নেপালে বন্যার ৫ মাস আগেই দেওয়া হয়েছিল পূর্বাভাস

নেপালে বন্যার ৫ মাস আগেই দেওয়া হয়েছিল পূর্বাভাস
সিজেডএন ডেস্ক

নেপালে পর্বতের বুক চিরে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর কাদার স্রোতে ভেসে গেছে একের পর এক গ্রাম, প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬৬৯ জন। কাঠমান্ডুর রাস্তায় যখন স্বজনহারাদের আর্তনাদ, ঠিক তখনই সামনে এলো এক উদ্বেগের খবর। নেপালের এ সাম্প্রতিক ভয়াবহ বিপর্যয় হঠাৎ করে ধেয়ে আসেনি। প্রায় ৫ মাস আগেই সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ তুলে ধরে সতর্ক করা হয়েছিল যে পাহাড়ি জনপদে বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘনিয়ে আসছে। গবেষকদের সে আশঙ্কাই সত্যি হলো
কাঠমান্ডুভিত্তিক আঞ্চলিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘দ্য ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট’ (আইসিআইএমওডি) মার্চে দুটি বিশেষ সমীক্ষা প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়েছিল, একুশ শতকের শুরু থেকে হিন্দুকুশ হিমালয় অঞ্চলে বরফ গলার গতি আগের তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ১৯৭৫ সাল থেকে ধরলে হিমবাহগুলোর বরফের পুরুত্ব অন্তত ২৭ মিটার কমেছে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, চীন, ভুটান, আফগানিস্তান, মিয়ানমার ও নেপালকে নিয়ে কাজ করা এ সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ১৯৯০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এই অঞ্চলের হিমবাহের প্রায় ১২ শতাংশ আয়তন এবং ৯ শতাংশ জমে থাকা বরফ চিরতরে হারিয়ে গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, উষ্ণতার প্রভাবে হিমালয়ের বরফাবৃত অংশ এমন এক সংকটজনক পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে, যেখান থেকে তাকে আর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।
বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছেন, দুর্যোগের সূত্রপাত ঠিক কোথা থেকে হয়েছিল। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এক অস্বাভাবিক পরিবর্তন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪ হাজার মিটারেরও বেশি উঁচুতে, যেখানে তুষারপাত হওয়ার কথা, সেখানে মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। তুষারের বদলে এ বৃষ্টিই বরফ গলার গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ভারতের দেরাদুনভিত্তিক ‘ওয়াদিয়া ইনস্টিটিউট অব হিমালয়ান জিওলজি’-এর এক বিজ্ঞানী সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে বলেন, ৪ হাজার মিটার বা তার চেয়ে বেশি উুঁচুতে যেখানে তুষারপাত হওয়ার কথা, সেখানে বৃষ্টি হওয়ার কারণে হিমবাহ দ্রুত গলে যাচ্ছে। তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়াই হয়ত উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাতের বদলে বৃষ্টি হওয়ার মূল কারণ।
গবেষকদের প্রাথমিক ধারণা, অতিরিক্ত উঁচুতে তুষার ও বিশাল পাথরের ধস নেমে ভোতেকোশি নদীর উপনদীর প্রবাহকে আটকে দিয়েছিল। পরবর্তীতে সেই বিপুল বরফ, পাথর ও কাঁদার কৃত্রিম বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চলে নেমে আসে প্রলয়ঙ্করী হড়পা বান। আইসিআইএমওডি-এর জ্যেষ্ঠ ক্রায়োস্ফিয়ার বিশেষজ্ঞ ও ভারতের আইআইটি ইন্দোরের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ ফারুক আজম জানান, তুষারাবৃত এলাকা কমে যাওয়া এবং হিমবাহ সংকুচিত হওয়ার সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন যোগ রয়েছে। তুষারের আবরণ কমে নগ্ন হয়ে পড়া পাথুরে এলাকাগুলো বেশি তাপ শোষণ করায় পাহাড়ের ঢাল আরও দুর্বল হয়ে পড়ছে।
পাহাড়ের এই রূপ বদল কেবল নেপালের সীমান্তেই সীমাবদ্ধ নেই। মেরু অঞ্চলের বাইরে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বরফের ভাণ্ডার হলো এই হিন্দুকুশ হিমালয়। এটি ৫৫ হাজার বর্গকিলোমিটারজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ৬৩ হাজার ৭০০টিরও বেশি হিমবাহ নিয়ে গঠিত। এশিয়ার ১০টি প্রধান নদী ব্যবস্থার উৎস এই বরফভাণ্ডার। এর গলিত পানির ওপর জীবন ও জীবিকার জন্য প্রত্যক্ষভাবে নির্ভর করে ভাটি অঞ্চলের প্রায় ২০০ কোটি মানুষ। মার্চের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছিল, সাড়ে ৪ হাজার থেকে ৬ হাজার মিটার উচ্চতায় থাকা হিমবাহের অন্তত ৭৮ শতাংশ চরম আবহাওয়াজনিত ঝুঁকিতে রয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি

