মোদির টুইটের পর সালমান খানের সুর বদল

মোদির টুইটের পর সালমান খানের সুর বদল
বিনোদন ডেস্ক

দিল্লির যন্তরমন্তরে চলমান আন্দোলনের মধ্যেই প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমাদের যুবসমাজের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই। যারা যুবকদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার চেষ্টা করবে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।’ প্রধানমন্ত্রীর এই টুইটের পরই সুর বদলালেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান! বিক্ষোভে থাকা শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরার পরামর্শ দিয়েছেন। এমনকি সোনম ওয়াংচুকে নিয়েও করেছেন বিস্ফোরক পোস্ট। অনশন ভাঙার আহ্বানের পাশাপাশি তিনি ঘর থেকে খাবার পাঠিয়ে দেবেন বলেও বার্তা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিং হিউম্যানের কপি মগ নিয়ে একটি সেলফি শেয়ার করলেন সালমান। ক্যাপশনে লেখেন, ‘শিক্ষার্থীরাই এখন দেশের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, শিক্ষা ও নিরাপত্তা উভয় ক্ষেত্রেই। তাই তাদের বা তাদের অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে টুইট করেছেন। আমি নিশ্চিত যে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর ব্যবস্থা নেবেন। তাই আমি শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করছি, দয়া করে নিজেদের বাড়িতে ফিরে যাও। বাবা-মায়ের কাছে ফিরে যাও।’
এখানেই থেমে থাকেননি বলিউড ভাইজান। সোনম ওয়াংচুকের বিষযে লেখেন, ‘সোনম, যা হওয়ার হয়ে গেছে ভাই। বিষয়টা আর টেনে বাড়িও না। যদি ভবিষ্যতে আবার প্রয়োজন হয়-যদিও আমার মনে হয় না হবে-তখন এই লড়াইয়ের মনোভাবটা ধরে রেখো। এখন কিছু খেয়ে নাও। চাইলে আমি বাড়ি থেকে তোমার জন্য খাবার পাঠিয়ে দিতে পারি।’
সালমান এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ একটি আন্দোলন ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি যে সহিংস হয়ে উঠল, তা দেখে সত্যিই খুব খারাপ লাগছে। যেসব শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবার এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা রইলো। প্রশ্নপত্র ফাঁস অত্যন্ত গুরুতর একটি সমস্যা। তবে ভালো লাগছে দেখে যে, দেশের ছাত্রছাত্রীরা একটি উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে একজোট হয়েছে। তাদের এই লড়াইয়ে অভিভাবকেরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন।’
তিনি আরও লেখেন, ‘ওদের এই অবস্থানকে আমি আন্তরিকভাবে সম্মান জানাই। ওদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা এবং কঠোর পরিশ্রম করে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ইচ্ছাই একদিন আরও শিক্ষিত ও উন্নত ভারত গড়ে তুলবে। প্রতিবাদ এভাবেই হওয়া উচিত। শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবেই নিজেদের দাবি জানিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, এই প্রজন্মই একদিন ভারতের মুখ উজ্জ্বল করবে।’
আন্দোলনকে রাজনৈতিক রং দেওয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এই অভিনেতা। তিনি লেখেন, ‘এই বিষয়টি শিক্ষার্থী এবং শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ। এটিকে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়। এই আন্দোলনের সমস্ত কৃতিত্ব দেশের ছাত্রছাত্রীদেরই প্রাপ্য। আমি নিশ্চিত, সরকারও তাদের পাশে দাঁড়াবে এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করে তুলবে। এতে সবারই মঙ্গল। আমি ইতিবাচক সিদ্ধান্তের আশা করছি। প্রার্থনা করছি ঈশ্বর তোমাদের সকলকে আশীর্বাদ করুন, যারা সত্যিই শিক্ষিত হতে চাও।’
সবশেষে তিনি লেখেন, ‘শিক্ষাই আগামী দিনের সবচেয়ে বড় ট্রেন্ড এবং সম্মানের বিষয় হয়ে উঠুক। প্রতি বছর যেন শিক্ষার প্রতি মানুষের আগ্রহ আরও বাড়ে। এমন একদিন আসুক যখন বিদেশ থেকেও মানুষ ভারতে পড়াশোনা করতে আসবে এবং ভারত বিশ্বের অন্যতম শিক্ষা-কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।’
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

