‘যত্নের তানপুরা’ নিয়ে ফিরলেন নাজু আখন্দ

‘যত্নের তানপুরা’ নিয়ে ফিরলেন নাজু আখন্দ
বিনোদন ডেস্ক

অনেক দিন পর ভক্ত-শ্রোতাদের নতুন গান উপহার দিলেন সংগীতশিল্পী নাজু আখন্দ। তার এবারের গানের শিরোনাম ‘যত্নের তানপুরা’। ‘যত্নের তানপুরাটা ভেঙে ফেলেছি/ আমি আর গান গাইবো না’-এমন হাহাকার মেশানো কথায় গানটি সাজানো হয়েছে।
এটির কথা লিখেছেন রাজু চৌধুরী, সুর করেছেন এহসান রাহী। মিউজিক প্রোগ্রামিং এবং অ্যারেঞ্জমেন্ট করেছেন সবুজ আশীষ (স্টুডিও আলাপ)। মিক্স-মাস্টারিংয়ে ছিলেন আমজাদ হোসেন বাপ্পী। রেকর্ডিং হয়েছে পিংক ভয়েস স্টুডিওতে।
নাজু আখন্দ বলেন, ‘গান আমার রক্তের সঙ্গে মিশে আছে। অনেক দিন পর মৌলিক গান নিয়ে এলাম। আমি যে গানগুলোই করেছি, খুব যত্ন নিয়ে করেছি। এটিও তাই। এটি মেলোডি ধাঁচের গান। কথা-সুর যে কারো ভালো লাগবে। খুব আবেগ দিয়ে গাওয়ার চেষ্টা করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা শিল্পীরা অনেক কষ্ট করে গান বানাই। সেটা যখন শ্রোতাদের ভালো লাগে তখনই পরিশ্রমটা সার্থক হয়। যারা ভালো কথা-সুরের গান শুনতে চান, এটি তাদের ভালো লাগবে বলে আমার বিশ্বাস।’
গতকাল বুধবার (২৬ আগস্ট) ইউটিউবে ‘শব্দ কারিগর’ চ্যানেল থেকে ‘যত্নের তানপুরা’ গানটি উন্মুক্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গায়িকা নাজু আখন্দের জন্ম রাজধানীর সাভারে। ২০০০ সালে স্কুলে থাকতেই নিজের প্রথম অ্যালবাম ‘কাঁচা হলুদের রং’ প্রকাশ করেন তিনি। এরপর ২০০৯ সালে ‘স্বপ্নকন্যা’, ২০১৩ সালে ‘একটু জায়গা দে’ এবং ২০১৫ সালে ‘ফিরিয়ে দাও আমার প্রেম’ নামে একক অ্যালবাম শ্রোতাদের উপহার দেন।
২০০১ সালে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের সুরে ‘মায়ের সম্মান’ দিয়ে প্লেব্যাকে অভিষেক নাজুর। এরপর গত দুই যুগে সিনেমার প্রায় ২৫০টি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। ২০১০ সালে সেরা গায়িকা হিসেবে সিটিসেল চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড পান তিনি।

