পাকিস্তানের অনুরোধে ইরানি দুই নেতার নাম ‘হিটলিস্ট’ থেকে সরালো ইসরায়েল

পাকিস্তানের অনুরোধে ইরানি দুই নেতার নাম ‘হিটলিস্ট’ থেকে সরালো ইসরায়েল
সিটিজেন ডেস্ক

পাকিস্তানের অনুরোধে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফের নাম কথিত ‘হিটলিস্ট’ থেকে বাদ দিয়েছে ইসরায়েল। পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের বরাতে এমন তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এক পাকিস্তানি কর্মকর্তা বলেন, ইসরায়েল যে ইরানি কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছিল, সেখানে এই দুই নেতার নামও ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে ইসরায়েলকে বোঝানো হয়, তাদের হত্যা করা হলে কূটনৈতিক সংলাপের সুযোগ নষ্ট হবে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তাদের নাম তালিকা থেকে সরানো হয়।
এ ঘটনা এমন সময়ে সামনে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ শুরু করেছে পাকিস্তান।
এর আগে ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে কয়েক দফা সংলাপ হলেও তা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে।
সংঘাতে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় ইরানে বহু সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রাণহানিও বেড়েছে। ইরানও পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে, লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলো।
এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে যুদ্ধবিরতির চেষ্টা চলছে। যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানে ১৫টি পয়েন্ট বিশিষ্ট একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে।
পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে মুখ্য ভূমিকায় আছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বিভাগ ও সেনাপ্রধান ফিল্ডমার্শাল আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। গোপন চ্যানেলের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন ফিল্ড মার্শাল মুনির এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করছেন শেহবাজ শরিফ।

পাকিস্তানের অনুরোধে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফের নাম কথিত ‘হিটলিস্ট’ থেকে বাদ দিয়েছে ইসরায়েল। পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের বরাতে এমন তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এক পাকিস্তানি কর্মকর্তা বলেন, ইসরায়েল যে ইরানি কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছিল, সেখানে এই দুই নেতার নামও ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে ইসরায়েলকে বোঝানো হয়, তাদের হত্যা করা হলে কূটনৈতিক সংলাপের সুযোগ নষ্ট হবে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তাদের নাম তালিকা থেকে সরানো হয়।
এ ঘটনা এমন সময়ে সামনে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ শুরু করেছে পাকিস্তান।
এর আগে ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে কয়েক দফা সংলাপ হলেও তা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে।
সংঘাতে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় ইরানে বহু সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রাণহানিও বেড়েছে। ইরানও পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে, লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলো।
এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে যুদ্ধবিরতির চেষ্টা চলছে। যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানে ১৫টি পয়েন্ট বিশিষ্ট একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে।
পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে মুখ্য ভূমিকায় আছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বিভাগ ও সেনাপ্রধান ফিল্ডমার্শাল আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। গোপন চ্যানেলের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন ফিল্ড মার্শাল মুনির এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করছেন শেহবাজ শরিফ।

পাকিস্তানের অনুরোধে ইরানি দুই নেতার নাম ‘হিটলিস্ট’ থেকে সরালো ইসরায়েল
সিটিজেন ডেস্ক

পাকিস্তানের অনুরোধে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফের নাম কথিত ‘হিটলিস্ট’ থেকে বাদ দিয়েছে ইসরায়েল। পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের বরাতে এমন তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এক পাকিস্তানি কর্মকর্তা বলেন, ইসরায়েল যে ইরানি কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছিল, সেখানে এই দুই নেতার নামও ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে ইসরায়েলকে বোঝানো হয়, তাদের হত্যা করা হলে কূটনৈতিক সংলাপের সুযোগ নষ্ট হবে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তাদের নাম তালিকা থেকে সরানো হয়।
এ ঘটনা এমন সময়ে সামনে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ শুরু করেছে পাকিস্তান।
এর আগে ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে কয়েক দফা সংলাপ হলেও তা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে।
সংঘাতে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় ইরানে বহু সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রাণহানিও বেড়েছে। ইরানও পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে, লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলো।
এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে যুদ্ধবিরতির চেষ্টা চলছে। যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানে ১৫টি পয়েন্ট বিশিষ্ট একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে।
পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে মুখ্য ভূমিকায় আছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বিভাগ ও সেনাপ্রধান ফিল্ডমার্শাল আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। গোপন চ্যানেলের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন ফিল্ড মার্শাল মুনির এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করছেন শেহবাজ শরিফ।