দিল্লির যন্তরমন্তরে চলমান আন্দোলনের মধ্যেই প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমাদের যুবসমাজের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই। যারা যুবকদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার চেষ্টা করবে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।’ প্রধানমন্ত্রীর এই টুইটের পরই সুর বদলালেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান! বিক্ষোভে থাকা শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরার পরামর্শ দিয়েছেন। এমনকি সোনম ওয়াংচুকে নিয়েও করেছেন বিস্ফোরক পোস্ট। অনশন ভাঙার আহ্বানের পাশাপাশি তিনি ঘর থেকে খাবার পাঠিয়ে দেবেন বলেও বার্তা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিং হিউম্যানের কপি মগ নিয়ে একটি সেলফি শেয়ার করলেন সালমান। ক্যাপশনে লেখেন, ‘শিক্ষার্থীরাই এখন দেশের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, শিক্ষা ও নিরাপত্তা উভয় ক্ষেত্রেই। তাই তাদের বা তাদের অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে টুইট করেছেন। আমি নিশ্চিত যে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর ব্যবস্থা নেবেন। তাই আমি শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করছি, দয়া করে নিজেদের বাড়িতে ফিরে যাও। বাবা-মায়ের কাছে ফিরে যাও।’
এখানেই থেমে থাকেননি বলিউড ভাইজান। সোনম ওয়াংচুকের বিষযে লেখেন, ‘সোনম, যা হওয়ার হয়ে গেছে ভাই। বিষয়টা আর টেনে বাড়িও না। যদি ভবিষ্যতে আবার প্রয়োজন হয়-যদিও আমার মনে হয় না হবে-তখন এই লড়াইয়ের মনোভাবটা ধরে রেখো। এখন কিছু খেয়ে নাও। চাইলে আমি বাড়ি থেকে তোমার জন্য খাবার পাঠিয়ে দিতে পারি।’
সালমান এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ একটি আন্দোলন ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি যে সহিংস হয়ে উঠল, তা দেখে সত্যিই খুব খারাপ লাগছে। যেসব শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবার এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা রইলো। প্রশ্নপত্র ফাঁস অত্যন্ত গুরুতর একটি সমস্যা। তবে ভালো লাগছে দেখে যে, দেশের ছাত্রছাত্রীরা একটি উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে একজোট হয়েছে। তাদের এই লড়াইয়ে অভিভাবকেরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন।’
তিনি আরও লেখেন, ‘ওদের এই অবস্থানকে আমি আন্তরিকভাবে সম্মান জানাই। ওদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা এবং কঠোর পরিশ্রম করে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ইচ্ছাই একদিন আরও শিক্ষিত ও উন্নত ভারত গড়ে তুলবে। প্রতিবাদ এভাবেই হওয়া উচিত। শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবেই নিজেদের দাবি জানিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, এই প্রজন্মই একদিন ভারতের মুখ উজ্জ্বল করবে।’
আন্দোলনকে রাজনৈতিক রং দেওয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এই অভিনেতা। তিনি লেখেন, ‘এই বিষয়টি শিক্ষার্থী এবং শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ। এটিকে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়। এই আন্দোলনের সমস্ত কৃতিত্ব দেশের ছাত্রছাত্রীদেরই প্রাপ্য। আমি নিশ্চিত, সরকারও তাদের পাশে দাঁড়াবে এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করে তুলবে। এতে সবারই মঙ্গল। আমি ইতিবাচক সিদ্ধান্তের আশা করছি। প্রার্থনা করছি ঈশ্বর তোমাদের সকলকে আশীর্বাদ করুন, যারা সত্যিই শিক্ষিত হতে চাও।’
সবশেষে তিনি লেখেন, ‘শিক্ষাই আগামী দিনের সবচেয়ে বড় ট্রেন্ড এবং সম্মানের বিষয় হয়ে উঠুক। প্রতি বছর যেন শিক্ষার প্রতি মানুষের আগ্রহ আরও বাড়ে। এমন একদিন আসুক যখন বিদেশ থেকেও মানুষ ভারতে পড়াশোনা করতে আসবে এবং ভারত বিশ্বের অন্যতম শিক্ষা-কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।’
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

