কুড়িগ্রামে বাড়ছে নদীর পানি, বন্যার আশঙ্কা

কুড়িগ্রামে বাড়ছে নদীর পানি, বন্যার আশঙ্কা
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা বৃষ্টির প্রভাবে কুড়িগ্রামের প্রধান নদীগুলোর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও জেলার অধিকাংশ নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার নিচে রয়েছে, তবুও আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়ে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
পাউবোর সর্বশেষ পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এতে চরাঞ্চল ও নদীতীরবর্তী এলাকার কৃষিজমি ক্ষতির মুখে পড়েছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ২৪ দশমিক ৭০ মিটারে স্থির রয়েছে। যা বিপৎসীমার প্রায় ১ দশমিক ৯৮ মিটার নিচে অবস্থান করছে। তালুকশিমুলবাড়ী পয়েন্টে নদীটির পানি সামান্য হ্রাস পেলেও তা এখনও স্বাভাবিক অবস্থার কাছাকাছি রয়েছে।
অন্যদিকে, দুধকুমার নদীর পাটেশ্বরী পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়ে ২৮ দশমিক ৬১ মিটারে পৌঁছেছে। এ অবস্থায় নদীটির পানি বিপৎসীমার মাত্র ৯৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একইভাবে ব্রহ্মপুত্র নদের নুনখাওয়া ও চিলমারী পয়েন্টেও পানির উচ্চতা বেড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এসব স্থানে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।
গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি মাত্রার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ৩০ মিলিমিটার, পাটেশ্বরীতে ২৫ মিলিমিটার এবং কাউনিয়ায় ১৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। আবহাওয়া ও উজানের পানির প্রবাহ অব্যাহত থাকায় নদীগুলোর পানি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পানি বৃদ্ধির কারণে জেলার বিভিন্ন নিচু এলাকা প্লাবিত হতে শুরু করেছে। বিশেষ করে নদীতীরবর্তী কৃষিজমি ও চরাঞ্চলের বাদামখেত পানির নিচে চলে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা।
রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙা ইউনিয়নের বুড়িরবাধ এলাকার কৃষক আনোয়ার হোসেন বলেন, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে তার বাদামখেত ডুবে গেছে। ক্ষতি কমাতে বাধ্য হয়ে আগেভাগেই জমি থেকে বাদাম তুলে নিচ্ছি।
এদিকে পানির চাপ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন নদীতীরে ভাঙনও তীব্র আকার ধারণ করেছে।
পাউবোর তথ্যমতে, বর্তমানে অন্তত ৩৫টি স্থানে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এরমধ্যে প্রায় ২০টি এলাকা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থানে জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, আগামী তিন দিনে নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা বৃষ্টির প্রভাবে কুড়িগ্রামের প্রধান নদীগুলোর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও জেলার অধিকাংশ নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার নিচে রয়েছে, তবুও আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়ে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
পাউবোর সর্বশেষ পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এতে চরাঞ্চল ও নদীতীরবর্তী এলাকার কৃষিজমি ক্ষতির মুখে পড়েছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ২৪ দশমিক ৭০ মিটারে স্থির রয়েছে। যা বিপৎসীমার প্রায় ১ দশমিক ৯৮ মিটার নিচে অবস্থান করছে। তালুকশিমুলবাড়ী পয়েন্টে নদীটির পানি সামান্য হ্রাস পেলেও তা এখনও স্বাভাবিক অবস্থার কাছাকাছি রয়েছে।
অন্যদিকে, দুধকুমার নদীর পাটেশ্বরী পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়ে ২৮ দশমিক ৬১ মিটারে পৌঁছেছে। এ অবস্থায় নদীটির পানি বিপৎসীমার মাত্র ৯৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একইভাবে ব্রহ্মপুত্র নদের নুনখাওয়া ও চিলমারী পয়েন্টেও পানির উচ্চতা বেড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এসব স্থানে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।
গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি মাত্রার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ৩০ মিলিমিটার, পাটেশ্বরীতে ২৫ মিলিমিটার এবং কাউনিয়ায় ১৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। আবহাওয়া ও উজানের পানির প্রবাহ অব্যাহত থাকায় নদীগুলোর পানি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পানি বৃদ্ধির কারণে জেলার বিভিন্ন নিচু এলাকা প্লাবিত হতে শুরু করেছে। বিশেষ করে নদীতীরবর্তী কৃষিজমি ও চরাঞ্চলের বাদামখেত পানির নিচে চলে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা।
রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙা ইউনিয়নের বুড়িরবাধ এলাকার কৃষক আনোয়ার হোসেন বলেন, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে তার বাদামখেত ডুবে গেছে। ক্ষতি কমাতে বাধ্য হয়ে আগেভাগেই জমি থেকে বাদাম তুলে নিচ্ছি।
এদিকে পানির চাপ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন নদীতীরে ভাঙনও তীব্র আকার ধারণ করেছে।
পাউবোর তথ্যমতে, বর্তমানে অন্তত ৩৫টি স্থানে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এরমধ্যে প্রায় ২০টি এলাকা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থানে জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, আগামী তিন দিনে নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।

