সরকারের ১০০ দিন: পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের

সরকারের ১০০ দিন: পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের
সিজেডএন ডেস্ক

গৃহযুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে থাকা মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং তার সরকারের প্রথম ১০০ দিন পূর্তিতে পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন। রাজধানী নেপিডোতে ৯০০ জনেরও বেশি আইনপ্রণেতা ও সামরিক কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ভাষণ দেন তিনি।
ভাষণে তার প্রশাসনের গৃহীত নানা পদক্ষেপের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। ২০২১ সালে বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখলের পর চলতি বছরের এপ্রিলে বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন সাবেক এ সেনাপ্রধান। ভাষণে তিনি নিজের অবস্থান শক্ত করার বার্তার পাশাপাশি দেশের ভবিষ্যৎ পথনকশাও উপস্থাপন করেন।
মিন অং হ্লাইং জানান, তার সরকার প্রথম দুই বছর দেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি তৈরি করতে কাজ করবে এবং পরবর্তী তিন বছর জোর দেবে অবকাঠামোগত উন্নয়নে। সংঘাতের কারণে গত নির্বাচনে ভোট না হওয়া ১০২টি টাউনশিপে ২০২৭ সালে বিশেষ নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। একই সঙ্গে গণতন্ত্রকামী কর্মী ও জাতিগত বিদ্রোহীদের দমন করতে সেনাবাহিনী ও পুলিশকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিতর্কিত বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা আইন প্রয়োগ চালিয়ে যাওয়ার স্পষ্ট ঘোষণা দেন।
বিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র ত্যাগের আহ্বান জানিয়ে তিনি জানান, ইতোমধ্যে ১৩টি জাতিগত সশস্ত্র দলের সঙ্গে তার সরকার আলোচনা করেছে। একই সঙ্গে মিয়ানমার সংকট নিরসনে আঞ্চলিক জোট আসিয়ান-এর গৃহীত পাঁচ দফা ঐকমত্যের সমালোচনা করেন এ জান্তা প্রধান। এতে সব দেশের সম্মতি ছিল না এবং আসিয়ানের নীতি মিয়ানমারের প্রতি বৈষম্যমূলক বলেও উল্লেখ করেন তিনি। দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি মেটাতে এক দশক আগে স্থগিত হওয়া বিতর্কিত মিতসোন জলবিদ্যুৎ প্রকল্প পুনরুজ্জীবিত করা এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে সরকার এগোচ্ছে বলেও জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ও অনলাইন প্রতারণা চক্র মোকাবিলায় ৭২ হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কথা উল্লেখ করেন তিনি। দেশ থেকে বিপুলসংখ্যক তরুণের বিদেশে পাড়ি জমানোকে অর্থনীতির জন্য বাধা হিসেবে স্বীকার করলেও, বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগ আইনের কারণে যে তরুণরা দেশ ছাড়ছে- সে বিষয়টি তিনি পুরোপুরি এড়িয়ে যান। তবে বিরোধী জোট ‘জেনারেল স্ট্রাইক কোঅর্ডিনেশন বডি’ এ ভাষণের তীব্র সমালোচনা করেছে। জান্তা সরকারের নীতি মিয়ানমারকে আরও গভীর সংকটে ফেলবে এবং ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে তরুণদের জোর করে বলির পাঠা বানানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে জোটটি ।
সূত্র: এপি

গৃহযুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে থাকা মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং তার সরকারের প্রথম ১০০ দিন পূর্তিতে পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন। রাজধানী নেপিডোতে ৯০০ জনেরও বেশি আইনপ্রণেতা ও সামরিক কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ভাষণ দেন তিনি।
ভাষণে তার প্রশাসনের গৃহীত নানা পদক্ষেপের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। ২০২১ সালে বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখলের পর চলতি বছরের এপ্রিলে বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন সাবেক এ সেনাপ্রধান। ভাষণে তিনি নিজের অবস্থান শক্ত করার বার্তার পাশাপাশি দেশের ভবিষ্যৎ পথনকশাও উপস্থাপন করেন।
মিন অং হ্লাইং জানান, তার সরকার প্রথম দুই বছর দেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি তৈরি করতে কাজ করবে এবং পরবর্তী তিন বছর জোর দেবে অবকাঠামোগত উন্নয়নে। সংঘাতের কারণে গত নির্বাচনে ভোট না হওয়া ১০২টি টাউনশিপে ২০২৭ সালে বিশেষ নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। একই সঙ্গে গণতন্ত্রকামী কর্মী ও জাতিগত বিদ্রোহীদের দমন করতে সেনাবাহিনী ও পুলিশকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিতর্কিত বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা আইন প্রয়োগ চালিয়ে যাওয়ার স্পষ্ট ঘোষণা দেন।
বিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র ত্যাগের আহ্বান জানিয়ে তিনি জানান, ইতোমধ্যে ১৩টি জাতিগত সশস্ত্র দলের সঙ্গে তার সরকার আলোচনা করেছে। একই সঙ্গে মিয়ানমার সংকট নিরসনে আঞ্চলিক জোট আসিয়ান-এর গৃহীত পাঁচ দফা ঐকমত্যের সমালোচনা করেন এ জান্তা প্রধান। এতে সব দেশের সম্মতি ছিল না এবং আসিয়ানের নীতি মিয়ানমারের প্রতি বৈষম্যমূলক বলেও উল্লেখ করেন তিনি। দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি মেটাতে এক দশক আগে স্থগিত হওয়া বিতর্কিত মিতসোন জলবিদ্যুৎ প্রকল্প পুনরুজ্জীবিত করা এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে সরকার এগোচ্ছে বলেও জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ও অনলাইন প্রতারণা চক্র মোকাবিলায় ৭২ হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কথা উল্লেখ করেন তিনি। দেশ থেকে বিপুলসংখ্যক তরুণের বিদেশে পাড়ি জমানোকে অর্থনীতির জন্য বাধা হিসেবে স্বীকার করলেও, বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগ আইনের কারণে যে তরুণরা দেশ ছাড়ছে- সে বিষয়টি তিনি পুরোপুরি এড়িয়ে যান। তবে বিরোধী জোট ‘জেনারেল স্ট্রাইক কোঅর্ডিনেশন বডি’ এ ভাষণের তীব্র সমালোচনা করেছে। জান্তা সরকারের নীতি মিয়ানমারকে আরও গভীর সংকটে ফেলবে এবং ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে তরুণদের জোর করে বলির পাঠা বানানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে জোটটি ।
সূত্র: এপি

সরকারের ১০০ দিন: পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের
সিজেডএন ডেস্ক

গৃহযুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে থাকা মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং তার সরকারের প্রথম ১০০ দিন পূর্তিতে পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন। রাজধানী নেপিডোতে ৯০০ জনেরও বেশি আইনপ্রণেতা ও সামরিক কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ভাষণ দেন তিনি।
ভাষণে তার প্রশাসনের গৃহীত নানা পদক্ষেপের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। ২০২১ সালে বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখলের পর চলতি বছরের এপ্রিলে বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন সাবেক এ সেনাপ্রধান। ভাষণে তিনি নিজের অবস্থান শক্ত করার বার্তার পাশাপাশি দেশের ভবিষ্যৎ পথনকশাও উপস্থাপন করেন।
মিন অং হ্লাইং জানান, তার সরকার প্রথম দুই বছর দেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি তৈরি করতে কাজ করবে এবং পরবর্তী তিন বছর জোর দেবে অবকাঠামোগত উন্নয়নে। সংঘাতের কারণে গত নির্বাচনে ভোট না হওয়া ১০২টি টাউনশিপে ২০২৭ সালে বিশেষ নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। একই সঙ্গে গণতন্ত্রকামী কর্মী ও জাতিগত বিদ্রোহীদের দমন করতে সেনাবাহিনী ও পুলিশকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিতর্কিত বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা আইন প্রয়োগ চালিয়ে যাওয়ার স্পষ্ট ঘোষণা দেন।
বিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র ত্যাগের আহ্বান জানিয়ে তিনি জানান, ইতোমধ্যে ১৩টি জাতিগত সশস্ত্র দলের সঙ্গে তার সরকার আলোচনা করেছে। একই সঙ্গে মিয়ানমার সংকট নিরসনে আঞ্চলিক জোট আসিয়ান-এর গৃহীত পাঁচ দফা ঐকমত্যের সমালোচনা করেন এ জান্তা প্রধান। এতে সব দেশের সম্মতি ছিল না এবং আসিয়ানের নীতি মিয়ানমারের প্রতি বৈষম্যমূলক বলেও উল্লেখ করেন তিনি। দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি মেটাতে এক দশক আগে স্থগিত হওয়া বিতর্কিত মিতসোন জলবিদ্যুৎ প্রকল্প পুনরুজ্জীবিত করা এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে সরকার এগোচ্ছে বলেও জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ও অনলাইন প্রতারণা চক্র মোকাবিলায় ৭২ হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কথা উল্লেখ করেন তিনি। দেশ থেকে বিপুলসংখ্যক তরুণের বিদেশে পাড়ি জমানোকে অর্থনীতির জন্য বাধা হিসেবে স্বীকার করলেও, বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগ আইনের কারণে যে তরুণরা দেশ ছাড়ছে- সে বিষয়টি তিনি পুরোপুরি এড়িয়ে যান। তবে বিরোধী জোট ‘জেনারেল স্ট্রাইক কোঅর্ডিনেশন বডি’ এ ভাষণের তীব্র সমালোচনা করেছে। জান্তা সরকারের নীতি মিয়ানমারকে আরও গভীর সংকটে ফেলবে এবং ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে তরুণদের জোর করে বলির পাঠা বানানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে জোটটি ।
সূত্র: এপি

বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম
মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের







