জায়েদ খানের সঙ্গে অভিনয়ে নিউইয়র্কের মেয়র মামদানি

জায়েদ খানের সঙ্গে অভিনয়ে নিউইয়র্কের মেয়র মামদানি
বিনোদন ডেস্ক

প্রায় দুই বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন ঢালিউড অভিনেতা জায়েদ খান। মাঝে মাঝেই বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে দর্শকদের চমকে দেন তিনি। এবার নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে অভিনয় করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এই অভিনেতা।
প্রবাসীদের নিয়ে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ’ তৈরি করা হচ্ছে। নিউইয়র্কভিত্তিক গণমাধ্যম ‘ঠিকানা’র প্রযোজনায় নির্মিত এই চলচ্চিত্রের দ্বিতীয় পর্বে জায়েদ খানের সঙ্গে অভিনয় করছেন মামদানি।
শনিবার (২৩ মে) তিনি নিজেই গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জায়েদ খান বলেন, ‘একজন মেয়র হিসেবে মামদানিকে অভিনয়ের জন্য পাওয়া যাবে এটা অকল্পনীয়। তবে আমরা পেয়েছি। তিনি বাংলাদেশিদের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। মেয়র নির্বাচনে বাংলাদেশিরা তার জন্য কী ভূমিকা রেখেছিলো সেটা তিনি মনে রেখেছেন।’
‘ঠিকানা’ আমেরিকার অনেক পুরোনো গণমাধ্যম উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটার প্রতি সবারই একটি অন্যরকম শ্রদ্ধা আছে। মামদানিও এখানে অনেক ইন্টারভিউ, ফান্ডরাইজিং ও সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে ঠিকানাও নিউইয়র্ক সিটি মেয়র অফিস ও বিভিন্ন এজেন্সির সঙ্গে কাজ করেছে। আমেরিকায় বাংলাদেশি ডায়াসপোরার কাছে পৌঁছানোর অন্যতম মাধ্যম এই ঠিকানা।
মামদানিকে নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জায়েদ বলেন, তিনি অমায়িক মানুষ। অভিনয়ের সময়ও অত্যন্ত আন্তরিক ছিলেন। এমনকি পোস্টারে তার ছবি ব্যবহার নিয়েও কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন বিগ অ্যাপলের এই মেয়র।
দীর্ঘদিন ধরে নিউইয়র্কে থাকার সুবাদে ‘ঠিকানা’-র বিভিন্ন আয়োজনে নিয়মিত দেখা গেছে জায়েদ খানকে। দেশে ফেরা নিয়ে অভিনেতা বলেন, এখানে খুব ভালো আছি, সময় হলেই দেশে ফিরব।’
আগামী ২৭ মে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় ‘ঠিকানা’-র ইউটিউব চ্যানেলে প্রবাসীদের গল্প নিয়ে নির্মিত ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ’ প্রচারিত হবে বলে জানান জায়েদ খান।

