হরমুজ প্রণালি থেকে সব মাইন সরানো হয়েছে: ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালি থেকে সব মাইন সরানো হয়েছে: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের পুঁতে রাখা সব মাইন সরিয়ে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে পুরোপুরি চলাচলের উপযোগী করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও দাবি করেন।
ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যাল পোস্ট অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা বাহিনীর স্যাটেলাইট ও স্পেস ফোর্সের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় হরমুজ প্রণালির প্রতিটি ইঞ্চিতে নিখুঁত অনুসন্ধান চালিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। প্রণালিটি এখন সম্পূর্ণ নিরাপদ। তবে তিনি জানান, এ জলপথে পুনরায় মাইন পাতার কোনো চেষ্টা করা হলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর করা হবে। মাইন বসাতে আসা যেকোনো যুদ্ধজাহাজ বা নৌযান দেখামাত্রই তা ধ্বংস করার জন্য মার্কিন বাহিনীকে সরাসরি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রণালি বিশ্বজুড়ে জ্বালানি পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট। বিশ্ববাজারে সরবরাহ করা মোট জ্বালানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশই এই সংকীর্ণ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ করা হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর তেহরান এ পথে জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়। পাল্টা জবাব হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের সমুদ্রবন্দরগুলো অবরুদ্ধ করার ঘোষণা দেয়। তখন যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ আটকাতে এবং প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতে জলমাইন স্থাপন করে ইরানি সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
এ অচলাবস্থা কাটাতে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে হরমুজ প্রণালিকে মাইনমুক্ত করার ঘোষণা দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী এপ্রিলের মাঝামাঝিতে মাইন খোঁজা ও ধ্বংস করার জন্য ‘লিটোরাল কমব্যাট শিপ’ নামের বিশেষ আধুনিক যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে মার্কিন বাহিনী। পেন্টাগন তখন জানিয়েছিল, পুরো প্রণালি মাইনমুক্ত করতে অন্তত ৬ মাস সময় লেগে যেতে পারে। তবে সেই আনুমানিক সময়ের দুই মাস আগেই, মাত্র চার মাসের মাথায় মাইন অপসারণের কাজ সফলভাবে শেষ করার কথা জানাল ওয়াশিংটন।
সূত্র: রয়টার্স

ইরানের পুঁতে রাখা সব মাইন সরিয়ে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে পুরোপুরি চলাচলের উপযোগী করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও দাবি করেন।
ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যাল পোস্ট অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা বাহিনীর স্যাটেলাইট ও স্পেস ফোর্সের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় হরমুজ প্রণালির প্রতিটি ইঞ্চিতে নিখুঁত অনুসন্ধান চালিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। প্রণালিটি এখন সম্পূর্ণ নিরাপদ। তবে তিনি জানান, এ জলপথে পুনরায় মাইন পাতার কোনো চেষ্টা করা হলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর করা হবে। মাইন বসাতে আসা যেকোনো যুদ্ধজাহাজ বা নৌযান দেখামাত্রই তা ধ্বংস করার জন্য মার্কিন বাহিনীকে সরাসরি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রণালি বিশ্বজুড়ে জ্বালানি পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট। বিশ্ববাজারে সরবরাহ করা মোট জ্বালানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশই এই সংকীর্ণ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ করা হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর তেহরান এ পথে জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়। পাল্টা জবাব হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের সমুদ্রবন্দরগুলো অবরুদ্ধ করার ঘোষণা দেয়। তখন যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ আটকাতে এবং প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতে জলমাইন স্থাপন করে ইরানি সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
এ অচলাবস্থা কাটাতে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে হরমুজ প্রণালিকে মাইনমুক্ত করার ঘোষণা দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী এপ্রিলের মাঝামাঝিতে মাইন খোঁজা ও ধ্বংস করার জন্য ‘লিটোরাল কমব্যাট শিপ’ নামের বিশেষ আধুনিক যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে মার্কিন বাহিনী। পেন্টাগন তখন জানিয়েছিল, পুরো প্রণালি মাইনমুক্ত করতে অন্তত ৬ মাস সময় লেগে যেতে পারে। তবে সেই আনুমানিক সময়ের দুই মাস আগেই, মাত্র চার মাসের মাথায় মাইন অপসারণের কাজ সফলভাবে শেষ করার কথা জানাল ওয়াশিংটন।
সূত্র: রয়টার্স

হরমুজ প্রণালি থেকে সব মাইন সরানো হয়েছে: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের পুঁতে রাখা সব মাইন সরিয়ে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে পুরোপুরি চলাচলের উপযোগী করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও দাবি করেন।
ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যাল পোস্ট অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা বাহিনীর স্যাটেলাইট ও স্পেস ফোর্সের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় হরমুজ প্রণালির প্রতিটি ইঞ্চিতে নিখুঁত অনুসন্ধান চালিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। প্রণালিটি এখন সম্পূর্ণ নিরাপদ। তবে তিনি জানান, এ জলপথে পুনরায় মাইন পাতার কোনো চেষ্টা করা হলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর করা হবে। মাইন বসাতে আসা যেকোনো যুদ্ধজাহাজ বা নৌযান দেখামাত্রই তা ধ্বংস করার জন্য মার্কিন বাহিনীকে সরাসরি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রণালি বিশ্বজুড়ে জ্বালানি পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট। বিশ্ববাজারে সরবরাহ করা মোট জ্বালানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশই এই সংকীর্ণ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ করা হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর তেহরান এ পথে জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়। পাল্টা জবাব হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের সমুদ্রবন্দরগুলো অবরুদ্ধ করার ঘোষণা দেয়। তখন যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ আটকাতে এবং প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতে জলমাইন স্থাপন করে ইরানি সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
এ অচলাবস্থা কাটাতে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে হরমুজ প্রণালিকে মাইনমুক্ত করার ঘোষণা দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী এপ্রিলের মাঝামাঝিতে মাইন খোঁজা ও ধ্বংস করার জন্য ‘লিটোরাল কমব্যাট শিপ’ নামের বিশেষ আধুনিক যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে মার্কিন বাহিনী। পেন্টাগন তখন জানিয়েছিল, পুরো প্রণালি মাইনমুক্ত করতে অন্তত ৬ মাস সময় লেগে যেতে পারে। তবে সেই আনুমানিক সময়ের দুই মাস আগেই, মাত্র চার মাসের মাথায় মাইন অপসারণের কাজ সফলভাবে শেষ করার কথা জানাল ওয়াশিংটন।
সূত্র: রয়টার্স

ট্রাম্পের ছেলেকে হত্যায় ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা, তদন্তে সিক্রেট সার্ভিস



-CznNewsLab-286973.jpg)

