যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে সব বোমারু বিমান সরিয়ে নিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে সব বোমারু বিমান সরিয়ে নিলো যুক্তরাষ্ট্র
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি আরএএফ ফেয়ারফোর্ড থেকে সব বোমারু বিমান সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ঘাঁটিটির চারপাশে কয়েকটি সন্দেহজনক ঘটনা এবং তার জের ধরে সন্ত্রাসদমন পুলিশের তদন্তের মধ্যেই ওয়াশিংটন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত নিলো। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা জানান, ফেয়ারফোর্ডে মোতায়েন থাকা বি-১ বোমারু বিমানগুলো যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিমান ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটগুলোতেও ওই দিন ঘাঁটিটি থেকে অন্তত এক ডজন বি-১ বোমারু বিমানকে আকাশে উড়তে দেখা যায়। যদিও বিমান প্রত্যাহারের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি যুক্তরাষ্ট্র। তবে ২৭ সেপ্টেম্বর ঘাঁটির কাছে তিনটি সন্দেহজনক যানবাহনের উপস্থিতি টের পাওয়ার পরেই এ খবর সামনে এলো । হোয়াইটহলের সূত্রগুলোও দুই ঘটনার মধ্যে সংযোগের বিষয়টি উড়িয়ে দেয়নি। তবে এটি কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয় বরং অপারেশনাল প্রয়োজনে মার্কিন সামরিক বাহিনীর নেওয়া একটি পদক্ষেপ।
পুরো ঘটনার সূত্রপাত সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে। গ্লাসেস্টারশায়ারের ঘাঁটিটির দিকে সন্দেহজনক কয়েকটি গাড়ি এগিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে ভোররাতে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে ২৩ থেকে ২৫ বছর বয়সী পাঁচ যুবককে আটক করা হয়। তারা সবাই লন্ডনের বাসিন্দা ও যুক্তরাজ্যের নাগরিক। শুরুতে বিস্ফোরক এবং পরবর্তীতে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রস্তুতির সন্দেহে তাদের গ্রেপ্তার করা হলেও শেষ পর্যন্ত জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।
পুলিশ এ পদক্ষেপকে ‘অভিজ্ঞতা ও কৌশলের ভিত্তিতে নেওয়া তদন্তগত সিদ্ধান্ত’ বলে অভিহিত করে। ঘটনার কদিন পর বৃহস্পতিবার লন্ডন থেকে ২৫ বছর বয়সী ষষ্ঠ আরেক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়, যিনি যুক্তরাজ্য ও ইরানের দ্বৈত নাগরিক। শনিবার তাকেও জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।
গ্রেপ্তার ও জামিনের ঘটনা ঘিরে ইতোমধ্যেই কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বলেছেন, এ ঘটনার পেছনে ইরানের সম্পৃক্ততার ‘জোরালো ইঙ্গিত’ রয়েছে। তবে ঘটনার বিস্তারিত জানাননি তিনি। অন্যদিকে তেহরান এ অভিযোগ শুরু থেকেই ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ মহল থেকেও বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া এসেছে। ষষ্ঠ ব্যক্তি গ্রেপ্তারের আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, ঘটনাটিতে ‘স্পষ্টতই একটি বিদেশি শক্তির হাত রয়েছে’। তবে সম্প্রচারের সীমাবদ্ধতার কারণে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রেপ্তারকৃতদের জামিনে মুক্তি দেওয়ার ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, পাঁচজনকে জামিনে ছেড়ে দেওয়ায় তিনি ‘বিস্মিত’। একই সঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘ আমরা তাদের সম্পর্কে সবকিছু জানি, আমরা তাদের ছাড়তাম না।’ পাশাপাশি এ তদন্তে যুক্তরাজ্য আমেরিকার সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, কয়েক দশক ধরে আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিটি মার্কিন বিমানবাহিনীর অন্যতম প্রধান অপারেশনাল কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মুখে ইরানে আত্মরক্ষামূলক হামলার সুবিধার্থে যুক্তরাজ্য সরকার মার্কিন অনুরোধে সাড়া দিয়ে ঘাঁটিটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। এরপর থেকেই সেখান থেকে বি-১ ও বি-৫২ বোমারু বিমান উড্ডয়ন করছিল। তবে জুলাইয়ে ইরান কঠোর বার্তা দিয়েছিল, তাদের ভূখণ্ডের বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযানে ব্যবহৃত সব ঘাঁটিই ইরানি বাহিনীর কাছে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচিত হবে।
