যুক্তরাষ্ট্র-জাপানের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে দক্ষিণ কোরিয়া

যুক্তরাষ্ট্র-জাপানের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে দক্ষিণ কোরিয়া
সিজেডএন ডেস্ক

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি মোকাবিলার লক্ষ্যে ৭ সেপ্টেম্বর থেকে আবারও যৌথ সামরিক মহড়ায় নামছে দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান। ‘ফ্রিডম এজ’ নামের ৫ দিনব্যাপী এ ত্রিদেশীয় মহড়াটি অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ কোরিয়ার জেজু দ্বীপের উপকূলে। সিউলের সামরিক কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার চলমান ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ মহড়ার মেয়াদ নির্ধারিত সময়ের ৬ দিন আগেই শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কারণ হিসেবে কিম জং উনের সঙ্গে সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন তিনি। তবে ওয়াশিংটনের এ সদিচ্ছার আবেদন একবাক্যে প্রত্যাখ্যান করেছে পিয়ংইয়ং। তাদের বক্তব্য, সময় কিছুটা কমালেও মহড়ার ‘উস্কানিমূলক ও আগ্রাসী’ স্বভাব বিন্দুমাত্র বদলায়নি।
একই সঙ্গে ত্রিদেশীয় মহড়াকে ‘বেপরোয়া শক্তি প্রদর্শন’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে পিয়ংইয়ং অভিযোগ করেছে, এর পেছনে চীনকে ঘেরাও করা এবং রাশিয়াকে চাপে রাখার মার্কিন কৌশল কাজ করছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক বৈরী পদক্ষেপ গ্রহণের অভিযোগ তুলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া এ ধরণের বৈরী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে গুরুতর, তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী জবাব দেবে। বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির তোড়জোড় পিয়ংইয়ংকে আরও বেশি ক্ষুব্ধ করে তুলেছে।
পিয়ংইয়ং আগেই জানিয়েছে, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের পূর্বশর্ত প্রত্যাহার না করলে তারা কোনো আলোচনায় বসবে না। ২০১৯ সালে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রথম ধাপের বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে কিম জং উন তার পরমাণু ভাণ্ডার অনেক শক্তিশালী করেছেন। ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার সঙ্গেও মিত্রতা গড়ে তুলেছেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কূটনৈতিক ও সামরিকভাবে আগের চেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকায় কিম এখন আর পরমাণু অস্ত্র সমর্পণে আগ্রহী নন। উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়া এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার মতো বড় কোনো পদক্ষেপ ছাড়া মার্কিনদের সঙ্গে সমঝোতায় আসার সুযোগ কম।
সূত্র: এবিসি নিউজ

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি মোকাবিলার লক্ষ্যে ৭ সেপ্টেম্বর থেকে আবারও যৌথ সামরিক মহড়ায় নামছে দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান। ‘ফ্রিডম এজ’ নামের ৫ দিনব্যাপী এ ত্রিদেশীয় মহড়াটি অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ কোরিয়ার জেজু দ্বীপের উপকূলে। সিউলের সামরিক কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার চলমান ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ মহড়ার মেয়াদ নির্ধারিত সময়ের ৬ দিন আগেই শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কারণ হিসেবে কিম জং উনের সঙ্গে সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন তিনি। তবে ওয়াশিংটনের এ সদিচ্ছার আবেদন একবাক্যে প্রত্যাখ্যান করেছে পিয়ংইয়ং। তাদের বক্তব্য, সময় কিছুটা কমালেও মহড়ার ‘উস্কানিমূলক ও আগ্রাসী’ স্বভাব বিন্দুমাত্র বদলায়নি।
একই সঙ্গে ত্রিদেশীয় মহড়াকে ‘বেপরোয়া শক্তি প্রদর্শন’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে পিয়ংইয়ং অভিযোগ করেছে, এর পেছনে চীনকে ঘেরাও করা এবং রাশিয়াকে চাপে রাখার মার্কিন কৌশল কাজ করছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক বৈরী পদক্ষেপ গ্রহণের অভিযোগ তুলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া এ ধরণের বৈরী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে গুরুতর, তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী জবাব দেবে। বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির তোড়জোড় পিয়ংইয়ংকে আরও বেশি ক্ষুব্ধ করে তুলেছে।
পিয়ংইয়ং আগেই জানিয়েছে, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের পূর্বশর্ত প্রত্যাহার না করলে তারা কোনো আলোচনায় বসবে না। ২০১৯ সালে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রথম ধাপের বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে কিম জং উন তার পরমাণু ভাণ্ডার অনেক শক্তিশালী করেছেন। ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার সঙ্গেও মিত্রতা গড়ে তুলেছেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কূটনৈতিক ও সামরিকভাবে আগের চেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকায় কিম এখন আর পরমাণু অস্ত্র সমর্পণে আগ্রহী নন। উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়া এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার মতো বড় কোনো পদক্ষেপ ছাড়া মার্কিনদের সঙ্গে সমঝোতায় আসার সুযোগ কম।
সূত্র: এবিসি নিউজ

যুক্তরাষ্ট্র-জাপানের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে দক্ষিণ কোরিয়া
সিজেডএন ডেস্ক

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি মোকাবিলার লক্ষ্যে ৭ সেপ্টেম্বর থেকে আবারও যৌথ সামরিক মহড়ায় নামছে দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান। ‘ফ্রিডম এজ’ নামের ৫ দিনব্যাপী এ ত্রিদেশীয় মহড়াটি অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ কোরিয়ার জেজু দ্বীপের উপকূলে। সিউলের সামরিক কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার চলমান ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ মহড়ার মেয়াদ নির্ধারিত সময়ের ৬ দিন আগেই শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কারণ হিসেবে কিম জং উনের সঙ্গে সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন তিনি। তবে ওয়াশিংটনের এ সদিচ্ছার আবেদন একবাক্যে প্রত্যাখ্যান করেছে পিয়ংইয়ং। তাদের বক্তব্য, সময় কিছুটা কমালেও মহড়ার ‘উস্কানিমূলক ও আগ্রাসী’ স্বভাব বিন্দুমাত্র বদলায়নি।
একই সঙ্গে ত্রিদেশীয় মহড়াকে ‘বেপরোয়া শক্তি প্রদর্শন’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে পিয়ংইয়ং অভিযোগ করেছে, এর পেছনে চীনকে ঘেরাও করা এবং রাশিয়াকে চাপে রাখার মার্কিন কৌশল কাজ করছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক বৈরী পদক্ষেপ গ্রহণের অভিযোগ তুলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া এ ধরণের বৈরী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে গুরুতর, তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী জবাব দেবে। বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির তোড়জোড় পিয়ংইয়ংকে আরও বেশি ক্ষুব্ধ করে তুলেছে।
পিয়ংইয়ং আগেই জানিয়েছে, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের পূর্বশর্ত প্রত্যাহার না করলে তারা কোনো আলোচনায় বসবে না। ২০১৯ সালে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রথম ধাপের বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে কিম জং উন তার পরমাণু ভাণ্ডার অনেক শক্তিশালী করেছেন। ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার সঙ্গেও মিত্রতা গড়ে তুলেছেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কূটনৈতিক ও সামরিকভাবে আগের চেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকায় কিম এখন আর পরমাণু অস্ত্র সমর্পণে আগ্রহী নন। উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়া এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার মতো বড় কোনো পদক্ষেপ ছাড়া মার্কিনদের সঙ্গে সমঝোতায় আসার সুযোগ কম।
সূত্র: এবিসি নিউজ

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক মহড়া কমানোর ঘোষণা ট্রাম্পের