মোদির টুইটের পর সালমান খানের সুর বদল
বিনোদন ডেস্ক

দিল্লির যন্তরমন্তরে চলমান আন্দোলনের মধ্যেই প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমাদের যুবসমাজের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই। যারা যুবকদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার চেষ্টা করবে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।’ প্রধানমন্ত্রীর এই টুইটের পরই সুর বদলালেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান! বিক্ষোভে থাকা শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরার পরামর্শ দিয়েছেন। এমনকি সোনম ওয়াংচুকে নিয়েও করেছেন বিস্ফোরক পোস্ট। অনশন ভাঙার আহ্বানের পাশাপাশি তিনি ঘর থেকে খাবার পাঠিয়ে দেবেন বলেও বার্তা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিং হিউম্যানের কপি মগ নিয়ে একটি সেলফি শেয়ার করলেন সালমান। ক্যাপশনে লেখেন, ‘শিক্ষার্থীরাই এখন দেশের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, শিক্ষা ও নিরাপত্তা উভয় ক্ষেত্রেই। তাই তাদের বা তাদের অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে টুইট করেছেন। আমি নিশ্চিত যে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর ব্যবস্থা নেবেন। তাই আমি শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করছি, দয়া করে নিজেদের বাড়িতে ফিরে যাও। বাবা-মায়ের কাছে ফিরে যাও।’
এখানেই থেমে থাকেননি বলিউড ভাইজান। সোনম ওয়াংচুকের বিষযে লেখেন, ‘সোনম, যা হওয়ার হয়ে গেছে ভাই। বিষয়টা আর টেনে বাড়িও না। যদি ভবিষ্যতে আবার প্রয়োজন হয়-যদিও আমার মনে হয় না হবে-তখন এই লড়াইয়ের মনোভাবটা ধরে রেখো। এখন কিছু খেয়ে নাও। চাইলে আমি বাড়ি থেকে তোমার জন্য খাবার পাঠিয়ে দিতে পারি।’
সালমান এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ একটি আন্দোলন ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি যে সহিংস হয়ে উঠল, তা দেখে সত্যিই খুব খারাপ লাগছে। যেসব শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবার এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা রইলো। প্রশ্নপত্র ফাঁস অত্যন্ত গুরুতর একটি সমস্যা। তবে ভালো লাগছে দেখে যে, দেশের ছাত্রছাত্রীরা একটি উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে একজোট হয়েছে। তাদের এই লড়াইয়ে অভিভাবকেরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন।’
তিনি আরও লেখেন, ‘ওদের এই অবস্থানকে আমি আন্তরিকভাবে সম্মান জানাই। ওদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা এবং কঠোর পরিশ্রম করে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ইচ্ছাই একদিন আরও শিক্ষিত ও উন্নত ভারত গড়ে তুলবে। প্রতিবাদ এভাবেই হওয়া উচিত। শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবেই নিজেদের দাবি জানিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, এই প্রজন্মই একদিন ভারতের মুখ উজ্জ্বল করবে।’
আন্দোলনকে রাজনৈতিক রং দেওয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এই অভিনেতা। তিনি লেখেন, ‘এই বিষয়টি শিক্ষার্থী এবং শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ। এটিকে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়। এই আন্দোলনের সমস্ত কৃতিত্ব দেশের ছাত্রছাত্রীদেরই প্রাপ্য। আমি নিশ্চিত, সরকারও তাদের পাশে দাঁড়াবে এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করে তুলবে। এতে সবারই মঙ্গল। আমি ইতিবাচক সিদ্ধান্তের আশা করছি। প্রার্থনা করছি ঈশ্বর তোমাদের সকলকে আশীর্বাদ করুন, যারা সত্যিই শিক্ষিত হতে চাও।’
সবশেষে তিনি লেখেন, ‘শিক্ষাই আগামী দিনের সবচেয়ে বড় ট্রেন্ড এবং সম্মানের বিষয় হয়ে উঠুক। প্রতি বছর যেন শিক্ষার প্রতি মানুষের আগ্রহ আরও বাড়ে। এমন একদিন আসুক যখন বিদেশ থেকেও মানুষ ভারতে পড়াশোনা করতে আসবে এবং ভারত বিশ্বের অন্যতম শিক্ষা-কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।’
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সালমান খানের সমর্থন
আন্দোলনে নতুন মোড়, উঠতে পারে মোদির পদত্যাগ দাবি






