আবারও পূর্ব উপকূলে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ উত্তর কোরিয়ার

আবারও পূর্ব উপকূলে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ উত্তর কোরিয়ার
সিটিজেন ডেস্ক

সিউল ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের ক্ষীণ আশায় জল ঢেলে বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে সমুদ্রের পূর্ব উপকূলে আবারও একটি অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এর আগে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) পিয়ংইয়ং এলাকা থেকে একটি সন্দেহভাজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল।
দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবারের ক্ষেপণাস্ত্রটি উড্ডয়নের প্রাথমিক পর্যায়েই অস্বাভাবিকতা প্রদর্শন করে রাডার থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়, যা একটি ব্যর্থ উৎক্ষেপণ হতে পারে বলে ধারণা করছে সিউলের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ। সাধারণত উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার ক্ষেত্রে সিউল দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায়, কারণ এ ধরনের পরীক্ষা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের সরাসরি লঙ্ঘন। তবে পিয়ংইয়ং বরাবরই এ নিষেধাজ্ঞাকে তাদের আত্মরক্ষার সার্বভৌম অধিকারে হস্তক্ষেপ হিসেবে দাবি করে প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
সাম্প্রতিক এ সামরিক তৎপরতার পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সিউলের প্রতি তাদের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জাং কুম চোল এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, দক্ষিণ কোরিয়া যদি পিয়ংইয়ংয়ের অবস্থানে কোনো পরিবর্তনের আশা করে থাকে, তবে সেটি হবে নিছক দিবাস্বপ্ন। তিনি দক্ষিণ কোরিয়াকে উত্তর কোরিয়ার জন্য সবচেয়ে প্রতিকূল শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করেন। জাং কুম চোল বলেন, সিউলের কোনো কথা বা আচরণে এ পরিচয়ের পরিবর্তন হবে না।
এ বছরের শুরুতে ড্রোন অনুপ্রবেশের জন্য পিয়ংইয়ংয়ের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং। এরফলে সিউলের রাজনৈতিক মহলে সম্পর্কের বরফ গলার একটি গুঞ্জন উঠেছিল, জাং কুম চোল সেটিকে নাকচ করে দিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জংয়ের আগের বক্তব্যটি ছিল সিউলের প্রতি একটি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা, কোনো বন্ধুত্বের ইঙ্গিত নয়। ১৯৫০-৫৩ সালের যুদ্ধের পর থেকেই প্রযুক্তিগতভাবে যুদ্ধাবস্থায় থাকা দুই দেশের মধ্যে নতুন অস্থিরতা আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে আবারও সংকটের মুখে ফেলেছে।
সূত্র: রয়টার্স

সিউল ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের ক্ষীণ আশায় জল ঢেলে বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে সমুদ্রের পূর্ব উপকূলে আবারও একটি অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এর আগে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) পিয়ংইয়ং এলাকা থেকে একটি সন্দেহভাজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল।
দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবারের ক্ষেপণাস্ত্রটি উড্ডয়নের প্রাথমিক পর্যায়েই অস্বাভাবিকতা প্রদর্শন করে রাডার থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়, যা একটি ব্যর্থ উৎক্ষেপণ হতে পারে বলে ধারণা করছে সিউলের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ। সাধারণত উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার ক্ষেত্রে সিউল দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায়, কারণ এ ধরনের পরীক্ষা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের সরাসরি লঙ্ঘন। তবে পিয়ংইয়ং বরাবরই এ নিষেধাজ্ঞাকে তাদের আত্মরক্ষার সার্বভৌম অধিকারে হস্তক্ষেপ হিসেবে দাবি করে প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
সাম্প্রতিক এ সামরিক তৎপরতার পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সিউলের প্রতি তাদের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জাং কুম চোল এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, দক্ষিণ কোরিয়া যদি পিয়ংইয়ংয়ের অবস্থানে কোনো পরিবর্তনের আশা করে থাকে, তবে সেটি হবে নিছক দিবাস্বপ্ন। তিনি দক্ষিণ কোরিয়াকে উত্তর কোরিয়ার জন্য সবচেয়ে প্রতিকূল শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করেন। জাং কুম চোল বলেন, সিউলের কোনো কথা বা আচরণে এ পরিচয়ের পরিবর্তন হবে না।
এ বছরের শুরুতে ড্রোন অনুপ্রবেশের জন্য পিয়ংইয়ংয়ের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং। এরফলে সিউলের রাজনৈতিক মহলে সম্পর্কের বরফ গলার একটি গুঞ্জন উঠেছিল, জাং কুম চোল সেটিকে নাকচ করে দিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জংয়ের আগের বক্তব্যটি ছিল সিউলের প্রতি একটি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা, কোনো বন্ধুত্বের ইঙ্গিত নয়। ১৯৫০-৫৩ সালের যুদ্ধের পর থেকেই প্রযুক্তিগতভাবে যুদ্ধাবস্থায় থাকা দুই দেশের মধ্যে নতুন অস্থিরতা আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে আবারও সংকটের মুখে ফেলেছে।
সূত্র: রয়টার্স

আবারও পূর্ব উপকূলে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ উত্তর কোরিয়ার
সিটিজেন ডেস্ক

সিউল ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের ক্ষীণ আশায় জল ঢেলে বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে সমুদ্রের পূর্ব উপকূলে আবারও একটি অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এর আগে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) পিয়ংইয়ং এলাকা থেকে একটি সন্দেহভাজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল।
দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবারের ক্ষেপণাস্ত্রটি উড্ডয়নের প্রাথমিক পর্যায়েই অস্বাভাবিকতা প্রদর্শন করে রাডার থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়, যা একটি ব্যর্থ উৎক্ষেপণ হতে পারে বলে ধারণা করছে সিউলের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ। সাধারণত উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার ক্ষেত্রে সিউল দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায়, কারণ এ ধরনের পরীক্ষা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের সরাসরি লঙ্ঘন। তবে পিয়ংইয়ং বরাবরই এ নিষেধাজ্ঞাকে তাদের আত্মরক্ষার সার্বভৌম অধিকারে হস্তক্ষেপ হিসেবে দাবি করে প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
সাম্প্রতিক এ সামরিক তৎপরতার পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সিউলের প্রতি তাদের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জাং কুম চোল এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, দক্ষিণ কোরিয়া যদি পিয়ংইয়ংয়ের অবস্থানে কোনো পরিবর্তনের আশা করে থাকে, তবে সেটি হবে নিছক দিবাস্বপ্ন। তিনি দক্ষিণ কোরিয়াকে উত্তর কোরিয়ার জন্য সবচেয়ে প্রতিকূল শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করেন। জাং কুম চোল বলেন, সিউলের কোনো কথা বা আচরণে এ পরিচয়ের পরিবর্তন হবে না।
এ বছরের শুরুতে ড্রোন অনুপ্রবেশের জন্য পিয়ংইয়ংয়ের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং। এরফলে সিউলের রাজনৈতিক মহলে সম্পর্কের বরফ গলার একটি গুঞ্জন উঠেছিল, জাং কুম চোল সেটিকে নাকচ করে দিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জংয়ের আগের বক্তব্যটি ছিল সিউলের প্রতি একটি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা, কোনো বন্ধুত্বের ইঙ্গিত নয়। ১৯৫০-৫৩ সালের যুদ্ধের পর থেকেই প্রযুক্তিগতভাবে যুদ্ধাবস্থায় থাকা দুই দেশের মধ্যে নতুন অস্থিরতা আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে আবারও সংকটের মুখে ফেলেছে।
সূত্র: রয়টার্স




