২৭ বছর পর বিচারের মুখোমুখি ৯/১১ হামলার মাস্টারমাইন্ড

২৭ বছর পর বিচারের মুখোমুখি ৯/১১ হামলার মাস্টারমাইন্ড
সিজেডএন ডেস্ক

আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা ৯/১১-এর প্রধান পরিকল্পনাকারী খালিদ শেখ মোহাম্মদের বিচার শুরুর নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে মার্কিন সামরিক আদালত। ঘটনার ২৭ বছর পর ২০২৮ সালের ৫ জুন থেকে এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারিক কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সামরিক আদালতের বিচারক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বিমান বাহিনী) মাইকেল এ. স্ক্রামা এক লিখিত আদেশে এ দিনক্ষণ চূড়ান্ত করেন।
বিচারক স্ক্রামা আদেশে উল্লেখ করেন, আদালত মূলত ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই বিচারিক কাজ শুরু করতে চেয়েছিলেন। তবে বিচারের কাঠগড়ায় ঠিক কোন কোন সাক্ষ্য ও প্রমাণ উপস্থাপন করা আইনসম্মত হবে, তা নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের মধ্যে কিছু আইনি দ্বিমত রয়েছে। এই জটিলতা নিষ্পত্তি এবং বিচার-পূর্ব নানা বিবাদ সমাধানের জন্য বাড়তি সময়ের প্রয়োজন হওয়ায় বিচার পিছিয়ে ২০২৮ সালে নিতে হয়েছে। এর আগেও ২০২১ সালে একবার খালিদের বিচারের তারিখ নির্ধারণ করা হলেও নানা আইনি জটিলতায় তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে নির্ধারিত তারিখে বিচার শুরু হওয়া নিয়েও একধরনের অনিশ্চয়তা থেকে যায়।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল-কায়েদার ১৯ জন সদস্য ৪টি বাণিজ্যিক বিমান ছিনতাই করে নিউ ইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ার এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দফতর পেন্টাগনে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলা চালায়। এই নৃসংশতায় প্রাণ হারান প্রায় ২ হাজার ৯৭৭ জন মানুষ। এই পুরো হামলার ছক আঁকা ও নির্দেশ দেওয়ার মূল অভিযোগ খালিদ শেখ মোহাম্মদের বিরুদ্ধে। এ কাজে তাকে প্রত্যক্ষ সহায়তা করার অভিযোগে ওয়ালিদ বিন আত্তাশ, আলী আবদুল আজিজ আলী এবং মুস্তফা আল হাওসাউই নামের আরও তিনজনের বিরুদ্ধেও পৃথক সামরিক আদালতে বিচার চলছে।
ঐতিহাসিক হামলায় অংশ নেওয়া ১৯ জন সন্ত্রাসীর মধ্যে ১৫ জনই ছিলেন সৌদি আরবের নাগরিক। বাকিদের মধ্যে ২ জন সংযুক্ত আরব আমিরাতের এবং ১ জন করে মিসর ও লেবাননের নাগরিক ছিলেন। বর্তমানে খালিদ শেখ মোহাম্মদ ও তার তিন সহযোগীকে কিউবার বিতর্কিত গুয়ান্তানামো বে-তে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটির উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত বন্দিশালায় রাখা হয়েছে।
সূত্র: সিএনএন

আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা ৯/১১-এর প্রধান পরিকল্পনাকারী খালিদ শেখ মোহাম্মদের বিচার শুরুর নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে মার্কিন সামরিক আদালত। ঘটনার ২৭ বছর পর ২০২৮ সালের ৫ জুন থেকে এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারিক কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সামরিক আদালতের বিচারক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বিমান বাহিনী) মাইকেল এ. স্ক্রামা এক লিখিত আদেশে এ দিনক্ষণ চূড়ান্ত করেন।
বিচারক স্ক্রামা আদেশে উল্লেখ করেন, আদালত মূলত ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই বিচারিক কাজ শুরু করতে চেয়েছিলেন। তবে বিচারের কাঠগড়ায় ঠিক কোন কোন সাক্ষ্য ও প্রমাণ উপস্থাপন করা আইনসম্মত হবে, তা নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের মধ্যে কিছু আইনি দ্বিমত রয়েছে। এই জটিলতা নিষ্পত্তি এবং বিচার-পূর্ব নানা বিবাদ সমাধানের জন্য বাড়তি সময়ের প্রয়োজন হওয়ায় বিচার পিছিয়ে ২০২৮ সালে নিতে হয়েছে। এর আগেও ২০২১ সালে একবার খালিদের বিচারের তারিখ নির্ধারণ করা হলেও নানা আইনি জটিলতায় তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে নির্ধারিত তারিখে বিচার শুরু হওয়া নিয়েও একধরনের অনিশ্চয়তা থেকে যায়।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল-কায়েদার ১৯ জন সদস্য ৪টি বাণিজ্যিক বিমান ছিনতাই করে নিউ ইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ার এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দফতর পেন্টাগনে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলা চালায়। এই নৃসংশতায় প্রাণ হারান প্রায় ২ হাজার ৯৭৭ জন মানুষ। এই পুরো হামলার ছক আঁকা ও নির্দেশ দেওয়ার মূল অভিযোগ খালিদ শেখ মোহাম্মদের বিরুদ্ধে। এ কাজে তাকে প্রত্যক্ষ সহায়তা করার অভিযোগে ওয়ালিদ বিন আত্তাশ, আলী আবদুল আজিজ আলী এবং মুস্তফা আল হাওসাউই নামের আরও তিনজনের বিরুদ্ধেও পৃথক সামরিক আদালতে বিচার চলছে।
ঐতিহাসিক হামলায় অংশ নেওয়া ১৯ জন সন্ত্রাসীর মধ্যে ১৫ জনই ছিলেন সৌদি আরবের নাগরিক। বাকিদের মধ্যে ২ জন সংযুক্ত আরব আমিরাতের এবং ১ জন করে মিসর ও লেবাননের নাগরিক ছিলেন। বর্তমানে খালিদ শেখ মোহাম্মদ ও তার তিন সহযোগীকে কিউবার বিতর্কিত গুয়ান্তানামো বে-তে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটির উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত বন্দিশালায় রাখা হয়েছে।
সূত্র: সিএনএন