নেপালে পর্বতের বুক চিরে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর কাদার স্রোতে ভেসে গেছে একের পর এক গ্রাম, প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬৬৯ জন। কাঠমান্ডুর রাস্তায় যখন স্বজনহারাদের আর্তনাদ, ঠিক তখনই সামনে এলো এক উদ্বেগের খবর। নেপালের এ সাম্প্রতিক ভয়াবহ বিপর্যয় হঠাৎ করে ধেয়ে আসেনি। প্রায় ৫ মাস আগেই সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ তুলে ধরে সতর্ক করা হয়েছিল যে পাহাড়ি জনপদে বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘনিয়ে আসছে। গবেষকদের সে আশঙ্কাই সত্যি হলো
কাঠমান্ডুভিত্তিক আঞ্চলিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘দ্য ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট’ (আইসিআইএমওডি) মার্চে দুটি বিশেষ সমীক্ষা প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়েছিল, একুশ শতকের শুরু থেকে হিন্দুকুশ হিমালয় অঞ্চলে বরফ গলার গতি আগের তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ১৯৭৫ সাল থেকে ধরলে হিমবাহগুলোর বরফের পুরুত্ব অন্তত ২৭ মিটার কমেছে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, চীন, ভুটান, আফগানিস্তান, মিয়ানমার ও নেপালকে নিয়ে কাজ করা এ সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ১৯৯০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এই অঞ্চলের হিমবাহের প্রায় ১২ শতাংশ আয়তন এবং ৯ শতাংশ জমে থাকা বরফ চিরতরে হারিয়ে গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, উষ্ণতার প্রভাবে হিমালয়ের বরফাবৃত অংশ এমন এক সংকটজনক পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে, যেখান থেকে তাকে আর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।
বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছেন, দুর্যোগের সূত্রপাত ঠিক কোথা থেকে হয়েছিল। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এক অস্বাভাবিক পরিবর্তন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪ হাজার মিটারেরও বেশি উঁচুতে, যেখানে তুষারপাত হওয়ার কথা, সেখানে মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। তুষারের বদলে এ বৃষ্টিই বরফ গলার গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ভারতের দেরাদুনভিত্তিক ‘ওয়াদিয়া ইনস্টিটিউট অব হিমালয়ান জিওলজি’-এর এক বিজ্ঞানী সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে বলেন, ৪ হাজার মিটার বা তার চেয়ে বেশি উুঁচুতে যেখানে তুষারপাত হওয়ার কথা, সেখানে বৃষ্টি হওয়ার কারণে হিমবাহ দ্রুত গলে যাচ্ছে। তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়াই হয়ত উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাতের বদলে বৃষ্টি হওয়ার মূল কারণ।
গবেষকদের প্রাথমিক ধারণা, অতিরিক্ত উঁচুতে তুষার ও বিশাল পাথরের ধস নেমে ভোতেকোশি নদীর উপনদীর প্রবাহকে আটকে দিয়েছিল। পরবর্তীতে সেই বিপুল বরফ, পাথর ও কাঁদার কৃত্রিম বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চলে নেমে আসে প্রলয়ঙ্করী হড়পা বান। আইসিআইএমওডি-এর জ্যেষ্ঠ ক্রায়োস্ফিয়ার বিশেষজ্ঞ ও ভারতের আইআইটি ইন্দোরের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ ফারুক আজম জানান, তুষারাবৃত এলাকা কমে যাওয়া এবং হিমবাহ সংকুচিত হওয়ার সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন যোগ রয়েছে। তুষারের আবরণ কমে নগ্ন হয়ে পড়া পাথুরে এলাকাগুলো বেশি তাপ শোষণ করায় পাহাড়ের ঢাল আরও দুর্বল হয়ে পড়ছে।
পাহাড়ের এই রূপ বদল কেবল নেপালের সীমান্তেই সীমাবদ্ধ নেই। মেরু অঞ্চলের বাইরে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বরফের ভাণ্ডার হলো এই হিন্দুকুশ হিমালয়। এটি ৫৫ হাজার বর্গকিলোমিটারজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ৬৩ হাজার ৭০০টিরও বেশি হিমবাহ নিয়ে গঠিত। এশিয়ার ১০টি প্রধান নদী ব্যবস্থার উৎস এই বরফভাণ্ডার। এর গলিত পানির ওপর জীবন ও জীবিকার জন্য প্রত্যক্ষভাবে নির্ভর করে ভাটি অঞ্চলের প্রায় ২০০ কোটি মানুষ। মার্চের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছিল, সাড়ে ৪ হাজার থেকে ৬ হাজার মিটার উচ্চতায় থাকা হিমবাহের অন্তত ৭৮ শতাংশ চরম আবহাওয়াজনিত ঝুঁকিতে রয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি

