যুদ্ধের মধ্যেই আলোচনায় নতুন মুখ কে এই বাঘের গালিবাফ

যুদ্ধের মধ্যেই আলোচনায় নতুন মুখ কে এই বাঘের গালিবাফ
সিটিজেন ডেস্ক

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের মৃত্যুর পর আলোচনার সম্ভাব্য মুখ হয়ে উঠেছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। সম্প্রতি এক বার্তায় তিনি বলেন, ইরানি বাহিনী ‘মার্কিন সেনাদের স্থলপথে আসার অপেক্ষায় আছে যাতে তাদের ওপর আগুনের বৃষ্টি নামিয়ে দেওয়া যায়।’
তার এই বক্তব্যের পর অনেকের মনেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে, প্রশ্ন জেগেছে কে এই গালিবাফ?
গালিবাফ একজন রক্ষণশীল ইরানি রাজনীতিক, যিনি সামরিক বাহিনীতে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২০ সালের মে মাস থেকে তিনি ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
১৯৬১ সালে জন্ম নেওয়া এই নেতা ১৯৮০ সালে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীতে (আইআরজিসি) যোগ দেন। ইরান-ইরাক যুদ্ধ চলাকালে তিনি এই বাহিনীর অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার হয়ে ওঠেন।
পরবর্তীতে তিনি চারবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিলেও প্রতিবারই ব্যর্থ হন।
২০০৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চতুর্থ, ২০১৩ সালে দ্বিতীয় এবং ২০২৪ সালের আগাম নির্বাচনে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন গালিবাফ। ২০১৭ সালের নির্বাচনের আগে তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছিলেন।
তিনি পেশায় একজন দক্ষ পাইলট। ১৯৯৭ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) বিমান শাখার কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ইরানের পুলিশ বাহিনীর প্রধান ছিলেন।
তেহরানের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে গালিবাফের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, এসব কেলেঙ্কারি আড়াল করতে তিনি আইআরজিসির প্রভাব ব্যবহার করেছিলেন।
এছাড়া কিছু অসমর্থিত সূত্রের দাবি, ট্রাম্প প্রশাসন গালিবাফকে ইরানের সম্ভাব্য অংশীদার এমনকি ভবিষ্যতের নেতৃত্বের একজন সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবেও বিবেচনা করেছিল।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের মৃত্যুর পর আলোচনার সম্ভাব্য মুখ হয়ে উঠেছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। সম্প্রতি এক বার্তায় তিনি বলেন, ইরানি বাহিনী ‘মার্কিন সেনাদের স্থলপথে আসার অপেক্ষায় আছে যাতে তাদের ওপর আগুনের বৃষ্টি নামিয়ে দেওয়া যায়।’
তার এই বক্তব্যের পর অনেকের মনেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে, প্রশ্ন জেগেছে কে এই গালিবাফ?
গালিবাফ একজন রক্ষণশীল ইরানি রাজনীতিক, যিনি সামরিক বাহিনীতে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২০ সালের মে মাস থেকে তিনি ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
১৯৬১ সালে জন্ম নেওয়া এই নেতা ১৯৮০ সালে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীতে (আইআরজিসি) যোগ দেন। ইরান-ইরাক যুদ্ধ চলাকালে তিনি এই বাহিনীর অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার হয়ে ওঠেন।
পরবর্তীতে তিনি চারবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিলেও প্রতিবারই ব্যর্থ হন।
২০০৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চতুর্থ, ২০১৩ সালে দ্বিতীয় এবং ২০২৪ সালের আগাম নির্বাচনে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন গালিবাফ। ২০১৭ সালের নির্বাচনের আগে তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছিলেন।
তিনি পেশায় একজন দক্ষ পাইলট। ১৯৯৭ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) বিমান শাখার কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ইরানের পুলিশ বাহিনীর প্রধান ছিলেন।
তেহরানের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে গালিবাফের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, এসব কেলেঙ্কারি আড়াল করতে তিনি আইআরজিসির প্রভাব ব্যবহার করেছিলেন।
এছাড়া কিছু অসমর্থিত সূত্রের দাবি, ট্রাম্প প্রশাসন গালিবাফকে ইরানের সম্ভাব্য অংশীদার এমনকি ভবিষ্যতের নেতৃত্বের একজন সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবেও বিবেচনা করেছিল।

যুদ্ধের মধ্যেই আলোচনায় নতুন মুখ কে এই বাঘের গালিবাফ
সিটিজেন ডেস্ক

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের মৃত্যুর পর আলোচনার সম্ভাব্য মুখ হয়ে উঠেছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। সম্প্রতি এক বার্তায় তিনি বলেন, ইরানি বাহিনী ‘মার্কিন সেনাদের স্থলপথে আসার অপেক্ষায় আছে যাতে তাদের ওপর আগুনের বৃষ্টি নামিয়ে দেওয়া যায়।’
তার এই বক্তব্যের পর অনেকের মনেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে, প্রশ্ন জেগেছে কে এই গালিবাফ?
গালিবাফ একজন রক্ষণশীল ইরানি রাজনীতিক, যিনি সামরিক বাহিনীতে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২০ সালের মে মাস থেকে তিনি ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
১৯৬১ সালে জন্ম নেওয়া এই নেতা ১৯৮০ সালে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীতে (আইআরজিসি) যোগ দেন। ইরান-ইরাক যুদ্ধ চলাকালে তিনি এই বাহিনীর অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার হয়ে ওঠেন।
পরবর্তীতে তিনি চারবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিলেও প্রতিবারই ব্যর্থ হন।
২০০৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চতুর্থ, ২০১৩ সালে দ্বিতীয় এবং ২০২৪ সালের আগাম নির্বাচনে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন গালিবাফ। ২০১৭ সালের নির্বাচনের আগে তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছিলেন।
তিনি পেশায় একজন দক্ষ পাইলট। ১৯৯৭ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) বিমান শাখার কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ইরানের পুলিশ বাহিনীর প্রধান ছিলেন।
তেহরানের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে গালিবাফের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, এসব কেলেঙ্কারি আড়াল করতে তিনি আইআরজিসির প্রভাব ব্যবহার করেছিলেন।
এছাড়া কিছু অসমর্থিত সূত্রের দাবি, ট্রাম্প প্রশাসন গালিবাফকে ইরানের সম্ভাব্য অংশীদার এমনকি ভবিষ্যতের নেতৃত্বের একজন সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবেও বিবেচনা করেছিল।