২৭ বছর পর বিচারের মুখোমুখি ৯/১১ হামলার মাস্টারমাইন্ড
সিজেডএন ডেস্ক

আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা ৯/১১-এর প্রধান পরিকল্পনাকারী খালিদ শেখ মোহাম্মদের বিচার শুরুর নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে মার্কিন সামরিক আদালত। ঘটনার ২৭ বছর পর ২০২৮ সালের ৫ জুন থেকে এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারিক কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সামরিক আদালতের বিচারক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বিমান বাহিনী) মাইকেল এ. স্ক্রামা এক লিখিত আদেশে এ দিনক্ষণ চূড়ান্ত করেন।
বিচারক স্ক্রামা আদেশে উল্লেখ করেন, আদালত মূলত ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই বিচারিক কাজ শুরু করতে চেয়েছিলেন। তবে বিচারের কাঠগড়ায় ঠিক কোন কোন সাক্ষ্য ও প্রমাণ উপস্থাপন করা আইনসম্মত হবে, তা নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের মধ্যে কিছু আইনি দ্বিমত রয়েছে। এই জটিলতা নিষ্পত্তি এবং বিচার-পূর্ব নানা বিবাদ সমাধানের জন্য বাড়তি সময়ের প্রয়োজন হওয়ায় বিচার পিছিয়ে ২০২৮ সালে নিতে হয়েছে। এর আগেও ২০২১ সালে একবার খালিদের বিচারের তারিখ নির্ধারণ করা হলেও নানা আইনি জটিলতায় তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে নির্ধারিত তারিখে বিচার শুরু হওয়া নিয়েও একধরনের অনিশ্চয়তা থেকে যায়।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল-কায়েদার ১৯ জন সদস্য ৪টি বাণিজ্যিক বিমান ছিনতাই করে নিউ ইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ার এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দফতর পেন্টাগনে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলা চালায়। এই নৃসংশতায় প্রাণ হারান প্রায় ২ হাজার ৯৭৭ জন মানুষ। এই পুরো হামলার ছক আঁকা ও নির্দেশ দেওয়ার মূল অভিযোগ খালিদ শেখ মোহাম্মদের বিরুদ্ধে। এ কাজে তাকে প্রত্যক্ষ সহায়তা করার অভিযোগে ওয়ালিদ বিন আত্তাশ, আলী আবদুল আজিজ আলী এবং মুস্তফা আল হাওসাউই নামের আরও তিনজনের বিরুদ্ধেও পৃথক সামরিক আদালতে বিচার চলছে।
ঐতিহাসিক হামলায় অংশ নেওয়া ১৯ জন সন্ত্রাসীর মধ্যে ১৫ জনই ছিলেন সৌদি আরবের নাগরিক। বাকিদের মধ্যে ২ জন সংযুক্ত আরব আমিরাতের এবং ১ জন করে মিসর ও লেবাননের নাগরিক ছিলেন। বর্তমানে খালিদ শেখ মোহাম্মদ ও তার তিন সহযোগীকে কিউবার বিতর্কিত গুয়ান্তানামো বে-তে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটির উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত বন্দিশালায় রাখা হয়েছে।
সূত্র: সিএনএন

হরমুজ প্রণালি খুললে নিষেধাজ্ঞা তুলবে যুক্তরাষ্ট্র






