লাহোরে তরুণীকে ধর্ষণ, এএসআইসহ থানার সব পুলিশ বরখাস্ত

লাহোরে তরুণীকে ধর্ষণ, এএসআইসহ থানার সব পুলিশ বরখাস্ত
সিজেডএন ডেস্ক

পাকিস্তানের লাহোরে থানা প্রাঙ্গণে এক মানসিক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তদারকিতে ব্যর্থতা ও অবহেলার দায় নিয়ে স্টেশন হাউস অফিসারসহ (এসএইচও) ওই থানার সব সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ডিআইজি (অপারেশনস) ফয়সাল কামরানের নির্দেশে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত কর্মকর্তার নাম ইমরান। তিনি লাহোরের গাজীবাদ থানার তদন্ত উইংয়ের এএসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ ওঠে, একটি মামলার প্রয়োজনে কথা বলার কথা বলে ওই তরুণীর পরিবারকে বুঝিয়ে তাকে মোটরসাইকেলে করে থানায় নিয়ে আসেন তিনি। পরে থানার ভেতরের একটি কক্ষে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনাটি জানতে পেরে পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে এবং তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
ঘটনাটি ঘটার পর সোমবার গভীর রাতে গাজীবাদ থানা পরিদর্শনে যান ডিআইজি ফয়সাল কামরান। অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের না জানানোর অভিযোগে তিনি চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
এরপরই ডিআইজি কামরান গাজীবাদ থানার এসএইচও, ২ জন উপপরিদর্শক (এসআই), ৮ জন এএসআই, ফ্রন্ট ডেস্ক স্টাফ এবং অন্যান্য কর্মীসহ মোট ৭৮ জন সদস্যকে একযোগে বরখাস্তের নির্দেশ দেন।
ডিআইজি ফয়সাল কামরান বলেন, দুর্বল নজরদারি ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে চরম ব্যর্থতার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। থানার ভেতরে কী ঘটছে, সে বিষয়ে এসএইচওর সার্বক্ষণিক নজর রাখা উচিত ছিল।
লাহোর পুলিশের অফিশিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে ডিআইজিকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, থানায় কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা এসএইচওসহ প্রতিটি কর্মকর্তার প্রধান দায়িত্ব।
গণবরখাস্তের পর গাজীবাদ থানার স্বাভাবিক কাজকর্ম ফিরিয়ে আনা ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফেরাতে আলী জেব দস্তগীরকে নতুন এসএইচও হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া এএসআই ইমরানের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত তথ্য এখনই প্রকাশ করেনি পুলিশ। সূত্র: গালফ নিউজ

পাকিস্তানের লাহোরে থানা প্রাঙ্গণে এক মানসিক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তদারকিতে ব্যর্থতা ও অবহেলার দায় নিয়ে স্টেশন হাউস অফিসারসহ (এসএইচও) ওই থানার সব সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ডিআইজি (অপারেশনস) ফয়সাল কামরানের নির্দেশে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত কর্মকর্তার নাম ইমরান। তিনি লাহোরের গাজীবাদ থানার তদন্ত উইংয়ের এএসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ ওঠে, একটি মামলার প্রয়োজনে কথা বলার কথা বলে ওই তরুণীর পরিবারকে বুঝিয়ে তাকে মোটরসাইকেলে করে থানায় নিয়ে আসেন তিনি। পরে থানার ভেতরের একটি কক্ষে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনাটি জানতে পেরে পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে এবং তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
ঘটনাটি ঘটার পর সোমবার গভীর রাতে গাজীবাদ থানা পরিদর্শনে যান ডিআইজি ফয়সাল কামরান। অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের না জানানোর অভিযোগে তিনি চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
এরপরই ডিআইজি কামরান গাজীবাদ থানার এসএইচও, ২ জন উপপরিদর্শক (এসআই), ৮ জন এএসআই, ফ্রন্ট ডেস্ক স্টাফ এবং অন্যান্য কর্মীসহ মোট ৭৮ জন সদস্যকে একযোগে বরখাস্তের নির্দেশ দেন।
ডিআইজি ফয়সাল কামরান বলেন, দুর্বল নজরদারি ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে চরম ব্যর্থতার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। থানার ভেতরে কী ঘটছে, সে বিষয়ে এসএইচওর সার্বক্ষণিক নজর রাখা উচিত ছিল।
লাহোর পুলিশের অফিশিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে ডিআইজিকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, থানায় কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা এসএইচওসহ প্রতিটি কর্মকর্তার প্রধান দায়িত্ব।
গণবরখাস্তের পর গাজীবাদ থানার স্বাভাবিক কাজকর্ম ফিরিয়ে আনা ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফেরাতে আলী জেব দস্তগীরকে নতুন এসএইচও হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া এএসআই ইমরানের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত তথ্য এখনই প্রকাশ করেনি পুলিশ। সূত্র: গালফ নিউজ

লাহোরে তরুণীকে ধর্ষণ, এএসআইসহ থানার সব পুলিশ বরখাস্ত
সিজেডএন ডেস্ক

পাকিস্তানের লাহোরে থানা প্রাঙ্গণে এক মানসিক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তদারকিতে ব্যর্থতা ও অবহেলার দায় নিয়ে স্টেশন হাউস অফিসারসহ (এসএইচও) ওই থানার সব সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ডিআইজি (অপারেশনস) ফয়সাল কামরানের নির্দেশে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত কর্মকর্তার নাম ইমরান। তিনি লাহোরের গাজীবাদ থানার তদন্ত উইংয়ের এএসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ ওঠে, একটি মামলার প্রয়োজনে কথা বলার কথা বলে ওই তরুণীর পরিবারকে বুঝিয়ে তাকে মোটরসাইকেলে করে থানায় নিয়ে আসেন তিনি। পরে থানার ভেতরের একটি কক্ষে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনাটি জানতে পেরে পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে এবং তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
ঘটনাটি ঘটার পর সোমবার গভীর রাতে গাজীবাদ থানা পরিদর্শনে যান ডিআইজি ফয়সাল কামরান। অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের না জানানোর অভিযোগে তিনি চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
এরপরই ডিআইজি কামরান গাজীবাদ থানার এসএইচও, ২ জন উপপরিদর্শক (এসআই), ৮ জন এএসআই, ফ্রন্ট ডেস্ক স্টাফ এবং অন্যান্য কর্মীসহ মোট ৭৮ জন সদস্যকে একযোগে বরখাস্তের নির্দেশ দেন।
ডিআইজি ফয়সাল কামরান বলেন, দুর্বল নজরদারি ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে চরম ব্যর্থতার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। থানার ভেতরে কী ঘটছে, সে বিষয়ে এসএইচওর সার্বক্ষণিক নজর রাখা উচিত ছিল।
লাহোর পুলিশের অফিশিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে ডিআইজিকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, থানায় কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা এসএইচওসহ প্রতিটি কর্মকর্তার প্রধান দায়িত্ব।
গণবরখাস্তের পর গাজীবাদ থানার স্বাভাবিক কাজকর্ম ফিরিয়ে আনা ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফেরাতে আলী জেব দস্তগীরকে নতুন এসএইচও হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া এএসআই ইমরানের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত তথ্য এখনই প্রকাশ করেনি পুলিশ। সূত্র: গালফ নিউজ








