রকস্টার ব্র্যাড আর্নল্ড মারা গেছেন

রকস্টার ব্র্যাড আর্নল্ড মারা গেছেন
বিনোদন ডেস্ক

ক্যান্সারের সঙ্গে প্রায় এক বছর ধরে লড়াইয়ের পর মারা গেছেন গ্র্যামি-মনোনীত জনপ্রিয় মার্কিন রক ব্যান্ড ‘থ্রি ডোরস ডাউন’-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও প্রধান ভোকালিস্ট ব্র্যাড আর্নল্ড। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৭ বছর।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নিজ বাসায় ঘুমের মধ্যেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই রকস্টার। ব্যান্ডের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, স্টেজ-৪ কিডনি ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্র্যাড স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের সান্নিধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে মৃত্যুবরণ করেন।
২০২৫ সালের মে মাসে প্রথমবারের মতো নিজের অসুস্থতার কথা প্রকাশ্যে আনেন ব্র্যাড আর্নল্ড। সে সময় তিনি জানান, তার শরীরে স্টেজ-৪ ক্লিয়ার সেল রেনাল কার্সিনোমা শনাক্ত হয়েছে, যা পরবর্তীতে ফুসফুসেও ছড়িয়ে পড়ে।
ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার খবর জানিয়ে তিনি তখন বলেন, ‘আমি ভয় পাই না। সত্যিই ভয় পাচ্ছি না। সুযোগ পেলে আমার জন্য প্রার্থনা করবেন।’
১৯৯৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপিতে গড়ে ওঠে জনপ্রিয় রক ব্যান্ড ‘থ্রি ডোরস ডাউন’। ব্যান্ডটির প্রথম অ্যালবাম দ্য বেটার লাইফ প্রকাশের পরপরই বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং অ্যালবামটি ছয় মিলিয়নেরও বেশি কপি বিক্রি হয়।
এ পর্যন্ত ব্যান্ডটি মোট ছয়টি অ্যালবাম প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি তাদের ঝুলিতে রয়েছে একাধিক গ্র্যামি মনোনয়ন ও বিলবোর্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ড। ব্র্যাড আর্নল্ডের লেখা ‘ক্রিপ্টোনাইট’, ‘হেয়ার উইথাউট ইউ’, ‘হোয়েন আই’ম গন’ ও ‘লুজার’ গানগুলো তাকে রক সংগীতে আলাদা পরিচিতি ও ব্যাপক খ্যাতি এনে দেয়।
শক্তিশালী এক কণ্ঠের বিদায়ে বিশ্ব সংগীত অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

ক্যান্সারের সঙ্গে প্রায় এক বছর ধরে লড়াইয়ের পর মারা গেছেন গ্র্যামি-মনোনীত জনপ্রিয় মার্কিন রক ব্যান্ড ‘থ্রি ডোরস ডাউন’-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও প্রধান ভোকালিস্ট ব্র্যাড আর্নল্ড। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৭ বছর।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নিজ বাসায় ঘুমের মধ্যেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই রকস্টার। ব্যান্ডের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, স্টেজ-৪ কিডনি ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্র্যাড স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের সান্নিধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে মৃত্যুবরণ করেন।
২০২৫ সালের মে মাসে প্রথমবারের মতো নিজের অসুস্থতার কথা প্রকাশ্যে আনেন ব্র্যাড আর্নল্ড। সে সময় তিনি জানান, তার শরীরে স্টেজ-৪ ক্লিয়ার সেল রেনাল কার্সিনোমা শনাক্ত হয়েছে, যা পরবর্তীতে ফুসফুসেও ছড়িয়ে পড়ে।
ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার খবর জানিয়ে তিনি তখন বলেন, ‘আমি ভয় পাই না। সত্যিই ভয় পাচ্ছি না। সুযোগ পেলে আমার জন্য প্রার্থনা করবেন।’
১৯৯৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপিতে গড়ে ওঠে জনপ্রিয় রক ব্যান্ড ‘থ্রি ডোরস ডাউন’। ব্যান্ডটির প্রথম অ্যালবাম দ্য বেটার লাইফ প্রকাশের পরপরই বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং অ্যালবামটি ছয় মিলিয়নেরও বেশি কপি বিক্রি হয়।
এ পর্যন্ত ব্যান্ডটি মোট ছয়টি অ্যালবাম প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি তাদের ঝুলিতে রয়েছে একাধিক গ্র্যামি মনোনয়ন ও বিলবোর্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ড। ব্র্যাড আর্নল্ডের লেখা ‘ক্রিপ্টোনাইট’, ‘হেয়ার উইথাউট ইউ’, ‘হোয়েন আই’ম গন’ ও ‘লুজার’ গানগুলো তাকে রক সংগীতে আলাদা পরিচিতি ও ব্যাপক খ্যাতি এনে দেয়।
শক্তিশালী এক কণ্ঠের বিদায়ে বিশ্ব সংগীত অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

রকস্টার ব্র্যাড আর্নল্ড মারা গেছেন
বিনোদন ডেস্ক

ক্যান্সারের সঙ্গে প্রায় এক বছর ধরে লড়াইয়ের পর মারা গেছেন গ্র্যামি-মনোনীত জনপ্রিয় মার্কিন রক ব্যান্ড ‘থ্রি ডোরস ডাউন’-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও প্রধান ভোকালিস্ট ব্র্যাড আর্নল্ড। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৭ বছর।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নিজ বাসায় ঘুমের মধ্যেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই রকস্টার। ব্যান্ডের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, স্টেজ-৪ কিডনি ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্র্যাড স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের সান্নিধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে মৃত্যুবরণ করেন।
২০২৫ সালের মে মাসে প্রথমবারের মতো নিজের অসুস্থতার কথা প্রকাশ্যে আনেন ব্র্যাড আর্নল্ড। সে সময় তিনি জানান, তার শরীরে স্টেজ-৪ ক্লিয়ার সেল রেনাল কার্সিনোমা শনাক্ত হয়েছে, যা পরবর্তীতে ফুসফুসেও ছড়িয়ে পড়ে।
ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার খবর জানিয়ে তিনি তখন বলেন, ‘আমি ভয় পাই না। সত্যিই ভয় পাচ্ছি না। সুযোগ পেলে আমার জন্য প্রার্থনা করবেন।’
১৯৯৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপিতে গড়ে ওঠে জনপ্রিয় রক ব্যান্ড ‘থ্রি ডোরস ডাউন’। ব্যান্ডটির প্রথম অ্যালবাম দ্য বেটার লাইফ প্রকাশের পরপরই বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং অ্যালবামটি ছয় মিলিয়নেরও বেশি কপি বিক্রি হয়।
এ পর্যন্ত ব্যান্ডটি মোট ছয়টি অ্যালবাম প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি তাদের ঝুলিতে রয়েছে একাধিক গ্র্যামি মনোনয়ন ও বিলবোর্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ড। ব্র্যাড আর্নল্ডের লেখা ‘ক্রিপ্টোনাইট’, ‘হেয়ার উইথাউট ইউ’, ‘হোয়েন আই’ম গন’ ও ‘লুজার’ গানগুলো তাকে রক সংগীতে আলাদা পরিচিতি ও ব্যাপক খ্যাতি এনে দেয়।
শক্তিশালী এক কণ্ঠের বিদায়ে বিশ্ব সংগীত অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।




