নাটালির সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্কের গুঞ্জন, মেলানিয়ার উদ্বেগ

নাটালির সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্কের গুঞ্জন, মেলানিয়ার উদ্বেগ
সিজেডএন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার তরুণ সহযোগী নাটালি হার্পের পেশাগত সম্পর্কের ধরন নিয়ে মার্কিন রাজনীতিতে আলোচনা বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের প্রায় প্রতিটি কর্মসূচিতে নাটালিকে ধারাবাহিকভাবে উপস্থিত থাকতে দেখা যাচ্ছে। এ বিষয়টি মেলানিয়া ট্রাম্পের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে খবর মিললেও, এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাননি তিনি।
(রবিবার ১৬ই আগস্ট) সিনেটর জন অসফ রসিকতা করে দাবি করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প কাজের চেয়ে তার বলরুম এবং নাটালির সঙ্গে ভ্রমণ নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন। এর পরই এ আলোচনা নতুন মাত্রা পায়। অসফের মন্তব্যের পর প্রশাসনের কর্মকর্তারা দ্রুত ট্রাম্পের পক্ষেই অবস্থান নেন। তবে সূত্রের খবর, ব্যক্তিগত জীবনের বিষয় সংবাদ শিরোনামে এলে ‘ট্রাম্প নিজেই সত্যিই প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন।’ অন্যদিকে, বারবার ভেসে আসা এসব খবরে ক্লান্ত হলেও মেলানিয়া নীরব ভূমিকা পালন করছেন। একটি অভ্যন্তরীণ সূত্র সেমাফরকে জানিয়েছে, ‘মেলানিয়া ট্রাম্প এ ধরনের বিষয় পছন্দ করেন না।’
ট্রাম্প-নাটালির এ অস্বাভাবিক সম্পর্ক নিয়ে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এমনকি নাটালির বিচ্ছেদপ্রাপ্ত ভাই প্রেস্টন হার্প ডেইলি মেইলকে জানান, ট্রাম্পের সঙ্গে তার বোনের সম্পর্ক ছিল খুবই অস্বস্তিকর। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লেখা এক চিঠিতে নাটালি বলেছিলেন, ‘আমার কাছে আপনিই সবকিছু’।
ট্রাম্পের কাছাকাছি থাকার বিষয়ে নাটালির একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এনেছেন সিএনএন-এর সাংবাদিক ক্রিস্টেন হোমস ও অ্যাডাম ক্যানক্রিন। আদালতে হাজিরার জন্য ট্রাম্প যখন ট্রাম্প টাওয়ার ছাড়ছিলেন, তখন কর্মীরা নাটালিকে জানান যে গাড়িতে কোনো জায়গা খালি নেই। কিন্তু তিনি সে কথা না শুনে সোজা একটি এসইউভতে উঠে পড়েন। নাটালি হার্পের এমন কর্মকাণ্ড বর্তমানে ঊর্ধ্বতন সহকারীদের পাশাপাশি মেলানিয়া ট্রাম্পের হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: ইয়াহু নিউজ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার তরুণ সহযোগী নাটালি হার্পের পেশাগত সম্পর্কের ধরন নিয়ে মার্কিন রাজনীতিতে আলোচনা বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের প্রায় প্রতিটি কর্মসূচিতে নাটালিকে ধারাবাহিকভাবে উপস্থিত থাকতে দেখা যাচ্ছে। এ বিষয়টি মেলানিয়া ট্রাম্পের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে খবর মিললেও, এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাননি তিনি।
(রবিবার ১৬ই আগস্ট) সিনেটর জন অসফ রসিকতা করে দাবি করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প কাজের চেয়ে তার বলরুম এবং নাটালির সঙ্গে ভ্রমণ নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন। এর পরই এ আলোচনা নতুন মাত্রা পায়। অসফের মন্তব্যের পর প্রশাসনের কর্মকর্তারা দ্রুত ট্রাম্পের পক্ষেই অবস্থান নেন। তবে সূত্রের খবর, ব্যক্তিগত জীবনের বিষয় সংবাদ শিরোনামে এলে ‘ট্রাম্প নিজেই সত্যিই প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন।’ অন্যদিকে, বারবার ভেসে আসা এসব খবরে ক্লান্ত হলেও মেলানিয়া নীরব ভূমিকা পালন করছেন। একটি অভ্যন্তরীণ সূত্র সেমাফরকে জানিয়েছে, ‘মেলানিয়া ট্রাম্প এ ধরনের বিষয় পছন্দ করেন না।’
ট্রাম্প-নাটালির এ অস্বাভাবিক সম্পর্ক নিয়ে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এমনকি নাটালির বিচ্ছেদপ্রাপ্ত ভাই প্রেস্টন হার্প ডেইলি মেইলকে জানান, ট্রাম্পের সঙ্গে তার বোনের সম্পর্ক ছিল খুবই অস্বস্তিকর। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লেখা এক চিঠিতে নাটালি বলেছিলেন, ‘আমার কাছে আপনিই সবকিছু’।
ট্রাম্পের কাছাকাছি থাকার বিষয়ে নাটালির একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এনেছেন সিএনএন-এর সাংবাদিক ক্রিস্টেন হোমস ও অ্যাডাম ক্যানক্রিন। আদালতে হাজিরার জন্য ট্রাম্প যখন ট্রাম্প টাওয়ার ছাড়ছিলেন, তখন কর্মীরা নাটালিকে জানান যে গাড়িতে কোনো জায়গা খালি নেই। কিন্তু তিনি সে কথা না শুনে সোজা একটি এসইউভতে উঠে পড়েন। নাটালি হার্পের এমন কর্মকাণ্ড বর্তমানে ঊর্ধ্বতন সহকারীদের পাশাপাশি মেলানিয়া ট্রাম্পের হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: ইয়াহু নিউজ