নেপালে বন্যার ৫ মাস আগেই দেওয়া হয়েছিল পূর্বাভাস
সিজেডএন ডেস্ক

নেপালে পর্বতের বুক চিরে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর কাদার স্রোতে ভেসে গেছে একের পর এক গ্রাম, প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬৬৯ জন। কাঠমান্ডুর রাস্তায় যখন স্বজনহারাদের আর্তনাদ, ঠিক তখনই সামনে এলো এক উদ্বেগের খবর। নেপালের এ সাম্প্রতিক ভয়াবহ বিপর্যয় হঠাৎ করে ধেয়ে আসেনি। প্রায় ৫ মাস আগেই সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ তুলে ধরে সতর্ক করা হয়েছিল যে পাহাড়ি জনপদে বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘনিয়ে আসছে। গবেষকদের সে আশঙ্কাই সত্যি হলো
কাঠমান্ডুভিত্তিক আঞ্চলিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘দ্য ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট’ (আইসিআইএমওডি) মার্চে দুটি বিশেষ সমীক্ষা প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়েছিল, একুশ শতকের শুরু থেকে হিন্দুকুশ হিমালয় অঞ্চলে বরফ গলার গতি আগের তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ১৯৭৫ সাল থেকে ধরলে হিমবাহগুলোর বরফের পুরুত্ব অন্তত ২৭ মিটার কমেছে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, চীন, ভুটান, আফগানিস্তান, মিয়ানমার ও নেপালকে নিয়ে কাজ করা এ সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ১৯৯০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এই অঞ্চলের হিমবাহের প্রায় ১২ শতাংশ আয়তন এবং ৯ শতাংশ জমে থাকা বরফ চিরতরে হারিয়ে গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, উষ্ণতার প্রভাবে হিমালয়ের বরফাবৃত অংশ এমন এক সংকটজনক পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে, যেখান থেকে তাকে আর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।
বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছেন, দুর্যোগের সূত্রপাত ঠিক কোথা থেকে হয়েছিল। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এক অস্বাভাবিক পরিবর্তন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪ হাজার মিটারেরও বেশি উঁচুতে, যেখানে তুষারপাত হওয়ার কথা, সেখানে মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। তুষারের বদলে এ বৃষ্টিই বরফ গলার গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ভারতের দেরাদুনভিত্তিক ‘ওয়াদিয়া ইনস্টিটিউট অব হিমালয়ান জিওলজি’-এর এক বিজ্ঞানী সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে বলেন, ৪ হাজার মিটার বা তার চেয়ে বেশি উুঁচুতে যেখানে তুষারপাত হওয়ার কথা, সেখানে বৃষ্টি হওয়ার কারণে হিমবাহ দ্রুত গলে যাচ্ছে। তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়াই হয়ত উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাতের বদলে বৃষ্টি হওয়ার মূল কারণ।
গবেষকদের প্রাথমিক ধারণা, অতিরিক্ত উঁচুতে তুষার ও বিশাল পাথরের ধস নেমে ভোতেকোশি নদীর উপনদীর প্রবাহকে আটকে দিয়েছিল। পরবর্তীতে সেই বিপুল বরফ, পাথর ও কাঁদার কৃত্রিম বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চলে নেমে আসে প্রলয়ঙ্করী হড়পা বান। আইসিআইএমওডি-এর জ্যেষ্ঠ ক্রায়োস্ফিয়ার বিশেষজ্ঞ ও ভারতের আইআইটি ইন্দোরের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ ফারুক আজম জানান, তুষারাবৃত এলাকা কমে যাওয়া এবং হিমবাহ সংকুচিত হওয়ার সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন যোগ রয়েছে। তুষারের আবরণ কমে নগ্ন হয়ে পড়া পাথুরে এলাকাগুলো বেশি তাপ শোষণ করায় পাহাড়ের ঢাল আরও দুর্বল হয়ে পড়ছে।
পাহাড়ের এই রূপ বদল কেবল নেপালের সীমান্তেই সীমাবদ্ধ নেই। মেরু অঞ্চলের বাইরে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বরফের ভাণ্ডার হলো এই হিন্দুকুশ হিমালয়। এটি ৫৫ হাজার বর্গকিলোমিটারজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ৬৩ হাজার ৭০০টিরও বেশি হিমবাহ নিয়ে গঠিত। এশিয়ার ১০টি প্রধান নদী ব্যবস্থার উৎস এই বরফভাণ্ডার। এর গলিত পানির ওপর জীবন ও জীবিকার জন্য প্রত্যক্ষভাবে নির্ভর করে ভাটি অঞ্চলের প্রায় ২০০ কোটি মানুষ। মার্চের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছিল, সাড়ে ৪ হাজার থেকে ৬ হাজার মিটার উচ্চতায় থাকা হিমবাহের অন্তত ৭৮ শতাংশ চরম আবহাওয়াজনিত ঝুঁকিতে রয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি

নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৬৯, নিখোঁজ ২ হাজার ৩৬২
নতুন সংকটে নেপাল, ২৩৩ মরদেহের মধ্যে শনাক্ত হয়েছে মাত্র ৪টি




