মুগদা হাসপাতালে ২০০ রোগীর বিপরীতে এক ডাক্তার, দুই নার্স

মুগদা হাসপাতালে ২০০ রোগীর বিপরীতে এক ডাক্তার, দুই নার্স
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রামপুরার বাসিন্দা আলী আকবর। চারদিনের চিকিৎসায় তিনি এখন বিপদমুক্ত। তবে হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ রয়েছে তার। আলী আকবর বলেন, ‘এখানে প্রায় ২০০ রোগী চিকিৎসাধীন। অথচ তাদের জন্য রয়েছে মাত্র চারটি ওয়াশরুম। অতিরিক্ত রোগীর চাপে ওয়াশরুমগুলোর অবস্থাও খুব খারাপ। আমি হাসপাতালে গত শুক্রবার ভর্তি হয়েছি।
আগস্টের শেষ থেকে গতকাল পর্যন্ত মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৫০ জনের বেশি নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। রোস্টার অনুযায়ী, সকালের শিফটে তুলনামূলক বেশি চিকিৎসক ও নার্স দায়িত্ব পালন করেন। তবে দুপুর ও রাতের শিফটে প্রায় ২০০ রোগীর জন্য থাকছেন মাত্র একজন চিকিৎসক ও দুই জন নার্স। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, জনবল সংকটের কারণে রোগীর এ চাপ সামাল দেয়া কঠিন হয়ে উঠেছে।
সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ডেঙ্গু ওয়ার্ডে নির্ধারিত শয্যা মাত্র ৪০টি। গতকাল সোমবার সেখানে চিকিৎসাধীন ছিল ১৯০ জন। ফলে শয্যা না পাওয়া দেড় শতাধিক রোগী মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিচ্ছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শুরু থেকেই ওয়ার্ডটিতে ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। গতকাল ভর্তি ছিল ১৯০ জন। ৬ সেপ্টেম্বর ২০০ জন, ৫ সেপ্টেম্বর ১৯২, ৪ সেপ্টেম্বর ১৭৯, ৩ সেপ্টেম্বর ১৮০, ২ সেপ্টেম্বর ১৮০ ও ১ সেপ্টেম্বর ১৭৭ জন চিকিৎসাধীন ছিল।
একই সময়ে প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছে। গতকাল নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৪৫ জন। আগের দিন ৬ সেপ্টেম্বর ৬৬ জন, ৫ সেপ্টেম্বর ৩৬, ৪ সেপ্টেম্বর ৬৯, ৩ সেপ্টেম্বর ৫২, ২ সেপ্টেম্বর ৪১ ও ১ সেপ্টেম্বর ৪৭ জন ভর্তি হয়।
অতিরিক্ত রোগীর চাপে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান ডেঙ্গু ওয়ার্ডে কর্তব্যরত এক নার্স। পরিস্থিতি বোঝাতে তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে এক রোগীকে জরুরি ভিত্তিতে আইসিইউতে নেওয়া প্রয়োজন। একই সময়ে আরো কয়েকজন গুরুতর রোগীর স্বজন আমাকে ডাকছেন। এখন আমি কোন দিকে যাব? রোগী এত বেশি হলে সব প্রটোকল মেনে সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না।’
কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকালের শিফটে রোগীর চাপ তুলনামূলক বেশি থাকায় তিন-চারজন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় দুজন নার্স ও দুজন ইন্টার্ন চিকিৎসকও দায়িত্বে থাকেন। তবে বেলা ২টা থেকে রাত ৮টা এবং রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু ওয়ার্ডে দায়িত্ব পালন করেন মাত্র একজন চিকিৎসক ও দুজন নার্স। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও নার্সরা জানান, রোগীর অতিরিক্ত চাপের কারণে তাদের নির্ধারিত সময়ের বাইরেও দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এরই মধ্যে ডেঙ্গু ওয়ার্ডের পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে চিকিৎসক ও নার্স সংকটের কারণে তা বাস্তবায়নে বিলম্ব হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ প্রসঙ্গে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মো. নুরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ রোগীর চাপ রয়েছে। তাই অনেক রোগীকে মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। চিকিৎসক ও নার্সেরও বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে।
রোগী ও স্বজনদের মধ্যে মশারি টানানো নিয়ে গাফিলতি রয়েছে। ফলে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় মশারি ব্যবহারের নির্দেশনা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না। রোগীদের মধ্যে সচেতনতার ঘাটতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিটি রোগীকেই একটি করে মশারি দিই। কিন্তু বেশির ভাগ রোগীই মশারি টানান না। আমরা বারবার বলার পরও অনেকেই এ বিষয়ে উদাসীন থাকেন।’

রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রামপুরার বাসিন্দা আলী আকবর। চারদিনের চিকিৎসায় তিনি এখন বিপদমুক্ত। তবে হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ রয়েছে তার। আলী আকবর বলেন, ‘এখানে প্রায় ২০০ রোগী চিকিৎসাধীন। অথচ তাদের জন্য রয়েছে মাত্র চারটি ওয়াশরুম। অতিরিক্ত রোগীর চাপে ওয়াশরুমগুলোর অবস্থাও খুব খারাপ। আমি হাসপাতালে গত শুক্রবার ভর্তি হয়েছি।
আগস্টের শেষ থেকে গতকাল পর্যন্ত মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৫০ জনের বেশি নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। রোস্টার অনুযায়ী, সকালের শিফটে তুলনামূলক বেশি চিকিৎসক ও নার্স দায়িত্ব পালন করেন। তবে দুপুর ও রাতের শিফটে প্রায় ২০০ রোগীর জন্য থাকছেন মাত্র একজন চিকিৎসক ও দুই জন নার্স। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, জনবল সংকটের কারণে রোগীর এ চাপ সামাল দেয়া কঠিন হয়ে উঠেছে।
সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ডেঙ্গু ওয়ার্ডে নির্ধারিত শয্যা মাত্র ৪০টি। গতকাল সোমবার সেখানে চিকিৎসাধীন ছিল ১৯০ জন। ফলে শয্যা না পাওয়া দেড় শতাধিক রোগী মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিচ্ছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শুরু থেকেই ওয়ার্ডটিতে ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। গতকাল ভর্তি ছিল ১৯০ জন। ৬ সেপ্টেম্বর ২০০ জন, ৫ সেপ্টেম্বর ১৯২, ৪ সেপ্টেম্বর ১৭৯, ৩ সেপ্টেম্বর ১৮০, ২ সেপ্টেম্বর ১৮০ ও ১ সেপ্টেম্বর ১৭৭ জন চিকিৎসাধীন ছিল।
একই সময়ে প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছে। গতকাল নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৪৫ জন। আগের দিন ৬ সেপ্টেম্বর ৬৬ জন, ৫ সেপ্টেম্বর ৩৬, ৪ সেপ্টেম্বর ৬৯, ৩ সেপ্টেম্বর ৫২, ২ সেপ্টেম্বর ৪১ ও ১ সেপ্টেম্বর ৪৭ জন ভর্তি হয়।
অতিরিক্ত রোগীর চাপে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান ডেঙ্গু ওয়ার্ডে কর্তব্যরত এক নার্স। পরিস্থিতি বোঝাতে তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে এক রোগীকে জরুরি ভিত্তিতে আইসিইউতে নেওয়া প্রয়োজন। একই সময়ে আরো কয়েকজন গুরুতর রোগীর স্বজন আমাকে ডাকছেন। এখন আমি কোন দিকে যাব? রোগী এত বেশি হলে সব প্রটোকল মেনে সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না।’
কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকালের শিফটে রোগীর চাপ তুলনামূলক বেশি থাকায় তিন-চারজন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় দুজন নার্স ও দুজন ইন্টার্ন চিকিৎসকও দায়িত্বে থাকেন। তবে বেলা ২টা থেকে রাত ৮টা এবং রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু ওয়ার্ডে দায়িত্ব পালন করেন মাত্র একজন চিকিৎসক ও দুজন নার্স। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও নার্সরা জানান, রোগীর অতিরিক্ত চাপের কারণে তাদের নির্ধারিত সময়ের বাইরেও দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এরই মধ্যে ডেঙ্গু ওয়ার্ডের পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে চিকিৎসক ও নার্স সংকটের কারণে তা বাস্তবায়নে বিলম্ব হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ প্রসঙ্গে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মো. নুরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ রোগীর চাপ রয়েছে। তাই অনেক রোগীকে মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। চিকিৎসক ও নার্সেরও বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে।
রোগী ও স্বজনদের মধ্যে মশারি টানানো নিয়ে গাফিলতি রয়েছে। ফলে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় মশারি ব্যবহারের নির্দেশনা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না। রোগীদের মধ্যে সচেতনতার ঘাটতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিটি রোগীকেই একটি করে মশারি দিই। কিন্তু বেশির ভাগ রোগীই মশারি টানান না। আমরা বারবার বলার পরও অনেকেই এ বিষয়ে উদাসীন থাকেন।’

