অনবরত মোবাইল স্ক্রলিংয়ে ক্ষয়ে যাচ্ছে মস্তিষ্ক

অনবরত মোবাইল স্ক্রলিংয়ে ক্ষয়ে যাচ্ছে মস্তিষ্ক
সিটিজেন ডেস্ক

অবসর সময়ে বিছানায় শুয়ে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম কিংবা এক্স (সাবেক টুইটার) স্ক্রল করা এখন অনেকেরই নিত্যদিনের অভ্যাস। কয়েক মিনিটের জন্য শুরু হলেও তা প্রায়ই ঘণ্টার পর ঘণ্টা গড়িয়ে যায়। অনেকেই মনে করেন, এতে হয়তো শুধু ঘুমের ক্ষতি হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ডিজিটাল কনটেন্ট গ্রহণ ধীরে ধীরে মানুষের মনোযোগ, মানসিক স্বাস্থ্য এবং চিন্তাশক্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এই অবস্থাকে অনেক গবেষক ‘ব্রেন রট’ বা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ক্ষয়ের সঙ্গে তুলনা করছেন।
সম্প্রতি বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী পিএএনএস নেক্সাসে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৪০০ অংশগ্রহণকারীর ওপর পরিচালিত পরীক্ষায় মাত্র দুই সপ্তাহ মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার বন্ধ রাখলে তাদের মানসিক সুস্থতা, মনোযোগ এবং জীবন নিয়ে ইতিবাচক অনুভূতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। এর প্রভাব এমন পর্যায়ের যে মানসিক দিক থেকে একজন মানুষ নিজেকে অনেক বেশি সতেজ ও তরুণ অনুভব করতে পারেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ সময় কাটানোর পেছনে কাজ করে মস্তিষ্কের পুরস্কারপ্রাপ্তির ব্যবস্থা। নতুন নতুন ভিডিও, ছবি বা পোস্ট দেখার সময় ডোপামিন নামের রাসায়নিক নিঃসৃত হয়। যা সাময়িক আনন্দের অনুভূতি দেয়। ফলে মানুষ বারবার ফোন হাতে নিতে আগ্রহী হয়। সময়ের সঙ্গে এটি এক ধরনের আচরণগত আসক্তিতে পরিণত হতে পারে। তখন ফোন থেকে দূরে থাকলে অস্থিরতা, একঘেয়েমি বা মন খারাপের মতো অনুভূতি দেখা দেয়। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, মস্তিষ্ক প্রায়ই বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং পর্দায় দেখা ঘটনাকে একইভাবে গ্রহণ করে। সবসময় যুদ্ধ, সহিংসতা, দুর্ঘটনা কিংবা নেতিবাচক খবর দেখলে মস্তিষ্ক সেই চাপকে বাস্তব হুমকি হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করে। এর ফলে উদ্বেগ, হতাশা এবং খিটখিটে মেজাজ বেড়ে যেতে পারে।
এ ঝুঁকিতে সবচেয়ে বেশি রয়েছে শিশু ও কিশোররা। কারণ তাদের মস্তিষ্কের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী অংশ পুরোপুরি বিকশিত হয় না। ফলে তারা সহজেই দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে ডুবে থাকে এবং নেতিবাচক কনটেন্টের প্রভাবও বেশি অনুভব করে।
বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন। নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সীমিত সময় সংবাদ পড়া, সপ্তাহে নির্দিষ্ট সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকা, খাওয়ার টেবিল ও শোবার ঘরকে ফোনমুক্ত রাখা এবং ঘুম থেকে উঠেই ফোন ব্যবহারের অভ্যাস ত্যাগ করা- এসব পদক্ষেপ মানসিক সুস্থতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অবসর সময়ে বিছানায় শুয়ে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম কিংবা এক্স (সাবেক টুইটার) স্ক্রল করা এখন অনেকেরই নিত্যদিনের অভ্যাস। কয়েক মিনিটের জন্য শুরু হলেও তা প্রায়ই ঘণ্টার পর ঘণ্টা গড়িয়ে যায়। অনেকেই মনে করেন, এতে হয়তো শুধু ঘুমের ক্ষতি হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ডিজিটাল কনটেন্ট গ্রহণ ধীরে ধীরে মানুষের মনোযোগ, মানসিক স্বাস্থ্য এবং চিন্তাশক্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এই অবস্থাকে অনেক গবেষক ‘ব্রেন রট’ বা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ক্ষয়ের সঙ্গে তুলনা করছেন।
সম্প্রতি বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী পিএএনএস নেক্সাসে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৪০০ অংশগ্রহণকারীর ওপর পরিচালিত পরীক্ষায় মাত্র দুই সপ্তাহ মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার বন্ধ রাখলে তাদের মানসিক সুস্থতা, মনোযোগ এবং জীবন নিয়ে ইতিবাচক অনুভূতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। এর প্রভাব এমন পর্যায়ের যে মানসিক দিক থেকে একজন মানুষ নিজেকে অনেক বেশি সতেজ ও তরুণ অনুভব করতে পারেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ সময় কাটানোর পেছনে কাজ করে মস্তিষ্কের পুরস্কারপ্রাপ্তির ব্যবস্থা। নতুন নতুন ভিডিও, ছবি বা পোস্ট দেখার সময় ডোপামিন নামের রাসায়নিক নিঃসৃত হয়। যা সাময়িক আনন্দের অনুভূতি দেয়। ফলে মানুষ বারবার ফোন হাতে নিতে আগ্রহী হয়। সময়ের সঙ্গে এটি এক ধরনের আচরণগত আসক্তিতে পরিণত হতে পারে। তখন ফোন থেকে দূরে থাকলে অস্থিরতা, একঘেয়েমি বা মন খারাপের মতো অনুভূতি দেখা দেয়। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, মস্তিষ্ক প্রায়ই বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং পর্দায় দেখা ঘটনাকে একইভাবে গ্রহণ করে। সবসময় যুদ্ধ, সহিংসতা, দুর্ঘটনা কিংবা নেতিবাচক খবর দেখলে মস্তিষ্ক সেই চাপকে বাস্তব হুমকি হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করে। এর ফলে উদ্বেগ, হতাশা এবং খিটখিটে মেজাজ বেড়ে যেতে পারে।
এ ঝুঁকিতে সবচেয়ে বেশি রয়েছে শিশু ও কিশোররা। কারণ তাদের মস্তিষ্কের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী অংশ পুরোপুরি বিকশিত হয় না। ফলে তারা সহজেই দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে ডুবে থাকে এবং নেতিবাচক কনটেন্টের প্রভাবও বেশি অনুভব করে।
বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন। নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সীমিত সময় সংবাদ পড়া, সপ্তাহে নির্দিষ্ট সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকা, খাওয়ার টেবিল ও শোবার ঘরকে ফোনমুক্ত রাখা এবং ঘুম থেকে উঠেই ফোন ব্যবহারের অভ্যাস ত্যাগ করা- এসব পদক্ষেপ মানসিক সুস্থতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অনবরত মোবাইল স্ক্রলিংয়ে ক্ষয়ে যাচ্ছে মস্তিষ্ক
সিটিজেন ডেস্ক

