ট্রাম্প চাইলে কি যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো ছাড়তে পারবে

ট্রাম্প চাইলে কি যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো ছাড়তে পারবে
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ন্যাটো নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক জোটে থাকা উচিত কি না– তা নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, তিনি চাইলে কি সহজেই যুক্তরাষ্ট্রকে ন্যাটো থেকে বের করে নিতে পারবেন?
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ন্যাটো সদস্যপদ ‘পুনর্বিবেচনার ঊর্ধ্বে নয়’। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপে ইউরোপীয় দেশগুলোর অনাগ্রহ তার অসন্তোষ বাড়িয়েছে। তার মতে, এমন পরিস্থিতিতে মিত্রদের নিঃশর্ত সমর্থন থাকা উচিত ছিল।

তবে বাস্তবতা হলো, ন্যাটো থেকে বের হয়ে যাওয়া কোনো একক সিদ্ধান্তের বিষয় নয়। ২০২৩ সালের শেষ দিকে মার্কিন কংগ্রেস একটি আইন পাস করে, যার মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের একক ক্ষমতায় ন্যাটো ত্যাগের পথ সীমিত করা হয়। এখন জোট ছাড়তে হলে সিনেটের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন অথবা কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।
ন্যাটো গঠিত হয় ১৯৪৯ সালে, মূলত ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে। এই জোটের ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো একটি সদস্যদেশ আক্রান্ত হলে তা সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে এই নীতি কার্যকর করতে সব সদস্যের সম্মতি জরুরি।
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ন্যাটোর সমালোচক। তার অভিযোগ, এই জোটের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রকে অস্বাভাবিক পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়, অথচ অন্যান্য সদস্য দেশ সে তুলনায় কম অবদান রাখে। ২০১৪ সালে সদস্য দেশগুলোর জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, সেটি বাস্তবায়ন নিয়েও তিনি বারবার প্রশ্ন তুলেছেন।

ন্যাটোর সাবেক মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ তার স্মৃতিকথায় উল্লেখ করেছেন, ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে জোটটি ছাড়ার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত কূটনৈতিক তৎপরতার কারণে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।
বর্তমান মহাসচিব মার্ক রুতের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো জোটের ঐক্য ধরে রাখা। ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অনিশ্চিত অবস্থান ন্যাটোর জন্য নতুন চাপ তৈরি করেছে।
২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পশ্চিমা দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। যদিও ন্যাটো সরাসরি যুদ্ধে জড়ায়নি, তবুও ইউক্রেনকে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
এখন ইউরোপীয় দেশগুলো নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে আরও বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তবুও বাস্তবতা হলো, ন্যাটোর সামরিক শক্তির বড় অংশই এখনো যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর। জোটটির মোট প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বড় অংশ আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে, আর তাদের সামরিক ও গোয়েন্দা সক্ষমতার বিকল্প এখনো তৈরি হয়নি।
সূত্র: বিবিসি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ন্যাটো নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক জোটে থাকা উচিত কি না– তা নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, তিনি চাইলে কি সহজেই যুক্তরাষ্ট্রকে ন্যাটো থেকে বের করে নিতে পারবেন?
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ন্যাটো সদস্যপদ ‘পুনর্বিবেচনার ঊর্ধ্বে নয়’। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপে ইউরোপীয় দেশগুলোর অনাগ্রহ তার অসন্তোষ বাড়িয়েছে। তার মতে, এমন পরিস্থিতিতে মিত্রদের নিঃশর্ত সমর্থন থাকা উচিত ছিল।

তবে বাস্তবতা হলো, ন্যাটো থেকে বের হয়ে যাওয়া কোনো একক সিদ্ধান্তের বিষয় নয়। ২০২৩ সালের শেষ দিকে মার্কিন কংগ্রেস একটি আইন পাস করে, যার মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের একক ক্ষমতায় ন্যাটো ত্যাগের পথ সীমিত করা হয়। এখন জোট ছাড়তে হলে সিনেটের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন অথবা কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।
ন্যাটো গঠিত হয় ১৯৪৯ সালে, মূলত ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে। এই জোটের ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো একটি সদস্যদেশ আক্রান্ত হলে তা সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে এই নীতি কার্যকর করতে সব সদস্যের সম্মতি জরুরি।
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ন্যাটোর সমালোচক। তার অভিযোগ, এই জোটের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রকে অস্বাভাবিক পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়, অথচ অন্যান্য সদস্য দেশ সে তুলনায় কম অবদান রাখে। ২০১৪ সালে সদস্য দেশগুলোর জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, সেটি বাস্তবায়ন নিয়েও তিনি বারবার প্রশ্ন তুলেছেন।

