ডাকাতের হাতে নিজের নাম খোদাই করেছিলেন অভিনেত্রী
সিটিজেন ডেস্ক

ডাকাতের হাতে নিজের নাম খোদাই করেছিলেন অভিনেত্রী
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৪: ২৮

অভিনেত্রী মীনা কুমারী। ছবি: ফিল্মফেয়ার
ভারতীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী মীনা কুমারী, যিনি ‘ট্র্যাজেডি কুইন’ নামে পরিচিত। তার জীবন যেমন ছিল আলোচিত, তেমনি ছিল নানা নাটকীয় ঘটনায় ভরা। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে অভিনয় ও সৌন্দর্যে দর্শকদের মুগ্ধ করা এই তারকাকে একবার চম্বলের এক দুর্ধর্ষ ডাকাত ছুরি দেখিয়ে অটোগ্রাফ দিতে বাধ্য করেছিলেন।
সম্প্রতি ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা।
ঘটনাটি মীনা কুমারীর কালজয়ী সিনেমা ‘পাকিজা’র শুটিং চলাকালীন। পরিচালক ও স্বামী কামাল আমরোহীর সঙ্গে তিনি মধ্যপ্রদেশের শিবপুরী যাচ্ছিলেন। পথে চম্বলের জঙ্গলে তাদের গাড়ির জ্বালানি ফুরিয়ে যায়। জনমানবহীন সেই এলাকায় হঠাৎ কয়েকটি গাড়ি এসে তাদের ঘিরে ধরে। কিছুক্ষণের মধ্যেই গাড়ি থেকে নেমে আসে একদল সশস্ত্র ডাকাত।
ডাকাতদের দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন মীনা কুমারী ও কামাল আমরোহী। সে সময় ডাকাত দলের সর্দার অমৃত লাল তাদের পরিচয় জানতে চান। কামাল আমরোহী জানান, তারা সিনেমার শুটিংয়ের জন্য সেখানে গেছেন।
‘শুটিং’ শব্দটি শুনে প্রথমে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ডাকাত দল। তারা মনে করেছিল, পুলিশ তাদের ধরতে এসেছে। পরে কামাল আমরোহী বুঝিয়ে বলেন, এটি সিনেমার শুটিং, পুলিশের গুলি নয়।
পরিচয় জানার পর ডাকাত সর্দার কিছুটা শান্ত হন। পরে জানতে পারেন, অন্য গাড়িতে বসে আছেন অভিনেত্রী মীনা কুমারী। অমৃত লাল ছিলেন তার অন্ধ ভক্ত। তিনি সঙ্গে সঙ্গে অভিনেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান এবং অটোগ্রাফ দাবি করেন।
কিন্তু সঙ্গে কাগজ-কলম না থাকায় নিজের হাতের ছুরি বের করেন তিনি। এতে ভয় পেয়ে যান মীনা কুমারী।
ডাকাত সর্দার বলেন, ছুরি দিয়ে তার হাতেই নিজের নাম লিখে দিতে হবে। তবেই তাদের যেতে দেওয়া হবে। অনেকটা বাধ্য হয়েই মীনা কুমারী ছুরি দিয়ে ডাকাতের হাতে নিজের নাম খোদাই করে দেন।
অটোগ্রাফ পাওয়ার পর সেই ডাকাত সর্দার নিজের লোক দিয়ে গাড়িতে পেট্রোল ভরিয়ে তাঁদের নিরাপদে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন।
শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়জীবন শুরু করা মীনা কুমারী ‘সাহেব বিবি অউর গোলাম’, ‘বৈজু বাওরা’, ‘কাজল’ ও ‘আজাদ’-এর মতো বহু ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তবে ব্যক্তিগত জীবন ছিল গভীর বিষাদে ভরা। স্বামী কামাল আমরোহীর সঙ্গে দূরত্ব, বিচ্ছেদ এবং একাকিত্ব তাকে মদ্যপানে আসক্ত করে তোলে।
মাত্র ৩৯ বছর বয়সে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান এই কালজয়ী অভিনেত্রী। তবে তার অভিনয় ও জীবনঘনিষ্ঠ গল্প আজও দর্শকদের আলোচনায় রয়ে গেছে।
সূত্র:
হিন্দুস্থান টাইমস

ভারতীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী মীনা কুমারী, যিনি ‘ট্র্যাজেডি কুইন’ নামে পরিচিত। তার জীবন যেমন ছিল আলোচিত, তেমনি ছিল নানা নাটকীয় ঘটনায় ভরা। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে অভিনয় ও সৌন্দর্যে দর্শকদের মুগ্ধ করা এই তারকাকে একবার চম্বলের এক দুর্ধর্ষ ডাকাত ছুরি দেখিয়ে অটোগ্রাফ দিতে বাধ্য করেছিলেন।
সম্প্রতি ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা।
ঘটনাটি মীনা কুমারীর কালজয়ী সিনেমা ‘পাকিজা’র শুটিং চলাকালীন। পরিচালক ও স্বামী কামাল আমরোহীর সঙ্গে তিনি মধ্যপ্রদেশের শিবপুরী যাচ্ছিলেন। পথে চম্বলের জঙ্গলে তাদের গাড়ির জ্বালানি ফুরিয়ে যায়। জনমানবহীন সেই এলাকায় হঠাৎ কয়েকটি গাড়ি এসে তাদের ঘিরে ধরে। কিছুক্ষণের মধ্যেই গাড়ি থেকে নেমে আসে একদল সশস্ত্র ডাকাত।
ডাকাতদের দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন মীনা কুমারী ও কামাল আমরোহী। সে সময় ডাকাত দলের সর্দার অমৃত লাল তাদের পরিচয় জানতে চান। কামাল আমরোহী জানান, তারা সিনেমার শুটিংয়ের জন্য সেখানে গেছেন।
‘শুটিং’ শব্দটি শুনে প্রথমে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ডাকাত দল। তারা মনে করেছিল, পুলিশ তাদের ধরতে এসেছে। পরে কামাল আমরোহী বুঝিয়ে বলেন, এটি সিনেমার শুটিং, পুলিশের গুলি নয়।
পরিচয় জানার পর ডাকাত সর্দার কিছুটা শান্ত হন। পরে জানতে পারেন, অন্য গাড়িতে বসে আছেন অভিনেত্রী মীনা কুমারী। অমৃত লাল ছিলেন তার অন্ধ ভক্ত। তিনি সঙ্গে সঙ্গে অভিনেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান এবং অটোগ্রাফ দাবি করেন।
কিন্তু সঙ্গে কাগজ-কলম না থাকায় নিজের হাতের ছুরি বের করেন তিনি। এতে ভয় পেয়ে যান মীনা কুমারী।
ডাকাত সর্দার বলেন, ছুরি দিয়ে তার হাতেই নিজের নাম লিখে দিতে হবে। তবেই তাদের যেতে দেওয়া হবে। অনেকটা বাধ্য হয়েই মীনা কুমারী ছুরি দিয়ে ডাকাতের হাতে নিজের নাম খোদাই করে দেন।
অটোগ্রাফ পাওয়ার পর সেই ডাকাত সর্দার নিজের লোক দিয়ে গাড়িতে পেট্রোল ভরিয়ে তাঁদের নিরাপদে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন।
শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়জীবন শুরু করা মীনা কুমারী ‘সাহেব বিবি অউর গোলাম’, ‘বৈজু বাওরা’, ‘কাজল’ ও ‘আজাদ’-এর মতো বহু ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তবে ব্যক্তিগত জীবন ছিল গভীর বিষাদে ভরা। স্বামী কামাল আমরোহীর সঙ্গে দূরত্ব, বিচ্ছেদ এবং একাকিত্ব তাকে মদ্যপানে আসক্ত করে তোলে।
মাত্র ৩৯ বছর বয়সে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান এই কালজয়ী অভিনেত্রী। তবে তার অভিনয় ও জীবনঘনিষ্ঠ গল্প আজও দর্শকদের আলোচনায় রয়ে গেছে।
সূত্র:
হিন্দুস্থান টাইমস

ডাকাতের হাতে নিজের নাম খোদাই করেছিলেন অভিনেত্রী
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৪: ২৮