নাটালির সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্কের গুঞ্জন, মেলানিয়ার উদ্বেগ
সিজেডএন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার তরুণ সহযোগী নাটালি হার্পের পেশাগত সম্পর্কের ধরন নিয়ে মার্কিন রাজনীতিতে আলোচনা বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের প্রায় প্রতিটি কর্মসূচিতে নাটালিকে ধারাবাহিকভাবে উপস্থিত থাকতে দেখা যাচ্ছে। এ বিষয়টি মেলানিয়া ট্রাম্পের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে খবর মিললেও, এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাননি তিনি।
(রবিবার ১৬ই আগস্ট) সিনেটর জন অসফ রসিকতা করে দাবি করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প কাজের চেয়ে তার বলরুম এবং নাটালির সঙ্গে ভ্রমণ নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন। এর পরই এ আলোচনা নতুন মাত্রা পায়। অসফের মন্তব্যের পর প্রশাসনের কর্মকর্তারা দ্রুত ট্রাম্পের পক্ষেই অবস্থান নেন। তবে সূত্রের খবর, ব্যক্তিগত জীবনের বিষয় সংবাদ শিরোনামে এলে ‘ট্রাম্প নিজেই সত্যিই প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন।’ অন্যদিকে, বারবার ভেসে আসা এসব খবরে ক্লান্ত হলেও মেলানিয়া নীরব ভূমিকা পালন করছেন। একটি অভ্যন্তরীণ সূত্র সেমাফরকে জানিয়েছে, ‘মেলানিয়া ট্রাম্প এ ধরনের বিষয় পছন্দ করেন না।’
ট্রাম্প-নাটালির এ অস্বাভাবিক সম্পর্ক নিয়ে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এমনকি নাটালির বিচ্ছেদপ্রাপ্ত ভাই প্রেস্টন হার্প ডেইলি মেইলকে জানান, ট্রাম্পের সঙ্গে তার বোনের সম্পর্ক ছিল খুবই অস্বস্তিকর। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লেখা এক চিঠিতে নাটালি বলেছিলেন, ‘আমার কাছে আপনিই সবকিছু’।
ট্রাম্পের কাছাকাছি থাকার বিষয়ে নাটালির একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এনেছেন সিএনএন-এর সাংবাদিক ক্রিস্টেন হোমস ও অ্যাডাম ক্যানক্রিন। আদালতে হাজিরার জন্য ট্রাম্প যখন ট্রাম্প টাওয়ার ছাড়ছিলেন, তখন কর্মীরা নাটালিকে জানান যে গাড়িতে কোনো জায়গা খালি নেই। কিন্তু তিনি সে কথা না শুনে সোজা একটি এসইউভতে উঠে পড়েন। নাটালি হার্পের এমন কর্মকাণ্ড বর্তমানে ঊর্ধ্বতন সহকারীদের পাশাপাশি মেলানিয়া ট্রাম্পের হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: ইয়াহু নিউজ

হরমুজকে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ উল্লেখ করে মানচিত্র প্রকাশ ট্রাম্পের






