বিয়ের পর ওজন বাড়ে কেন

বিয়ের পর ওজন বাড়ে কেন
সিটিজেন ডেস্ক

বিয়ের পর প্রায় সব নারী-পুরুষের। বিয়ের পর নারী-পুরুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, হরমোনের ভারসাম্য, মানসিক অবস্থা এবং খাদ্যাভ্যাসে বড় রকমের পরিবর্তন আসে। আর এই পরিবর্তনই অনেক সময় ওজন বৃদ্ধির জন্য দায়ী বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিয়ের আগে অনেকেই ব্যায়াম বা সক্রিয় জীবনযাপনে অভ্যস্ত থাকেন। তবে বিয়ের পর নানা ব্যস্ততা, কাজের চাপ ও পারিবারিক দায়িত্ব বাড়ায় শারীরিক পরিশ্রম কমে যায়। একসঙ্গে খাবার খাওয়া-দাওয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে। যা স্বাভাবিকভাবেই খাবারের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। দম্পতিরা একসঙ্গে সময় কাটাতে গিয়ে ফাস্টফুড বা রেস্তোরাঁর খাবারের দিকে ঝুঁকে পড়েন। এসব অভ্যাস ওজন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।
নতুন জীবনে মানসিক স্থিতি ও নিরাপত্তাবোধ তৈরি হলে অনেকেই আরামপ্রিয় হয়ে পড়েন। আনন্দ, ভালোবাসা বা মানসিক স্বস্তির সঙ্গে খাবারকে জুড়ে দেওয়ার প্রবণতাও দেখা যায়। যা অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণের মাধ্যমে ওজন বাড়ায়।
বিয়ের পর নারীদের ক্ষেত্রে হরমোনের পরিবর্তন তুলনামূলক বেশি দেখা যায়, বিশেষ করে গর্ভধারণ ও সন্তান জন্মদানের সময়। গর্ভাবস্থায় ওজন বাড়া স্বাভাবিক হলেও প্রসবের পর তা কমানো অনেকের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। পুরুষদের ক্ষেত্রেও মানসিক চাপ, কাজের দায়িত্ব ও বয়সজনিত হরমোনের সামান্য পরিবর্তন বিপাকক্রিয়াকে ধীর করে দিতে পারে।
বিয়ের পর ঘুমের সময়সূচি ও মানে পরিবর্তন আসে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ক্ষুধা ও তৃপ্তি নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। এর ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়, যা ওজন বৃদ্ধির প্রবণতা বাড়ায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিয়ের পর ওজন বৃদ্ধি স্বাভাবিক হলেও সচেতনতা ও ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত ঘুম এই সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

বিয়ের পর প্রায় সব নারী-পুরুষের। বিয়ের পর নারী-পুরুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, হরমোনের ভারসাম্য, মানসিক অবস্থা এবং খাদ্যাভ্যাসে বড় রকমের পরিবর্তন আসে। আর এই পরিবর্তনই অনেক সময় ওজন বৃদ্ধির জন্য দায়ী বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিয়ের আগে অনেকেই ব্যায়াম বা সক্রিয় জীবনযাপনে অভ্যস্ত থাকেন। তবে বিয়ের পর নানা ব্যস্ততা, কাজের চাপ ও পারিবারিক দায়িত্ব বাড়ায় শারীরিক পরিশ্রম কমে যায়। একসঙ্গে খাবার খাওয়া-দাওয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে। যা স্বাভাবিকভাবেই খাবারের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। দম্পতিরা একসঙ্গে সময় কাটাতে গিয়ে ফাস্টফুড বা রেস্তোরাঁর খাবারের দিকে ঝুঁকে পড়েন। এসব অভ্যাস ওজন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।
নতুন জীবনে মানসিক স্থিতি ও নিরাপত্তাবোধ তৈরি হলে অনেকেই আরামপ্রিয় হয়ে পড়েন। আনন্দ, ভালোবাসা বা মানসিক স্বস্তির সঙ্গে খাবারকে জুড়ে দেওয়ার প্রবণতাও দেখা যায়। যা অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণের মাধ্যমে ওজন বাড়ায়।
বিয়ের পর নারীদের ক্ষেত্রে হরমোনের পরিবর্তন তুলনামূলক বেশি দেখা যায়, বিশেষ করে গর্ভধারণ ও সন্তান জন্মদানের সময়। গর্ভাবস্থায় ওজন বাড়া স্বাভাবিক হলেও প্রসবের পর তা কমানো অনেকের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। পুরুষদের ক্ষেত্রেও মানসিক চাপ, কাজের দায়িত্ব ও বয়সজনিত হরমোনের সামান্য পরিবর্তন বিপাকক্রিয়াকে ধীর করে দিতে পারে।
বিয়ের পর ঘুমের সময়সূচি ও মানে পরিবর্তন আসে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ক্ষুধা ও তৃপ্তি নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। এর ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়, যা ওজন বৃদ্ধির প্রবণতা বাড়ায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিয়ের পর ওজন বৃদ্ধি স্বাভাবিক হলেও সচেতনতা ও ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত ঘুম এই সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

বিয়ের পর ওজন বাড়ে কেন
সিটিজেন ডেস্ক

বিয়ের পর প্রায় সব নারী-পুরুষের। বিয়ের পর নারী-পুরুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, হরমোনের ভারসাম্য, মানসিক অবস্থা এবং খাদ্যাভ্যাসে বড় রকমের পরিবর্তন আসে। আর এই পরিবর্তনই অনেক সময় ওজন বৃদ্ধির জন্য দায়ী বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিয়ের আগে অনেকেই ব্যায়াম বা সক্রিয় জীবনযাপনে অভ্যস্ত থাকেন। তবে বিয়ের পর নানা ব্যস্ততা, কাজের চাপ ও পারিবারিক দায়িত্ব বাড়ায় শারীরিক পরিশ্রম কমে যায়। একসঙ্গে খাবার খাওয়া-দাওয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে। যা স্বাভাবিকভাবেই খাবারের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। দম্পতিরা একসঙ্গে সময় কাটাতে গিয়ে ফাস্টফুড বা রেস্তোরাঁর খাবারের দিকে ঝুঁকে পড়েন। এসব অভ্যাস ওজন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।
নতুন জীবনে মানসিক স্থিতি ও নিরাপত্তাবোধ তৈরি হলে অনেকেই আরামপ্রিয় হয়ে পড়েন। আনন্দ, ভালোবাসা বা মানসিক স্বস্তির সঙ্গে খাবারকে জুড়ে দেওয়ার প্রবণতাও দেখা যায়। যা অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণের মাধ্যমে ওজন বাড়ায়।
বিয়ের পর নারীদের ক্ষেত্রে হরমোনের পরিবর্তন তুলনামূলক বেশি দেখা যায়, বিশেষ করে গর্ভধারণ ও সন্তান জন্মদানের সময়। গর্ভাবস্থায় ওজন বাড়া স্বাভাবিক হলেও প্রসবের পর তা কমানো অনেকের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। পুরুষদের ক্ষেত্রেও মানসিক চাপ, কাজের দায়িত্ব ও বয়সজনিত হরমোনের সামান্য পরিবর্তন বিপাকক্রিয়াকে ধীর করে দিতে পারে।
বিয়ের পর ঘুমের সময়সূচি ও মানে পরিবর্তন আসে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ক্ষুধা ও তৃপ্তি নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। এর ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়, যা ওজন বৃদ্ধির প্রবণতা বাড়ায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিয়ের পর ওজন বৃদ্ধি স্বাভাবিক হলেও সচেতনতা ও ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত ঘুম এই সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।