অনেক দিন পর ভক্ত-শ্রোতাদের নতুন গান উপহার দিলেন সংগীতশিল্পী নাজু আখন্দ। তার এবারের গানের শিরোনাম ‘যত্নের তানপুরা’। ‘যত্নের তানপুরাটা ভেঙে ফেলেছি/ আমি আর গান গাইবো না’-এমন হাহাকার মেশানো কথায় গানটি সাজানো হয়েছে।
এটির কথা লিখেছেন রাজু চৌধুরী, সুর করেছেন এহসান রাহী। মিউজিক প্রোগ্রামিং এবং অ্যারেঞ্জমেন্ট করেছেন সবুজ আশীষ (স্টুডিও আলাপ)। মিক্স-মাস্টারিংয়ে ছিলেন আমজাদ হোসেন বাপ্পী। রেকর্ডিং হয়েছে পিংক ভয়েস স্টুডিওতে।
নাজু আখন্দ বলেন, ‘গান আমার রক্তের সঙ্গে মিশে আছে। অনেক দিন পর মৌলিক গান নিয়ে এলাম। আমি যে গানগুলোই করেছি, খুব যত্ন নিয়ে করেছি। এটিও তাই। এটি মেলোডি ধাঁচের গান। কথা-সুর যে কারো ভালো লাগবে। খুব আবেগ দিয়ে গাওয়ার চেষ্টা করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা শিল্পীরা অনেক কষ্ট করে গান বানাই। সেটা যখন শ্রোতাদের ভালো লাগে তখনই পরিশ্রমটা সার্থক হয়। যারা ভালো কথা-সুরের গান শুনতে চান, এটি তাদের ভালো লাগবে বলে আমার বিশ্বাস।’
গতকাল বুধবার (২৬ আগস্ট) ইউটিউবে ‘শব্দ কারিগর’ চ্যানেল থেকে ‘যত্নের তানপুরা’ গানটি উন্মুক্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গায়িকা নাজু আখন্দের জন্ম রাজধানীর সাভারে। ২০০০ সালে স্কুলে থাকতেই নিজের প্রথম অ্যালবাম ‘কাঁচা হলুদের রং’ প্রকাশ করেন তিনি। এরপর ২০০৯ সালে ‘স্বপ্নকন্যা’, ২০১৩ সালে ‘একটু জায়গা দে’ এবং ২০১৫ সালে ‘ফিরিয়ে দাও আমার প্রেম’ নামে একক অ্যালবাম শ্রোতাদের উপহার দেন।
২০০১ সালে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের সুরে ‘মায়ের সম্মান’ দিয়ে প্লেব্যাকে অভিষেক নাজুর। এরপর গত দুই যুগে সিনেমার প্রায় ২৫০টি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। ২০১০ সালে সেরা গায়িকা হিসেবে সিটিসেল চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড পান তিনি।

‘যত্নের তানপুরা’ নিয়ে ফিরলেন নাজু আখন্দ
বিনোদন ডেস্ক

অনেক দিন পর ভক্ত-শ্রোতাদের নতুন গান উপহার দিলেন সংগীতশিল্পী নাজু আখন্দ। তার এবারের গানের শিরোনাম ‘যত্নের তানপুরা’। ‘যত্নের তানপুরাটা ভেঙে ফেলেছি/ আমি আর গান গাইবো না’-এমন হাহাকার মেশানো কথায় গানটি সাজানো হয়েছে।
এটির কথা লিখেছেন রাজু চৌধুরী, সুর করেছেন এহসান রাহী। মিউজিক প্রোগ্রামিং এবং অ্যারেঞ্জমেন্ট করেছেন সবুজ আশীষ (স্টুডিও আলাপ)। মিক্স-মাস্টারিংয়ে ছিলেন আমজাদ হোসেন বাপ্পী। রেকর্ডিং হয়েছে পিংক ভয়েস স্টুডিওতে।
নাজু আখন্দ বলেন, ‘গান আমার রক্তের সঙ্গে মিশে আছে। অনেক দিন পর মৌলিক গান নিয়ে এলাম। আমি যে গানগুলোই করেছি, খুব যত্ন নিয়ে করেছি। এটিও তাই। এটি মেলোডি ধাঁচের গান। কথা-সুর যে কারো ভালো লাগবে। খুব আবেগ দিয়ে গাওয়ার চেষ্টা করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা শিল্পীরা অনেক কষ্ট করে গান বানাই। সেটা যখন শ্রোতাদের ভালো লাগে তখনই পরিশ্রমটা সার্থক হয়। যারা ভালো কথা-সুরের গান শুনতে চান, এটি তাদের ভালো লাগবে বলে আমার বিশ্বাস।’
গতকাল বুধবার (২৬ আগস্ট) ইউটিউবে ‘শব্দ কারিগর’ চ্যানেল থেকে ‘যত্নের তানপুরা’ গানটি উন্মুক্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গায়িকা নাজু আখন্দের জন্ম রাজধানীর সাভারে। ২০০০ সালে স্কুলে থাকতেই নিজের প্রথম অ্যালবাম ‘কাঁচা হলুদের রং’ প্রকাশ করেন তিনি। এরপর ২০০৯ সালে ‘স্বপ্নকন্যা’, ২০১৩ সালে ‘একটু জায়গা দে’ এবং ২০১৫ সালে ‘ফিরিয়ে দাও আমার প্রেম’ নামে একক অ্যালবাম শ্রোতাদের উপহার দেন।
২০০১ সালে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের সুরে ‘মায়ের সম্মান’ দিয়ে প্লেব্যাকে অভিষেক নাজুর। এরপর গত দুই যুগে সিনেমার প্রায় ২৫০টি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। ২০১০ সালে সেরা গায়িকা হিসেবে সিটিসেল চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড পান তিনি।









