টের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সরকারপক্ষে আপিল বিভাগে সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল করা হয়। কিন্তু আপিল বিভাগ সেই আপিল খারিজ করে দেয়। এরপর সরকারপক্ষে আপিল বিভাগে সিভিল রিভিউ পিটিশন দায়ের করে। এটাও খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।
২০২২ সালে সরকারপক্ষে সিভিল রিভিউ পিটিশন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর গৃহায়ন ও ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পদ গ্রেড-২ ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর পদ গ্রেড-৩ এ উন্নীত করার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই চিঠির প্রেক্ষিতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে অর্থ বিভাগের সম্মতি নিতে বলে। একই সঙ্গে ৬টি শর্তসাপেক্ষে ওই দুটি পদকে ওপরের গ্রেডে উন্নীত করতে সম্মতি দেয়।
অর্থ বিভাগ আবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে তাদের কাছে আইনি মতামত চায়। আইন মন্ত্রণালয়ের সেই মতামত আসে আবেদনকারীদের পক্ষেই।
গণপূর্তের একাধিক প্রকৌশলী জানিয়েছেন, সাবেক পূর্ত সচিব নজরুল ইসলাম ও হামিদুর রহমান বিষয়টি জটিল না করলে পূর্ত প্রকৌশলীদের গ্রেড পাওয়ার বিষয়টি আগেই সুরাহা হওয়া সম্ভব ছিল।

বিসিএস (গণপূর্ত) ক্যাডারের প্রধান প্রকৌশলী গ্রেড-১, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পদ গ্রেড-২ ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর পদ গ্রেড-৩ এ উন্নীত হচ্ছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে ইতিবাচক মতামত দিয়েছে।
বিসিএস (গণপূর্ত) ক্যাডারের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পদ গ্রেড-২ ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর পদ গ্রেড-৩ এ উন্নীত করার জন্য গণপূর্তের সেই সময়ের প্রধান প্রকৌশলী মো. কবির আহমেদ ভূঁইয়া হাইকোর্ট বিভাগে ২০১২ সালে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেছিলেন। সেই রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়েছিলেন।
হাইকোর্টের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সরকারপক্ষে আপিল বিভাগে সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল করা হয়। কিন্তু আপিল বিভাগ সেই আপিল খারিজ করে দেয়। এরপর সরকারপক্ষে আপিল বিভাগে সিভিল রিভিউ পিটিশন দায়ের করে। এটাও খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।
২০২২ সালে সরকারপক্ষে সিভিল রিভিউ পিটিশন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর গৃহায়ন ও ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পদ গ্রেড-২ ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর পদ গ্রেড-৩ এ উন্নীত করার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই চিঠির প্রেক্ষিতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে অর্থ বিভাগের সম্মতি নিতে বলে। একই সঙ্গে ৬টি শর্তসাপেক্ষে ওই দুটি পদকে ওপরের গ্রেডে উন্নীত করতে সম্মতি দেয়।
অর্থ বিভাগ আবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে তাদের কাছে আইনি মতামত চায়। আইন মন্ত্রণালয়ের সেই মতামত আসে আবেদনকারীদের পক্ষেই।
গণপূর্তের একাধিক প্রকৌশলী জানিয়েছেন, সাবেক পূর্ত সচিব নজরুল ইসলাম ও হামিদুর রহমান বিষয়টি জটিল না করলে পূর্ত প্রকৌশলীদের গ্রেড পাওয়ার বিষয়টি আগেই সুরাহা হওয়া সম্ভব ছিল।

গণপূর্ত প্রকৌশলীদের ৩ পদে গ্রেড পেতে আর বাধা রইলো না
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিসিএস (গণপূর্ত) ক্যাডারের প্রধান প্রকৌশলী গ্রেড-১, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পদ গ্রেড-২ ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর পদ গ্রেড-৩ এ উন্নীত হচ্ছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে ইতিবাচক মতামত দিয়েছে।
বিসিএস (গণপূর্ত) ক্যাডারের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পদ গ্রেড-২ ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর পদ গ্রেড-৩ এ উন্নীত করার জন্য গণপূর্তের সেই সময়ের প্রধান প্রকৌশলী মো. কবির আহমেদ ভূঁইয়া হাইকোর্ট বিভাগে ২০১২ সালে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেছিলেন। সেই রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়েছিলেন।
হাইকোর্টের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সরকারপক্ষে আপিল বিভাগে সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল করা হয়। কিন্তু আপিল বিভাগ সেই আপিল খারিজ করে দেয়। এরপর সরকারপক্ষে আপিল বিভাগে সিভিল রিভিউ পিটিশন দায়ের করে। এটাও খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।
২০২২ সালে সরকারপক্ষে সিভিল রিভিউ পিটিশন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর গৃহায়ন ও ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পদ গ্রেড-২ ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর পদ গ্রেড-৩ এ উন্নীত করার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই চিঠির প্রেক্ষিতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে অর্থ বিভাগের সম্মতি নিতে বলে। একই সঙ্গে ৬টি শর্তসাপেক্ষে ওই দুটি পদকে ওপরের গ্রেডে উন্নীত করতে সম্মতি দেয়।
অর্থ বিভাগ আবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে তাদের কাছে আইনি মতামত চায়। আইন মন্ত্রণালয়ের সেই মতামত আসে আবেদনকারীদের পক্ষেই।
গণপূর্তের একাধিক প্রকৌশলী জানিয়েছেন, সাবেক পূর্ত সচিব নজরুল ইসলাম ও হামিদুর রহমান বিষয়টি জটিল না করলে পূর্ত প্রকৌশলীদের গ্রেড পাওয়ার বিষয়টি আগেই সুরাহা হওয়া সম্ভব ছিল।








