চীনে কয়লাখনিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত ৯০

চীনে কয়লাখনিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত ৯০
সিটিজেন ডেস্ক

চীনের উত্তরাঞ্চলীয় শানসি প্রদেশের একটি কয়লাখনিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৯০ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যায় কিনয়ুয়ান কাউন্টির লিউশেনিউ কয়লাখনিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে । চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি শনিবার (২৩ মে) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার তথ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণের সময় খনির নিচে প্রায় ২৪৭ জন শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিক খবরে আটজনের মৃত্যু এবং ২০০ জনের বেশি শ্রমিককে নিরাপদে উদ্ধার করার কথা বলা হলেও, পরবর্তীতে নিহতের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। খনির ভেতরে কার্বন মনোক্সাইডের মতো বিষাক্ত ও গন্ধহীন গ্যাসের মাত্রা নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করার কারণেই মূলত এত বিপুল সংখ্যক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে।
সিসিটিভির সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা হেলমেট পরিহিত অবস্থায় স্ট্রেচারে করে হতাহতদের বের করে আনছেন এবং বাইরে অ্যাম্বুলেন্সগুলো অপেক্ষমাণ রয়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালে ইনার মঙ্গোলিয়ায় একটি উন্মুক্ত খনি ধসে ৫৩ জন এবং ২০০৯ সালে হেইলংজিয়াং প্রদেশে এক বিস্ফোরণে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এ দুর্ঘটনার পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আহতদের চিকিৎসায় এবং তল্লাশি ও উদ্ধার তৎপরতায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং এর জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, সকল অঞ্চল ও বিভাগকে এ দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিতে হবে এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংও প্রেসিডেন্টের নির্দেশনার সাথে একমত পোষণ করে দ্রুত ও সঠিক তথ্য প্রকাশ এবং কঠোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, কঠোর নিয়মকানুন ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে ২০০০ সালের পর থেকে চীনে গ্যাস বিস্ফোরণে খনি দুর্ঘটনার হার অনেকটাই কমে এসেছিল। তবে সর্বশেষ এ ঘটনা খনিগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। কিনয়ুয়ানের স্থানীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধারকাজ পুরোদমে চলছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

চীনের উত্তরাঞ্চলীয় শানসি প্রদেশের একটি কয়লাখনিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৯০ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যায় কিনয়ুয়ান কাউন্টির লিউশেনিউ কয়লাখনিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে । চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি শনিবার (২৩ মে) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার তথ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণের সময় খনির নিচে প্রায় ২৪৭ জন শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিক খবরে আটজনের মৃত্যু এবং ২০০ জনের বেশি শ্রমিককে নিরাপদে উদ্ধার করার কথা বলা হলেও, পরবর্তীতে নিহতের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। খনির ভেতরে কার্বন মনোক্সাইডের মতো বিষাক্ত ও গন্ধহীন গ্যাসের মাত্রা নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করার কারণেই মূলত এত বিপুল সংখ্যক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে।
সিসিটিভির সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা হেলমেট পরিহিত অবস্থায় স্ট্রেচারে করে হতাহতদের বের করে আনছেন এবং বাইরে অ্যাম্বুলেন্সগুলো অপেক্ষমাণ রয়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালে ইনার মঙ্গোলিয়ায় একটি উন্মুক্ত খনি ধসে ৫৩ জন এবং ২০০৯ সালে হেইলংজিয়াং প্রদেশে এক বিস্ফোরণে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এ দুর্ঘটনার পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আহতদের চিকিৎসায় এবং তল্লাশি ও উদ্ধার তৎপরতায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং এর জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, সকল অঞ্চল ও বিভাগকে এ দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিতে হবে এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংও প্রেসিডেন্টের নির্দেশনার সাথে একমত পোষণ করে দ্রুত ও সঠিক তথ্য প্রকাশ এবং কঠোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, কঠোর নিয়মকানুন ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে ২০০০ সালের পর থেকে চীনে গ্যাস বিস্ফোরণে খনি দুর্ঘটনার হার অনেকটাই কমে এসেছিল। তবে সর্বশেষ এ ঘটনা খনিগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। কিনয়ুয়ানের স্থানীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধারকাজ পুরোদমে চলছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

চীনে কয়লাখনিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত ৯০
সিটিজেন ডেস্ক

চীনের উত্তরাঞ্চলীয় শানসি প্রদেশের একটি কয়লাখনিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৯০ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যায় কিনয়ুয়ান কাউন্টির লিউশেনিউ কয়লাখনিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে । চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি শনিবার (২৩ মে) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার তথ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণের সময় খনির নিচে প্রায় ২৪৭ জন শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিক খবরে আটজনের মৃত্যু এবং ২০০ জনের বেশি শ্রমিককে নিরাপদে উদ্ধার করার কথা বলা হলেও, পরবর্তীতে নিহতের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। খনির ভেতরে কার্বন মনোক্সাইডের মতো বিষাক্ত ও গন্ধহীন গ্যাসের মাত্রা নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করার কারণেই মূলত এত বিপুল সংখ্যক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে।
সিসিটিভির সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা হেলমেট পরিহিত অবস্থায় স্ট্রেচারে করে হতাহতদের বের করে আনছেন এবং বাইরে অ্যাম্বুলেন্সগুলো অপেক্ষমাণ রয়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালে ইনার মঙ্গোলিয়ায় একটি উন্মুক্ত খনি ধসে ৫৩ জন এবং ২০০৯ সালে হেইলংজিয়াং প্রদেশে এক বিস্ফোরণে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এ দুর্ঘটনার পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আহতদের চিকিৎসায় এবং তল্লাশি ও উদ্ধার তৎপরতায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং এর জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, সকল অঞ্চল ও বিভাগকে এ দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিতে হবে এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংও প্রেসিডেন্টের নির্দেশনার সাথে একমত পোষণ করে দ্রুত ও সঠিক তথ্য প্রকাশ এবং কঠোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, কঠোর নিয়মকানুন ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে ২০০০ সালের পর থেকে চীনে গ্যাস বিস্ফোরণে খনি দুর্ঘটনার হার অনেকটাই কমে এসেছিল। তবে সর্বশেষ এ ঘটনা খনিগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। কিনয়ুয়ানের স্থানীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধারকাজ পুরোদমে চলছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে ফ্লোটিলা কর্মীদের নির্যাতন-ধর্ষণের অভিযোগ