ন্যাটোর সাবেক মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ তার স্মৃতিকথায় উল্লেখ করেছেন, ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে জোটটি ছাড়ার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত কূটনৈতিক তৎপরতার কারণে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।
বর্তমান মহাসচিব মার্ক রুতের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো জোটের ঐক্য ধরে রাখা। ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অনিশ্চিত অবস্থান ন্যাটোর জন্য নতুন চাপ তৈরি করেছে।
২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পশ্চিমা দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। যদিও ন্যাটো সরাসরি যুদ্ধে জড়ায়নি, তবুও ইউক্রেনকে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
এখন ইউরোপীয় দেশগুলো নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে আরও বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তবুও বাস্তবতা হলো, ন্যাটোর সামরিক শক্তির বড় অংশই এখনো যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর। জোটটির মোট প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বড় অংশ আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে, আর তাদের সামরিক ও গোয়েন্দা সক্ষমতার বিকল্প এখনো তৈরি হয়নি।
সূত্র: বিবিসি

ট্রাম্প চাইলে কি যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো ছাড়তে পারবে
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ন্যাটো নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক জোটে থাকা উচিত কি না– তা নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, তিনি চাইলে কি সহজেই যুক্তরাষ্ট্রকে ন্যাটো থেকে বের করে নিতে পারবেন?
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ন্যাটো সদস্যপদ ‘পুনর্বিবেচনার ঊর্ধ্বে নয়’। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপে ইউরোপীয় দেশগুলোর অনাগ্রহ তার অসন্তোষ বাড়িয়েছে। তার মতে, এমন পরিস্থিতিতে মিত্রদের নিঃশর্ত সমর্থন থাকা উচিত ছিল।

তবে বাস্তবতা হলো, ন্যাটো থেকে বের হয়ে যাওয়া কোনো একক সিদ্ধান্তের বিষয় নয়। ২০২৩ সালের শেষ দিকে মার্কিন কংগ্রেস একটি আইন পাস করে, যার মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের একক ক্ষমতায় ন্যাটো ত্যাগের পথ সীমিত করা হয়। এখন জোট ছাড়তে হলে সিনেটের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন অথবা কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।
ন্যাটো গঠিত হয় ১৯৪৯ সালে, মূলত ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে। এই জোটের ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো একটি সদস্যদেশ আক্রান্ত হলে তা সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে এই নীতি কার্যকর করতে সব সদস্যের সম্মতি জরুরি।
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ন্যাটোর সমালোচক। তার অভিযোগ, এই জোটের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রকে অস্বাভাবিক পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়, অথচ অন্যান্য সদস্য দেশ সে তুলনায় কম অবদান রাখে। ২০১৪ সালে সদস্য দেশগুলোর জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, সেটি বাস্তবায়ন নিয়েও তিনি বারবার প্রশ্ন তুলেছেন।

ন্যাটোর সাবেক মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ তার স্মৃতিকথায় উল্লেখ করেছেন, ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে জোটটি ছাড়ার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত কূটনৈতিক তৎপরতার কারণে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।
বর্তমান মহাসচিব মার্ক রুতের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো জোটের ঐক্য ধরে রাখা। ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অনিশ্চিত অবস্থান ন্যাটোর জন্য নতুন চাপ তৈরি করেছে।
২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পশ্চিমা দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। যদিও ন্যাটো সরাসরি যুদ্ধে জড়ায়নি, তবুও ইউক্রেনকে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
এখন ইউরোপীয় দেশগুলো নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে আরও বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তবুও বাস্তবতা হলো, ন্যাটোর সামরিক শক্তির বড় অংশই এখনো যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর। জোটটির মোট প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বড় অংশ আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে, আর তাদের সামরিক ও গোয়েন্দা সক্ষমতার বিকল্প এখনো তৈরি হয়নি।
সূত্র: বিবিসি