সূত্র: বিবিসি

যুক্তরাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি আরএএফ ফেয়ারফোর্ড থেকে সব বোমারু বিমান সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ঘাঁটিটির চারপাশে কয়েকটি সন্দেহজনক ঘটনা এবং তার জের ধরে সন্ত্রাসদমন পুলিশের তদন্তের মধ্যেই ওয়াশিংটন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত নিলো। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা জানান, ফেয়ারফোর্ডে মোতায়েন থাকা বি-১ বোমারু বিমানগুলো যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিমান ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটগুলোতেও ওই দিন ঘাঁটিটি থেকে অন্তত এক ডজন বি-১ বোমারু বিমানকে আকাশে উড়তে দেখা যায়। যদিও বিমান প্রত্যাহারের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি যুক্তরাষ্ট্র। তবে ২৭ সেপ্টেম্বর ঘাঁটির কাছে তিনটি সন্দেহজনক যানবাহনের উপস্থিতি টের পাওয়ার পরেই এ খবর সামনে এলো । হোয়াইটহলের সূত্রগুলোও দুই ঘটনার মধ্যে সংযোগের বিষয়টি উড়িয়ে দেয়নি। তবে এটি কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয় বরং অপারেশনাল প্রয়োজনে মার্কিন সামরিক বাহিনীর নেওয়া একটি পদক্ষেপ।
পুরো ঘটনার সূত্রপাত সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে। গ্লাসেস্টারশায়ারের ঘাঁটিটির দিকে সন্দেহজনক কয়েকটি গাড়ি এগিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে ভোররাতে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে ২৩ থেকে ২৫ বছর বয়সী পাঁচ যুবককে আটক করা হয়। তারা সবাই লন্ডনের বাসিন্দা ও যুক্তরাজ্যের নাগরিক। শুরুতে বিস্ফোরক এবং পরবর্তীতে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রস্তুতির সন্দেহে তাদের গ্রেপ্তার করা হলেও শেষ পর্যন্ত জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।
পুলিশ এ পদক্ষেপকে ‘অভিজ্ঞতা ও কৌশলের ভিত্তিতে নেওয়া তদন্তগত সিদ্ধান্ত’ বলে অভিহিত করে। ঘটনার কদিন পর বৃহস্পতিবার লন্ডন থেকে ২৫ বছর বয়সী ষষ্ঠ আরেক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়, যিনি যুক্তরাজ্য ও ইরানের দ্বৈত নাগরিক। শনিবার তাকেও জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।
গ্রেপ্তার ও জামিনের ঘটনা ঘিরে ইতোমধ্যেই কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বলেছেন, এ ঘটনার পেছনে ইরানের সম্পৃক্ততার ‘জোরালো ইঙ্গিত’ রয়েছে। তবে ঘটনার বিস্তারিত জানাননি তিনি। অন্যদিকে তেহরান এ অভিযোগ শুরু থেকেই ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ মহল থেকেও বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া এসেছে। ষষ্ঠ ব্যক্তি গ্রেপ্তারের আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, ঘটনাটিতে ‘স্পষ্টতই একটি বিদেশি শক্তির হাত রয়েছে’। তবে সম্প্রচারের সীমাবদ্ধতার কারণে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রেপ্তারকৃতদের জামিনে মুক্তি দেওয়ার ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, পাঁচজনকে জামিনে ছেড়ে দেওয়ায় তিনি ‘বিস্মিত’। একই সঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘ আমরা তাদের সম্পর্কে সবকিছু জানি, আমরা তাদের ছাড়তাম না।’ পাশাপাশি এ তদন্তে যুক্তরাজ্য আমেরিকার সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, কয়েক দশক ধরে আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিটি মার্কিন বিমানবাহিনীর অন্যতম প্রধান অপারেশনাল কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মুখে ইরানে আত্মরক্ষামূলক হামলার সুবিধার্থে যুক্তরাজ্য সরকার মার্কিন অনুরোধে সাড়া দিয়ে ঘাঁটিটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। এরপর থেকেই সেখান থেকে বি-১ ও বি-৫২ বোমারু বিমান উড্ডয়ন করছিল। তবে জুলাইয়ে ইরান কঠোর বার্তা দিয়েছিল, তাদের ভূখণ্ডের বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযানে ব্যবহৃত সব ঘাঁটিই ইরানি বাহিনীর কাছে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচিত হবে।
সূত্র: বিবিসি

যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে সব বোমারু বিমান সরিয়ে নিলো যুক্তরাষ্ট্র
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি আরএএফ ফেয়ারফোর্ড থেকে সব বোমারু বিমান সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ঘাঁটিটির চারপাশে কয়েকটি সন্দেহজনক ঘটনা এবং তার জের ধরে সন্ত্রাসদমন পুলিশের তদন্তের মধ্যেই ওয়াশিংটন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত নিলো। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা জানান, ফেয়ারফোর্ডে মোতায়েন থাকা বি-১ বোমারু বিমানগুলো যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিমান ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটগুলোতেও ওই দিন ঘাঁটিটি থেকে অন্তত এক ডজন বি-১ বোমারু বিমানকে আকাশে উড়তে দেখা যায়। যদিও বিমান প্রত্যাহারের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি যুক্তরাষ্ট্র। তবে ২৭ সেপ্টেম্বর ঘাঁটির কাছে তিনটি সন্দেহজনক যানবাহনের উপস্থিতি টের পাওয়ার পরেই এ খবর সামনে এলো । হোয়াইটহলের সূত্রগুলোও দুই ঘটনার মধ্যে সংযোগের বিষয়টি উড়িয়ে দেয়নি। তবে এটি কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয় বরং অপারেশনাল প্রয়োজনে মার্কিন সামরিক বাহিনীর নেওয়া একটি পদক্ষেপ।
পুরো ঘটনার সূত্রপাত সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে। গ্লাসেস্টারশায়ারের ঘাঁটিটির দিকে সন্দেহজনক কয়েকটি গাড়ি এগিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে ভোররাতে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে ২৩ থেকে ২৫ বছর বয়সী পাঁচ যুবককে আটক করা হয়। তারা সবাই লন্ডনের বাসিন্দা ও যুক্তরাজ্যের নাগরিক। শুরুতে বিস্ফোরক এবং পরবর্তীতে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রস্তুতির সন্দেহে তাদের গ্রেপ্তার করা হলেও শেষ পর্যন্ত জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।
পুলিশ এ পদক্ষেপকে ‘অভিজ্ঞতা ও কৌশলের ভিত্তিতে নেওয়া তদন্তগত সিদ্ধান্ত’ বলে অভিহিত করে। ঘটনার কদিন পর বৃহস্পতিবার লন্ডন থেকে ২৫ বছর বয়সী ষষ্ঠ আরেক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়, যিনি যুক্তরাজ্য ও ইরানের দ্বৈত নাগরিক। শনিবার তাকেও জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।
গ্রেপ্তার ও জামিনের ঘটনা ঘিরে ইতোমধ্যেই কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বলেছেন, এ ঘটনার পেছনে ইরানের সম্পৃক্ততার ‘জোরালো ইঙ্গিত’ রয়েছে। তবে ঘটনার বিস্তারিত জানাননি তিনি। অন্যদিকে তেহরান এ অভিযোগ শুরু থেকেই ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ মহল থেকেও বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া এসেছে। ষষ্ঠ ব্যক্তি গ্রেপ্তারের আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, ঘটনাটিতে ‘স্পষ্টতই একটি বিদেশি শক্তির হাত রয়েছে’। তবে সম্প্রচারের সীমাবদ্ধতার কারণে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রেপ্তারকৃতদের জামিনে মুক্তি দেওয়ার ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, পাঁচজনকে জামিনে ছেড়ে দেওয়ায় তিনি ‘বিস্মিত’। একই সঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘ আমরা তাদের সম্পর্কে সবকিছু জানি, আমরা তাদের ছাড়তাম না।’ পাশাপাশি এ তদন্তে যুক্তরাজ্য আমেরিকার সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, কয়েক দশক ধরে আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিটি মার্কিন বিমানবাহিনীর অন্যতম প্রধান অপারেশনাল কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মুখে ইরানে আত্মরক্ষামূলক হামলার সুবিধার্থে যুক্তরাজ্য সরকার মার্কিন অনুরোধে সাড়া দিয়ে ঘাঁটিটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। এরপর থেকেই সেখান থেকে বি-১ ও বি-৫২ বোমারু বিমান উড্ডয়ন করছিল। তবে জুলাইয়ে ইরান কঠোর বার্তা দিয়েছিল, তাদের ভূখণ্ডের বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযানে ব্যবহৃত সব ঘাঁটিই ইরানি বাহিনীর কাছে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচিত হবে।
সূত্র: বিবিসি

যুক্তরাজ্যে মার্কিন বিমানঘাঁটির কাছে বিস্ফোরকসহ গ্রেপ্তার ৫