অবসর সময়ে বিছানায় শুয়ে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম কিংবা এক্স (সাবেক টুইটার) স্ক্রল করা এখন অনেকেরই নিত্যদিনের অভ্যাস। কয়েক মিনিটের জন্য শুরু হলেও তা প্রায়ই ঘণ্টার পর ঘণ্টা গড়িয়ে যায়। অনেকেই মনে করেন, এতে হয়তো শুধু ঘুমের ক্ষতি হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ডিজিটাল কনটেন্ট গ্রহণ ধীরে ধীরে মানুষের মনোযোগ, মানসিক স্বাস্থ্য এবং চিন্তাশক্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এই অবস্থাকে অনেক গবেষক ‘ব্রেন রট’ বা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ক্ষয়ের সঙ্গে তুলনা করছেন।
সম্প্রতি বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী পিএএনএস নেক্সাসে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৪০০ অংশগ্রহণকারীর ওপর পরিচালিত পরীক্ষায় মাত্র দুই সপ্তাহ মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার বন্ধ রাখলে তাদের মানসিক সুস্থতা, মনোযোগ এবং জীবন নিয়ে ইতিবাচক অনুভূতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। এর প্রভাব এমন পর্যায়ের যে মানসিক দিক থেকে একজন মানুষ নিজেকে অনেক বেশি সতেজ ও তরুণ অনুভব করতে পারেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ সময় কাটানোর পেছনে কাজ করে মস্তিষ্কের পুরস্কারপ্রাপ্তির ব্যবস্থা। নতুন নতুন ভিডিও, ছবি বা পোস্ট দেখার সময় ডোপামিন নামের রাসায়নিক নিঃসৃত হয়। যা সাময়িক আনন্দের অনুভূতি দেয়। ফলে মানুষ বারবার ফোন হাতে নিতে আগ্রহী হয়। সময়ের সঙ্গে এটি এক ধরনের আচরণগত আসক্তিতে পরিণত হতে পারে। তখন ফোন থেকে দূরে থাকলে অস্থিরতা, একঘেয়েমি বা মন খারাপের মতো অনুভূতি দেখা দেয়। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, মস্তিষ্ক প্রায়ই বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং পর্দায় দেখা ঘটনাকে একইভাবে গ্রহণ করে। সবসময় যুদ্ধ, সহিংসতা, দুর্ঘটনা কিংবা নেতিবাচক খবর দেখলে মস্তিষ্ক সেই চাপকে বাস্তব হুমকি হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করে। এর ফলে উদ্বেগ, হতাশা এবং খিটখিটে মেজাজ বেড়ে যেতে পারে।
এ ঝুঁকিতে সবচেয়ে বেশি রয়েছে শিশু ও কিশোররা। কারণ তাদের মস্তিষ্কের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী অংশ পুরোপুরি বিকশিত হয় না। ফলে তারা সহজেই দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে ডুবে থাকে এবং নেতিবাচক কনটেন্টের প্রভাবও বেশি অনুভব করে।
বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন। নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সীমিত সময় সংবাদ পড়া, সপ্তাহে নির্দিষ্ট সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকা, খাওয়ার টেবিল ও শোবার ঘরকে ফোনমুক্ত রাখা এবং ঘুম থেকে উঠেই ফোন ব্যবহারের অভ্যাস ত্যাগ করা- এসব পদক্ষেপ মানসিক সুস্থতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ঘুমাতে গেলেই কেন মনে পড়ে অতীতের বিব্রতকর মুহূর্ত