মুগদা হাসপাতালে ২০০ রোগীর বিপরীতে এক ডাক্তার, দুই নার্স
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রামপুরার বাসিন্দা আলী আকবর। চারদিনের চিকিৎসায় তিনি এখন বিপদমুক্ত। তবে হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ রয়েছে তার। আলী আকবর বলেন, ‘এখানে প্রায় ২০০ রোগী চিকিৎসাধীন। অথচ তাদের জন্য রয়েছে মাত্র চারটি ওয়াশরুম। অতিরিক্ত রোগীর চাপে ওয়াশরুমগুলোর অবস্থাও খুব খারাপ। আমি হাসপাতালে গত শুক্রবার ভর্তি হয়েছি।
আগস্টের শেষ থেকে গতকাল পর্যন্ত মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৫০ জনের বেশি নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। রোস্টার অনুযায়ী, সকালের শিফটে তুলনামূলক বেশি চিকিৎসক ও নার্স দায়িত্ব পালন করেন। তবে দুপুর ও রাতের শিফটে প্রায় ২০০ রোগীর জন্য থাকছেন মাত্র একজন চিকিৎসক ও দুই জন নার্স। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, জনবল সংকটের কারণে রোগীর এ চাপ সামাল দেয়া কঠিন হয়ে উঠেছে।
সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ডেঙ্গু ওয়ার্ডে নির্ধারিত শয্যা মাত্র ৪০টি। গতকাল সোমবার সেখানে চিকিৎসাধীন ছিল ১৯০ জন। ফলে শয্যা না পাওয়া দেড় শতাধিক রোগী মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিচ্ছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শুরু থেকেই ওয়ার্ডটিতে ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। গতকাল ভর্তি ছিল ১৯০ জন। ৬ সেপ্টেম্বর ২০০ জন, ৫ সেপ্টেম্বর ১৯২, ৪ সেপ্টেম্বর ১৭৯, ৩ সেপ্টেম্বর ১৮০, ২ সেপ্টেম্বর ১৮০ ও ১ সেপ্টেম্বর ১৭৭ জন চিকিৎসাধীন ছিল।
একই সময়ে প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছে। গতকাল নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৪৫ জন। আগের দিন ৬ সেপ্টেম্বর ৬৬ জন, ৫ সেপ্টেম্বর ৩৬, ৪ সেপ্টেম্বর ৬৯, ৩ সেপ্টেম্বর ৫২, ২ সেপ্টেম্বর ৪১ ও ১ সেপ্টেম্বর ৪৭ জন ভর্তি হয়।
অতিরিক্ত রোগীর চাপে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান ডেঙ্গু ওয়ার্ডে কর্তব্যরত এক নার্স। পরিস্থিতি বোঝাতে তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে এক রোগীকে জরুরি ভিত্তিতে আইসিইউতে নেওয়া প্রয়োজন। একই সময়ে আরো কয়েকজন গুরুতর রোগীর স্বজন আমাকে ডাকছেন। এখন আমি কোন দিকে যাব? রোগী এত বেশি হলে সব প্রটোকল মেনে সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না।’
কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকালের শিফটে রোগীর চাপ তুলনামূলক বেশি থাকায় তিন-চারজন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় দুজন নার্স ও দুজন ইন্টার্ন চিকিৎসকও দায়িত্বে থাকেন। তবে বেলা ২টা থেকে রাত ৮টা এবং রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু ওয়ার্ডে দায়িত্ব পালন করেন মাত্র একজন চিকিৎসক ও দুজন নার্স। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও নার্সরা জানান, রোগীর অতিরিক্ত চাপের কারণে তাদের নির্ধারিত সময়ের বাইরেও দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এরই মধ্যে ডেঙ্গু ওয়ার্ডের পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে চিকিৎসক ও নার্স সংকটের কারণে তা বাস্তবায়নে বিলম্ব হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ প্রসঙ্গে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মো. নুরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ রোগীর চাপ রয়েছে। তাই অনেক রোগীকে মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। চিকিৎসক ও নার্সেরও বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে।
রোগী ও স্বজনদের মধ্যে মশারি টানানো নিয়ে গাফিলতি রয়েছে। ফলে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় মশারি ব্যবহারের নির্দেশনা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না। রোগীদের মধ্যে সচেতনতার ঘাটতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিটি রোগীকেই একটি করে মশারি দিই। কিন্তু বেশির ভাগ রোগীই মশারি টানান না। আমরা বারবার বলার পরও অনেকেই এ বিষয়ে উদাসীন থাকেন।’


-CznNewsLab-7b341c.jpg)