অভিনেত্রী মীনা কুমারী। ছবি: ফিল্মফেয়ার
ভারতীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী মীনা কুমারী, যিনি ‘ট্র্যাজেডি কুইন’ নামে পরিচিত। তার জীবন যেমন ছিল আলোচিত, তেমনি ছিল নানা নাটকীয় ঘটনায় ভরা। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে অভিনয় ও সৌন্দর্যে দর্শকদের মুগ্ধ করা এই তারকাকে একবার চম্বলের এক দুর্ধর্ষ ডাকাত ছুরি দেখিয়ে অটোগ্রাফ দিতে বাধ্য করেছিলেন।
সম্প্রতি ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা।
ঘটনাটি মীনা কুমারীর কালজয়ী সিনেমা ‘পাকিজা’র শুটিং চলাকালীন। পরিচালক ও স্বামী কামাল আমরোহীর সঙ্গে তিনি মধ্যপ্রদেশের শিবপুরী যাচ্ছিলেন। পথে চম্বলের জঙ্গলে তাদের গাড়ির জ্বালানি ফুরিয়ে যায়। জনমানবহীন সেই এলাকায় হঠাৎ কয়েকটি গাড়ি এসে তাদের ঘিরে ধরে। কিছুক্ষণের মধ্যেই গাড়ি থেকে নেমে আসে একদল সশস্ত্র ডাকাত।
ডাকাতদের দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন মীনা কুমারী ও কামাল আমরোহী। সে সময় ডাকাত দলের সর্দার অমৃত লাল তাদের পরিচয় জানতে চান। কামাল আমরোহী জানান, তারা সিনেমার শুটিংয়ের জন্য সেখানে গেছেন।
‘শুটিং’ শব্দটি শুনে প্রথমে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ডাকাত দল। তারা মনে করেছিল, পুলিশ তাদের ধরতে এসেছে। পরে কামাল আমরোহী বুঝিয়ে বলেন, এটি সিনেমার শুটিং, পুলিশের গুলি নয়।
পরিচয় জানার পর ডাকাত সর্দার কিছুটা শান্ত হন। পরে জানতে পারেন, অন্য গাড়িতে বসে আছেন অভিনেত্রী মীনা কুমারী। অমৃত লাল ছিলেন তার অন্ধ ভক্ত। তিনি সঙ্গে সঙ্গে অভিনেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান এবং অটোগ্রাফ দাবি করেন।
কিন্তু সঙ্গে কাগজ-কলম না থাকায় নিজের হাতের ছুরি বের করেন তিনি। এতে ভয় পেয়ে যান মীনা কুমারী।
ডাকাত সর্দার বলেন, ছুরি দিয়ে তার হাতেই নিজের নাম লিখে দিতে হবে। তবেই তাদের যেতে দেওয়া হবে। অনেকটা বাধ্য হয়েই মীনা কুমারী ছুরি দিয়ে ডাকাতের হাতে নিজের নাম খোদাই করে দেন।
অটোগ্রাফ পাওয়ার পর সেই ডাকাত সর্দার নিজের লোক দিয়ে গাড়িতে পেট্রোল ভরিয়ে তাঁদের নিরাপদে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন।
শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়জীবন শুরু করা মীনা কুমারী ‘সাহেব বিবি অউর গোলাম’, ‘বৈজু বাওরা’, ‘কাজল’ ও ‘আজাদ’-এর মতো বহু ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তবে ব্যক্তিগত জীবন ছিল গভীর বিষাদে ভরা। স্বামী কামাল আমরোহীর সঙ্গে দূরত্ব, বিচ্ছেদ এবং একাকিত্ব তাকে মদ্যপানে আসক্ত করে তোলে।
মাত্র ৩৯ বছর বয়সে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান এই কালজয়ী অভিনেত্রী। তবে তার অভিনয় ও জীবনঘনিষ্ঠ গল্প আজও দর্শকদের আলোচনায় রয়ে গেছে।
সূত্র:
হিন্দুস্থান টাইমস
/এসএ/

স্পর্শকাতর সময়ে যে অনুরোধ পূজা চেরির