কুড়িগ্রামে বাড়ছে নদীর পানি, বন্যার আশঙ্কা
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা বৃষ্টির প্রভাবে কুড়িগ্রামের প্রধান নদীগুলোর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও জেলার অধিকাংশ নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার নিচে রয়েছে, তবুও আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়ে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
পাউবোর সর্বশেষ পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এতে চরাঞ্চল ও নদীতীরবর্তী এলাকার কৃষিজমি ক্ষতির মুখে পড়েছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ২৪ দশমিক ৭০ মিটারে স্থির রয়েছে। যা বিপৎসীমার প্রায় ১ দশমিক ৯৮ মিটার নিচে অবস্থান করছে। তালুকশিমুলবাড়ী পয়েন্টে নদীটির পানি সামান্য হ্রাস পেলেও তা এখনও স্বাভাবিক অবস্থার কাছাকাছি রয়েছে।
অন্যদিকে, দুধকুমার নদীর পাটেশ্বরী পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়ে ২৮ দশমিক ৬১ মিটারে পৌঁছেছে। এ অবস্থায় নদীটির পানি বিপৎসীমার মাত্র ৯৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একইভাবে ব্রহ্মপুত্র নদের নুনখাওয়া ও চিলমারী পয়েন্টেও পানির উচ্চতা বেড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এসব স্থানে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।
গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি মাত্রার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ৩০ মিলিমিটার, পাটেশ্বরীতে ২৫ মিলিমিটার এবং কাউনিয়ায় ১৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। আবহাওয়া ও উজানের পানির প্রবাহ অব্যাহত থাকায় নদীগুলোর পানি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পানি বৃদ্ধির কারণে জেলার বিভিন্ন নিচু এলাকা প্লাবিত হতে শুরু করেছে। বিশেষ করে নদীতীরবর্তী কৃষিজমি ও চরাঞ্চলের বাদামখেত পানির নিচে চলে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা।
রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙা ইউনিয়নের বুড়িরবাধ এলাকার কৃষক আনোয়ার হোসেন বলেন, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে তার বাদামখেত ডুবে গেছে। ক্ষতি কমাতে বাধ্য হয়ে আগেভাগেই জমি থেকে বাদাম তুলে নিচ্ছি।
এদিকে পানির চাপ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন নদীতীরে ভাঙনও তীব্র আকার ধারণ করেছে।
পাউবোর তথ্যমতে, বর্তমানে অন্তত ৩৫টি স্থানে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এরমধ্যে প্রায় ২০টি এলাকা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থানে জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, আগামী তিন দিনে নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।

সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র আবার সাময়িকভাবে বন্ধ


