শিরোনাম

ছেলেদের স্কিন কেয়ারের সহজ ধাপগুলো জেনে নিন

ছেলেদের স্কিন কেয়ারের সহজ ধাপগুলো জেনে নিন
গ্রাফিক্স: সিটিজেন জার্নাল

একসময় ত্বকের যত্নকে শুধু নারীদের বিষয় বলে মনে করা হতো। তবে সময় বদলেছে। এখন ছেলেদের মাঝেও স্কিন কেয়ার নিয়ে সচেতনতা বেড়েছে। নিয়মিত বাইরে যাওয়া, রোদে থাকা, ধুলাবালি, দূষণ, এমনকি প্রতিদিনের শেভিং– সবকিছুই পুরুষদের ত্বকে প্রভাব ফেলে। তাই সুস্থ, পরিষ্কার ও আত্মবিশ্বাসী লুক পেতে ছেলেদেরও প্রয়োজন সঠিক স্কিন কেয়ার রুটিন।

জানতে হবে ত্বকের ধরণ

প্রথমেই জানা জরুরি নিজের ত্বকের ধরন। কারও ত্বক তৈলাক্ত, কারও শুষ্ক, আবার কারও মিশ্র। ত্বক অনুযায়ী ফেসওয়াশ ব্যবহার করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য অয়েল-কন্ট্রোল বা ফোমিং ফেসওয়াশ ভালো, আর শুষ্ক ত্বকের জন্য মাইল্ড ও ময়েশ্চারাইজিং ফেসওয়াশ উপযোগী। দিনে অন্তত দুইবার মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকে জমে থাকা ময়লা ও অতিরিক্ত তেল দূর হয়।

ময়েশ্চারাইজ করুন

মুখ ধোয়ার পর ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করাও জরুরি। অনেকেই ভাবেন, ছেলেদের ত্বক শক্ত হওয়ায় আলাদা করে ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন নেই। কিন্তু নিয়মিত ফেসওয়াশ ব্যবহারে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। হালকা, নন-গ্রিসি ময়েশ্চারাইজার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং রুক্ষতা কমায়।

সানস্ক্রিন না দিলেই নয়

বাংলাদেশের আবহাওয়ায় রোদের তীব্রতা বেশ বেশি। তাই বাইরে বের হওয়ার আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি সানস্ক্রিন ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করে। এতে ত্বক কালচে হওয়া, দাগ পড়া ও আগাম বলিরেখা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

স্ক্রাবিং করা জরুরী

এছাড়া সপ্তাহে এক থেকে দুই দিন স্ক্রাব বা এক্সফোলিয়েটর ব্যবহার করলে ত্বকের মৃত কোষ দূর হয় এবং ব্ল্যাকহেডস কমে। এতে ত্বক আরও উজ্জ্বল ও সতেজ দেখায়। যারা নিয়মিত শেভ করেন, তাদের শেভের আগে গরম পানিতে মুখ ধোয়া এবং ভালো মানের শেভিং জেল ব্যবহার করা উচিত। শেভের পর অ্যালকোহল-ফ্রি আফটারশেভ বাম ব্যবহার করলে ত্বকের জ্বালা ও র‍্যাশ কমে।

অভ্যাসে আনুন পরিবর্তন

ত্বকের যত্ন শুধু বাইরের নয়, ভেতর থেকেও প্রয়োজন। পর্যাপ্ত পানি পান, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম ত্বক সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ছেলেদের স্কিন কেয়ার মানে অতিরিক্ত প্রসাধনী নয়; বরং নিয়মিত ও সঠিক যত্ন। সচেতন রুটিনই পারে ত্বককে রাখতে প্রাণবন্ত ও আত্মবিশ্বাসী।

/এএর/এস/