প্রায় দুই বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন ঢালিউড অভিনেতা জায়েদ খান। মাঝে মাঝেই বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে দর্শকদের চমকে দেন তিনি। এবার নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে অভিনয় করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এই অভিনেতা।
প্রবাসীদের নিয়ে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ’ তৈরি করা হচ্ছে। নিউইয়র্কভিত্তিক গণমাধ্যম ‘ঠিকানা’র প্রযোজনায় নির্মিত এই চলচ্চিত্রের দ্বিতীয় পর্বে জায়েদ খানের সঙ্গে অভিনয় করছেন মামদানি।
শনিবার (২৩ মে) তিনি নিজেই গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জায়েদ খান বলেন, ‘একজন মেয়র হিসেবে মামদানিকে অভিনয়ের জন্য পাওয়া যাবে এটা অকল্পনীয়। তবে আমরা পেয়েছি। তিনি বাংলাদেশিদের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। মেয়র নির্বাচনে বাংলাদেশিরা তার জন্য কী ভূমিকা রেখেছিলো সেটা তিনি মনে রেখেছেন।’
‘ঠিকানা’ আমেরিকার অনেক পুরোনো গণমাধ্যম উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটার প্রতি সবারই একটি অন্যরকম শ্রদ্ধা আছে। মামদানিও এখানে অনেক ইন্টারভিউ, ফান্ডরাইজিং ও সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে ঠিকানাও নিউইয়র্ক সিটি মেয়র অফিস ও বিভিন্ন এজেন্সির সঙ্গে কাজ করেছে। আমেরিকায় বাংলাদেশি ডায়াসপোরার কাছে পৌঁছানোর অন্যতম মাধ্যম এই ঠিকানা।
মামদানিকে নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জায়েদ বলেন, তিনি অমায়িক মানুষ। অভিনয়ের সময়ও অত্যন্ত আন্তরিক ছিলেন। এমনকি পোস্টারে তার ছবি ব্যবহার নিয়েও কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন বিগ অ্যাপলের এই মেয়র।
দীর্ঘদিন ধরে নিউইয়র্কে থাকার সুবাদে ‘ঠিকানা’-র বিভিন্ন আয়োজনে নিয়মিত দেখা গেছে জায়েদ খানকে। দেশে ফেরা নিয়ে অভিনেতা বলেন, এখানে খুব ভালো আছি, সময় হলেই দেশে ফিরব।’
আগামী ২৭ মে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় ‘ঠিকানা’-র ইউটিউব চ্যানেলে প্রবাসীদের গল্প নিয়ে নির্মিত ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ’ প্রচারিত হবে বলে জানান জায়েদ খান।

জায়েদ খানের সঙ্গে অভিনয়ে নিউইয়র্কের মেয়র মামদানি
বিনোদন ডেস্ক

প্রায় দুই বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন ঢালিউড অভিনেতা জায়েদ খান। মাঝে মাঝেই বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে দর্শকদের চমকে দেন তিনি। এবার নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে অভিনয় করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এই অভিনেতা।
প্রবাসীদের নিয়ে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ’ তৈরি করা হচ্ছে। নিউইয়র্কভিত্তিক গণমাধ্যম ‘ঠিকানা’র প্রযোজনায় নির্মিত এই চলচ্চিত্রের দ্বিতীয় পর্বে জায়েদ খানের সঙ্গে অভিনয় করছেন মামদানি।
শনিবার (২৩ মে) তিনি নিজেই গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জায়েদ খান বলেন, ‘একজন মেয়র হিসেবে মামদানিকে অভিনয়ের জন্য পাওয়া যাবে এটা অকল্পনীয়। তবে আমরা পেয়েছি। তিনি বাংলাদেশিদের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। মেয়র নির্বাচনে বাংলাদেশিরা তার জন্য কী ভূমিকা রেখেছিলো সেটা তিনি মনে রেখেছেন।’
‘ঠিকানা’ আমেরিকার অনেক পুরোনো গণমাধ্যম উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটার প্রতি সবারই একটি অন্যরকম শ্রদ্ধা আছে। মামদানিও এখানে অনেক ইন্টারভিউ, ফান্ডরাইজিং ও সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে ঠিকানাও নিউইয়র্ক সিটি মেয়র অফিস ও বিভিন্ন এজেন্সির সঙ্গে কাজ করেছে। আমেরিকায় বাংলাদেশি ডায়াসপোরার কাছে পৌঁছানোর অন্যতম মাধ্যম এই ঠিকানা।
মামদানিকে নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জায়েদ বলেন, তিনি অমায়িক মানুষ। অভিনয়ের সময়ও অত্যন্ত আন্তরিক ছিলেন। এমনকি পোস্টারে তার ছবি ব্যবহার নিয়েও কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন বিগ অ্যাপলের এই মেয়র।
দীর্ঘদিন ধরে নিউইয়র্কে থাকার সুবাদে ‘ঠিকানা’-র বিভিন্ন আয়োজনে নিয়মিত দেখা গেছে জায়েদ খানকে। দেশে ফেরা নিয়ে অভিনেতা বলেন, এখানে খুব ভালো আছি, সময় হলেই দেশে ফিরব।’
আগামী ২৭ মে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় ‘ঠিকানা’-র ইউটিউব চ্যানেলে প্রবাসীদের গল্প নিয়ে নির্মিত ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ’ প্রচারিত হবে বলে জানান জায়েদ খান।

মাথা ন্যাড়া করে জায়েদ খান বললেন, ‘আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করেছি’


