উপজেলা পর্যায়ে যাচ্ছে গণপূর্তের কার্যক্রম

উপজেলা পর্যায়ে যাচ্ছে গণপূর্তের কার্যক্রম
সেলিনা আক্তার

গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ‘অ্যালোকেশন অব বিজনেস’ অনুযায়ী সারা দেশে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, সরকারি ভবন নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের কাজ গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে থাকে। সময়ের সঙ্গে সংস্থাটির কাজের পরিধি বাড়লেও সে তুলনায় জনবল বাড়েনি।
দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, গত দুই দশকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্মিত বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় ত্রুটি ও নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু সরকারি স্থাপনা নির্মাণে গুনগত মান রক্ষায় তুলনামূলক কিছুটা এগিয়ে আছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা গণপূর্ত অধিদপ্তর। এ কারণে উপজেলা পর্যায়ে সংস্থাটির কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগকে কেউ কেউ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে মঙ্গলবার (১৯ মে) গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘আমাদের সেবার মান উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের যে দক্ষ জনবল রয়েছে তা দিয়ে ভৌত অবকাঠামো নির্মাণে তৃণমূল পর্যায়ে ভূমিকা রাখতে চাই।’

গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ‘অ্যালোকেশন অব বিজনেস’ অনুযায়ী সারা দেশে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, সরকারি ভবন নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের কাজ গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে থাকে। সময়ের সঙ্গে সংস্থাটির কাজের পরিধি বাড়লেও সে তুলনায় জনবল বাড়েনি।
দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, গত দুই দশকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্মিত বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় ত্রুটি ও নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু সরকারি স্থাপনা নির্মাণে গুনগত মান রক্ষায় তুলনামূলক কিছুটা এগিয়ে আছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা গণপূর্ত অধিদপ্তর। এ কারণে উপজেলা পর্যায়ে সংস্থাটির কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগকে কেউ কেউ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে মঙ্গলবার (১৯ মে) গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘আমাদের সেবার মান উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের যে দক্ষ জনবল রয়েছে তা দিয়ে ভৌত অবকাঠামো নির্মাণে তৃণমূল পর্যায়ে ভূমিকা রাখতে চাই।’

উপজেলা পর্যায়ে যাচ্ছে গণপূর্তের কার্যক্রম
সেলিনা আক্তার

গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ‘অ্যালোকেশন অব বিজনেস’ অনুযায়ী সারা দেশে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, সরকারি ভবন নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের কাজ গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে থাকে। সময়ের সঙ্গে সংস্থাটির কাজের পরিধি বাড়লেও সে তুলনায় জনবল বাড়েনি।
দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, গত দুই দশকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্মিত বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় ত্রুটি ও নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু সরকারি স্থাপনা নির্মাণে গুনগত মান রক্ষায় তুলনামূলক কিছুটা এগিয়ে আছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা গণপূর্ত অধিদপ্তর। এ কারণে উপজেলা পর্যায়ে সংস্থাটির কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগকে কেউ কেউ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে মঙ্গলবার (১৯ মে) গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘আমাদের সেবার মান উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের যে দক্ষ জনবল রয়েছে তা দিয়ে ভৌত অবকাঠামো নির্মাণে তৃণমূল পর্যায়ে ভূমিকা রাখতে চাই।’




