পাকিস্তানে ২০০ বছরের পুরোনো রামলীলা মন্দির বন্ধ ঘোষণা

পাকিস্তানে ২০০ বছরের পুরোনো রামলীলা মন্দির বন্ধ ঘোষণা
সিজেডএন ডেস্ক

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের ডেরা ইসমাইল খান শহরের রহিম বাজারে অবস্থিত প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো ‘রামলীলা মন্দির’ বন্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। একটি বাণিজ্যিক ভবন তৈরি করার উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক মন্দিরটি ভেঙে ফেলার চেষ্টা করা হলে হিন্দু সম্প্রদায় ও স্থানীয় সুশীল সমাজের তীব্র প্রতিবাদের মুখে তা বন্ধ হয়ে যায়। এরপরই মন্দিরটি হেফাজতে নেয় সরকার।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) স্থানীয় প্রশাসন সরকারিভাবে ঐতিহ্যবাহী মন্দিরটি নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং পরবর্তীতে এটি ইভাকুই ট্রাস্ট প্রপার্টি বোর্ড (ইটিপিবি)-র তত্ত্বাবধানে সিলগালা করা হয়। পাকিস্তানে সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে চলমান উদ্বেগের মধ্যেই নতুন এ বিতর্ক সামনে এল।
ডেরা সিভিল সোসাইটি ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সোহেল আহমেদ আজমী বলেন, মন্দির ভবনটি ভাঙার চেষ্টা করছে খবর পেয়েই তিনি সাধারণ বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। এর পরপরই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা একসঙ্গে মিলে মন্দিরটি ভাঙতে বিরোধিতা করেন। ওই সম্পত্তির সঠিক মালিকানা এবং কোনো ধরণের বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের বৈধতা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্তের দাবি তুলেছেন তারা।
পাকিস্তানের ইটিপিবি ডেরা ইসমাইল খানের ৪০০টি ভবনকে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে। রামলীলা মন্দিরটি তার মধ্যে অন্যতম। ইটিপিবি হলো পাকিস্তান সরকারের একটি প্রশাসনিক সংস্থা যেটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময় ভারতে চলে যাওয়া মানুষদের ফেলে যাওয়া সম্পত্তি এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ট্রাস্টের অধীনে থাকা ধর্মীয় উপাসনালয়গুলো পরিচালনা করে।
অল পাকিস্তান হিন্দু রাইটস মুভমেন্টের চেয়ারম্যান হারুন সারাব ডায়াল বলেন, প্রদেশে গভর্নরের শাসন চলাকালে হিন্দুদের ধর্মীয় স্থানগুলো বিশেষ সুরক্ষা পাবে। একইসঙ্গে ২০১৩ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে অবৈধভাবে দখল কিংবা বিক্রি হয়ে যাওয়া ধর্মীয় সম্পত্তিগুলোর বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।
এলাকার সাধারণ বাসিন্দা ও ঐতিহ্যপ্রেমী কর্মীরা এই রামলীলা মন্দিরকে ডেরা ইসমাইল খানের ইতিহাস ও সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ মনে করেন। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা জানান, এর আগেও ও স্থানে বাণিজ্যিক ভবন বানানোর চেষ্টা করা হয়েছিল, তবে বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের তীব্র বাধার মুখে তা ভেস্তে যায়। ডেরা ইসমাইল খান ও তার আশপাশের অঞ্চলে সপ্তম থেকে একাদশ শতাব্দীর শুরুর দিকের বিলোট শরীফের মন্দির চত্বরসহ বেশ কিছু ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থা ‘হিউম্যান রাইটস কমিশন অব পাকিস্তান’ (এইচআরসিপি) ইটিপিবি-র কাজকর্মে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনার তাগিদ দিয়েছে। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে সংস্থাটি সংস্কারের সুপারিশ করেছে তারা।
সূত্র: ডন

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের ডেরা ইসমাইল খান শহরের রহিম বাজারে অবস্থিত প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো ‘রামলীলা মন্দির’ বন্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। একটি বাণিজ্যিক ভবন তৈরি করার উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক মন্দিরটি ভেঙে ফেলার চেষ্টা করা হলে হিন্দু সম্প্রদায় ও স্থানীয় সুশীল সমাজের তীব্র প্রতিবাদের মুখে তা বন্ধ হয়ে যায়। এরপরই মন্দিরটি হেফাজতে নেয় সরকার।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) স্থানীয় প্রশাসন সরকারিভাবে ঐতিহ্যবাহী মন্দিরটি নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং পরবর্তীতে এটি ইভাকুই ট্রাস্ট প্রপার্টি বোর্ড (ইটিপিবি)-র তত্ত্বাবধানে সিলগালা করা হয়। পাকিস্তানে সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে চলমান উদ্বেগের মধ্যেই নতুন এ বিতর্ক সামনে এল।
ডেরা সিভিল সোসাইটি ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সোহেল আহমেদ আজমী বলেন, মন্দির ভবনটি ভাঙার চেষ্টা করছে খবর পেয়েই তিনি সাধারণ বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। এর পরপরই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা একসঙ্গে মিলে মন্দিরটি ভাঙতে বিরোধিতা করেন। ওই সম্পত্তির সঠিক মালিকানা এবং কোনো ধরণের বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের বৈধতা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্তের দাবি তুলেছেন তারা।
পাকিস্তানের ইটিপিবি ডেরা ইসমাইল খানের ৪০০টি ভবনকে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে। রামলীলা মন্দিরটি তার মধ্যে অন্যতম। ইটিপিবি হলো পাকিস্তান সরকারের একটি প্রশাসনিক সংস্থা যেটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময় ভারতে চলে যাওয়া মানুষদের ফেলে যাওয়া সম্পত্তি এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ট্রাস্টের অধীনে থাকা ধর্মীয় উপাসনালয়গুলো পরিচালনা করে।
অল পাকিস্তান হিন্দু রাইটস মুভমেন্টের চেয়ারম্যান হারুন সারাব ডায়াল বলেন, প্রদেশে গভর্নরের শাসন চলাকালে হিন্দুদের ধর্মীয় স্থানগুলো বিশেষ সুরক্ষা পাবে। একইসঙ্গে ২০১৩ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে অবৈধভাবে দখল কিংবা বিক্রি হয়ে যাওয়া ধর্মীয় সম্পত্তিগুলোর বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।
এলাকার সাধারণ বাসিন্দা ও ঐতিহ্যপ্রেমী কর্মীরা এই রামলীলা মন্দিরকে ডেরা ইসমাইল খানের ইতিহাস ও সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ মনে করেন। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা জানান, এর আগেও ও স্থানে বাণিজ্যিক ভবন বানানোর চেষ্টা করা হয়েছিল, তবে বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের তীব্র বাধার মুখে তা ভেস্তে যায়। ডেরা ইসমাইল খান ও তার আশপাশের অঞ্চলে সপ্তম থেকে একাদশ শতাব্দীর শুরুর দিকের বিলোট শরীফের মন্দির চত্বরসহ বেশ কিছু ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থা ‘হিউম্যান রাইটস কমিশন অব পাকিস্তান’ (এইচআরসিপি) ইটিপিবি-র কাজকর্মে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনার তাগিদ দিয়েছে। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে সংস্থাটি সংস্কারের সুপারিশ করেছে তারা।
সূত্র: ডন

