ফিলিপাইনে ভারী বৃষ্টি ও ঘূর্ণিঝড়ে নিহত ২৩

ফিলিপাইনে ভারী বৃষ্টি ও ঘূর্ণিঝড়ে নিহত ২৩
সিজেডএন ডেস্ক

ফিলিপাইনে টানা ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ভূমিধসে অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছে। বিপর্যস্ত এলাকাগুলো থেকে ইতোমধ্যে হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শক্তিশালী মৌসুমী বায়ুর সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় লুইস ও মেমের প্রভাবে দেশজুড়ে এ ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লুজন ও ভিসায়াস অঞ্চল। নদীর পানি উপচে পড়ায় অনেক পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। বন্যার পানিতে বেশ কিছু সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস এবং সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় অনেক জায়গায় যাতায়াত পুরোপুরি বন্ধ।
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও জাতীয় উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো যৌথভাবে কাজ করছে। তবে একাধিক জায়গায় সড়ক ও সেতু ভেঙে পড়েছে এবং কৃষি জমি তলিয়ে গেছে। ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বিপর্যস্ত এলাকার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণে ও তথ্য সংগ্রহে সমস্যা হচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তর পূর্বাভাস দিয়েছে, আগামী কয়েক দিন থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে নিচু এলাকা ও পাহাড়ি ধস-প্রবণ অঞ্চলের বাসিন্দাদের সরকারি নির্দেশনা মেনে অবিলম্বে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বন্যাকবলিত স্থানে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া এবং উদ্ধার অভিযান জোরদার রাখার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ফিলিপাইনে টানা ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ভূমিধসে অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছে। বিপর্যস্ত এলাকাগুলো থেকে ইতোমধ্যে হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শক্তিশালী মৌসুমী বায়ুর সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় লুইস ও মেমের প্রভাবে দেশজুড়ে এ ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লুজন ও ভিসায়াস অঞ্চল। নদীর পানি উপচে পড়ায় অনেক পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। বন্যার পানিতে বেশ কিছু সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস এবং সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় অনেক জায়গায় যাতায়াত পুরোপুরি বন্ধ।
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও জাতীয় উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো যৌথভাবে কাজ করছে। তবে একাধিক জায়গায় সড়ক ও সেতু ভেঙে পড়েছে এবং কৃষি জমি তলিয়ে গেছে। ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বিপর্যস্ত এলাকার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণে ও তথ্য সংগ্রহে সমস্যা হচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তর পূর্বাভাস দিয়েছে, আগামী কয়েক দিন থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে নিচু এলাকা ও পাহাড়ি ধস-প্রবণ অঞ্চলের বাসিন্দাদের সরকারি নির্দেশনা মেনে অবিলম্বে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বন্যাকবলিত স্থানে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া এবং উদ্ধার অভিযান জোরদার রাখার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ফিলিপাইনে ভারী বৃষ্টি ও ঘূর্ণিঝড়ে নিহত ২৩
সিজেডএন ডেস্ক

ফিলিপাইনে টানা ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ভূমিধসে অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছে। বিপর্যস্ত এলাকাগুলো থেকে ইতোমধ্যে হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শক্তিশালী মৌসুমী বায়ুর সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় লুইস ও মেমের প্রভাবে দেশজুড়ে এ ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লুজন ও ভিসায়াস অঞ্চল। নদীর পানি উপচে পড়ায় অনেক পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। বন্যার পানিতে বেশ কিছু সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস এবং সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় অনেক জায়গায় যাতায়াত পুরোপুরি বন্ধ।
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও জাতীয় উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো যৌথভাবে কাজ করছে। তবে একাধিক জায়গায় সড়ক ও সেতু ভেঙে পড়েছে এবং কৃষি জমি তলিয়ে গেছে। ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বিপর্যস্ত এলাকার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণে ও তথ্য সংগ্রহে সমস্যা হচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তর পূর্বাভাস দিয়েছে, আগামী কয়েক দিন থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে নিচু এলাকা ও পাহাড়ি ধস-প্রবণ অঞ্চলের বাসিন্দাদের সরকারি নির্দেশনা মেনে অবিলম্বে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বন্যাকবলিত স্থানে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া এবং উদ্ধার অভিযান জোরদার রাখার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ফিলিপাইনে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ১২, নিখোঁজ ৮







