শিরোনাম

ত্বকের সুরক্ষায় ‘শামুক থেরাপি’

সিটিজেন ডেস্ক
ত্বকের সুরক্ষায় ‘শামুক থেরাপি’
ছবি: সংগৃহীত

আধুনিক রূপচর্চায় এখন প্রাকৃতিক উপাদানের জয়জয়কার। রাসায়নিক প্রসাধনীর ভিড়ে ত্বক সচেতনদের নজর কেড়েছে শামুকের শরীর থেকে নিঃসৃত এক বিশেষ আঠালো নির্যাস। মূলত শামুক চলার সময় এই নির্যাস নিঃসৃত হয়। যা বর্তমানে প্রক্রিয়াজাত করে বিশ্বজুড়ে স্কিনকেয়ার পণ্য হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, শামুকের নির্যাসে রয়েছে ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপাদান। এতে থাকা কোলাজেন ও ইলাস্টিন ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখে। যা ত্বককে ঝুলে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। এছাড়া এতে থাকা গ্লাইকোলিক অ্যাসিড একটি মৃদু এক্সফোলিয়েন্ট হিসেবে কাজ করে ত্বকের মরা কোষ দূর করে এবং উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। অন্যদিকে অ্যালানটোইন উপাদানটি ত্বকের ক্ষত নিরাময় ও আর্দ্রতা বজায় রাখতে জাদুর মতো কাজ করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য এই নির্যাস বিশেষভাবে উপকারী। এটি ত্বকের প্রাকৃতিক সুরক্ষাস্তরকে শক্তিশালী করে আর্দ্রতা ধরে রাখে। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের সূক্ষ্ম বলিরেখা ও বয়সের ছাপ হালকা হয়ে আসে এবং ত্বক দেখায় আরও মসৃণ ও সতেজ।

চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা ভালো ফলের জন্য দিনে দুইবার (সকালে ও রাতে) শামুকের নির্যাস সমৃদ্ধ সিরাম বা ক্রিম ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাতারাতি কোনো পরিবর্তন না খুঁজে ধৈর্য ধরে ব্যবহার করতে হবে। সাধারণত ৪ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে ত্বকের গুণগত পরিবর্তন স্পষ্ট হতে শুরু করে।

প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের সতেজতা ও তারুণ্য ধরে রাখতে বর্তমানে বিশ্ববাজারের পাশাপাশি স্থানীয় বাজারেও এই 'স্নেইল মিউসিন' সমৃদ্ধ পণ্যের চাহিদা তুঙ্গে।

/এসবি/