পাকিস্তানে ২০০ বছরের পুরোনো রামলীলা মন্দির বন্ধ ঘোষণা
সিজেডএন ডেস্ক

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের ডেরা ইসমাইল খান শহরের রহিম বাজারে অবস্থিত প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো ‘রামলীলা মন্দির’ বন্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। একটি বাণিজ্যিক ভবন তৈরি করার উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক মন্দিরটি ভেঙে ফেলার চেষ্টা করা হলে হিন্দু সম্প্রদায় ও স্থানীয় সুশীল সমাজের তীব্র প্রতিবাদের মুখে তা বন্ধ হয়ে যায়। এরপরই মন্দিরটি হেফাজতে নেয় সরকার।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) স্থানীয় প্রশাসন সরকারিভাবে ঐতিহ্যবাহী মন্দিরটি নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং পরবর্তীতে এটি ইভাকুই ট্রাস্ট প্রপার্টি বোর্ড (ইটিপিবি)-র তত্ত্বাবধানে সিলগালা করা হয়। পাকিস্তানে সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে চলমান উদ্বেগের মধ্যেই নতুন এ বিতর্ক সামনে এল।
ডেরা সিভিল সোসাইটি ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সোহেল আহমেদ আজমী বলেন, মন্দির ভবনটি ভাঙার চেষ্টা করছে খবর পেয়েই তিনি সাধারণ বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। এর পরপরই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা একসঙ্গে মিলে মন্দিরটি ভাঙতে বিরোধিতা করেন। ওই সম্পত্তির সঠিক মালিকানা এবং কোনো ধরণের বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের বৈধতা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্তের দাবি তুলেছেন তারা।
পাকিস্তানের ইটিপিবি ডেরা ইসমাইল খানের ৪০০টি ভবনকে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে। রামলীলা মন্দিরটি তার মধ্যে অন্যতম। ইটিপিবি হলো পাকিস্তান সরকারের একটি প্রশাসনিক সংস্থা যেটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময় ভারতে চলে যাওয়া মানুষদের ফেলে যাওয়া সম্পত্তি এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ট্রাস্টের অধীনে থাকা ধর্মীয় উপাসনালয়গুলো পরিচালনা করে।
অল পাকিস্তান হিন্দু রাইটস মুভমেন্টের চেয়ারম্যান হারুন সারাব ডায়াল বলেন, প্রদেশে গভর্নরের শাসন চলাকালে হিন্দুদের ধর্মীয় স্থানগুলো বিশেষ সুরক্ষা পাবে। একইসঙ্গে ২০১৩ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে অবৈধভাবে দখল কিংবা বিক্রি হয়ে যাওয়া ধর্মীয় সম্পত্তিগুলোর বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।
এলাকার সাধারণ বাসিন্দা ও ঐতিহ্যপ্রেমী কর্মীরা এই রামলীলা মন্দিরকে ডেরা ইসমাইল খানের ইতিহাস ও সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ মনে করেন। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা জানান, এর আগেও ও স্থানে বাণিজ্যিক ভবন বানানোর চেষ্টা করা হয়েছিল, তবে বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের তীব্র বাধার মুখে তা ভেস্তে যায়। ডেরা ইসমাইল খান ও তার আশপাশের অঞ্চলে সপ্তম থেকে একাদশ শতাব্দীর শুরুর দিকের বিলোট শরীফের মন্দির চত্বরসহ বেশ কিছু ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থা ‘হিউম্যান রাইটস কমিশন অব পাকিস্তান’ (এইচআরসিপি) ইটিপিবি-র কাজকর্মে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনার তাগিদ দিয়েছে। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে সংস্থাটি সংস্কারের সুপারিশ করেছে তারা।
সূত্র: ডন

পাকিস্তানে প্রাপ্তবয়স্কদের এক-তৃতীয়াংশই মানসিক সমস্যায় ভুগছেন







