একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী ডালিয়া নওশীন মারা গেছেন

একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী ডালিয়া নওশীন মারা গেছেন
বিনোদন ডেস্ক

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট নজরুল সংগীতশিল্পী ডালিয়া নওশীন মারা গেছেন। বুধবার (১ এপ্রিল) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।
ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎধীন ছিলেন ডালিয়া নওশীন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ২৭ মার্চ তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ডালিয়ার মৃত্যুতে দেশের সঙ্গীতাঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
এদিন মাগরিবের নামাজের পর গুলশান সোসাইটি মসজিদে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, সঙ্গীতই ছিল ডালিয়া নওশীনের জীবনের প্রধান অনুষঙ্গ। ৭০ পেরিয়েও তিনি নিয়মিত কণ্ঠচর্চা করতেন। সুযোগ পেলেই মঞ্চ ও টেলিভিশনে গান পরিবেশন করতেন। ক্যান্সার জয় করার পর জীবনের শেষ কয়েক বছর তিনি লিভারের জটিলতায় ভুগছিলেন।
ডালিয়া নওশীনের জন্ম ১৯৫৫ সালে। তার বাবা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথিতযশা স্থপতি মাজহারুল ইসলাম। মাত্র ৫ বছর বয়সে ডালিয়া কিংবদন্তি শিল্পী সুধীন দাশের কাছে উত্তর ভারতীয় ধ্রুপদী সঙ্গীত ও নজরুল সঙ্গীতের শিক্ষা শুরু করেন। পরে ছায়ানট থেকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং ভারতে উচ্চাঙ্গ সংগীতে প্রশিক্ষণ নেন।
বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে ডালিয়া নওশীন এক অবিস্মরণীয় নাম। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২০ সালে সরকার তাকে রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’-এ ভূষিত করে।
ব্যক্তিগত জীবনে ডালিয়া নওশীন দুই সন্তানের জননী। তাদের একজন বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে এবং অন্যজন স্পেনে বসবাস করছেন।

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট নজরুল সংগীতশিল্পী ডালিয়া নওশীন মারা গেছেন। বুধবার (১ এপ্রিল) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।
ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎধীন ছিলেন ডালিয়া নওশীন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ২৭ মার্চ তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ডালিয়ার মৃত্যুতে দেশের সঙ্গীতাঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
এদিন মাগরিবের নামাজের পর গুলশান সোসাইটি মসজিদে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, সঙ্গীতই ছিল ডালিয়া নওশীনের জীবনের প্রধান অনুষঙ্গ। ৭০ পেরিয়েও তিনি নিয়মিত কণ্ঠচর্চা করতেন। সুযোগ পেলেই মঞ্চ ও টেলিভিশনে গান পরিবেশন করতেন। ক্যান্সার জয় করার পর জীবনের শেষ কয়েক বছর তিনি লিভারের জটিলতায় ভুগছিলেন।
ডালিয়া নওশীনের জন্ম ১৯৫৫ সালে। তার বাবা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথিতযশা স্থপতি মাজহারুল ইসলাম। মাত্র ৫ বছর বয়সে ডালিয়া কিংবদন্তি শিল্পী সুধীন দাশের কাছে উত্তর ভারতীয় ধ্রুপদী সঙ্গীত ও নজরুল সঙ্গীতের শিক্ষা শুরু করেন। পরে ছায়ানট থেকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং ভারতে উচ্চাঙ্গ সংগীতে প্রশিক্ষণ নেন।
বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে ডালিয়া নওশীন এক অবিস্মরণীয় নাম। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২০ সালে সরকার তাকে রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’-এ ভূষিত করে।
ব্যক্তিগত জীবনে ডালিয়া নওশীন দুই সন্তানের জননী। তাদের একজন বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে এবং অন্যজন স্পেনে বসবাস করছেন।

একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী ডালিয়া নওশীন মারা গেছেন
বিনোদন ডেস্ক

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট নজরুল সংগীতশিল্পী ডালিয়া নওশীন মারা গেছেন। বুধবার (১ এপ্রিল) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।
ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎধীন ছিলেন ডালিয়া নওশীন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ২৭ মার্চ তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ডালিয়ার মৃত্যুতে দেশের সঙ্গীতাঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
এদিন মাগরিবের নামাজের পর গুলশান সোসাইটি মসজিদে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, সঙ্গীতই ছিল ডালিয়া নওশীনের জীবনের প্রধান অনুষঙ্গ। ৭০ পেরিয়েও তিনি নিয়মিত কণ্ঠচর্চা করতেন। সুযোগ পেলেই মঞ্চ ও টেলিভিশনে গান পরিবেশন করতেন। ক্যান্সার জয় করার পর জীবনের শেষ কয়েক বছর তিনি লিভারের জটিলতায় ভুগছিলেন।
ডালিয়া নওশীনের জন্ম ১৯৫৫ সালে। তার বাবা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথিতযশা স্থপতি মাজহারুল ইসলাম। মাত্র ৫ বছর বয়সে ডালিয়া কিংবদন্তি শিল্পী সুধীন দাশের কাছে উত্তর ভারতীয় ধ্রুপদী সঙ্গীত ও নজরুল সঙ্গীতের শিক্ষা শুরু করেন। পরে ছায়ানট থেকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং ভারতে উচ্চাঙ্গ সংগীতে প্রশিক্ষণ নেন।
বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে ডালিয়া নওশীন এক অবিস্মরণীয় নাম। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২০ সালে সরকার তাকে রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’-এ ভূষিত করে।
ব্যক্তিগত জীবনে ডালিয়া নওশীন দুই সন্তানের জননী। তাদের একজন বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে এবং অন্যজন স্পেনে বসবাস করছেন।




