আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের অর্থ ব্যবস্থাপনায় বদল আনছে নিউজিল্যান্ড
সিটিজেন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের অর্থ ব্যবস্থাপনায় বদল আনছে নিউজিল্যান্ড
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ৩৮

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আর্থিক সক্ষমতা যাচাই ও জীবনযাত্রার খরচ নির্বিঘ্ন রাখতে ‘ফান্ডস ট্রান্সফার স্কিম’ (এফটিএস) চালু করেছে নিউজিল্যান্ড সরকার। ইমিগ্রেশন নিউজিল্যান্ডের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ স্কিম বাস্তবায়ন করছে এএনজেড ব্যাংক।
এফটিএস মূলত একটি বিশেষ ব্যাংকিং ব্যবস্থা, যেখানে শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত জীবনযাপনের খরচ একটি সেভিংস অ্যাকাউন্টে জমা রাখেন। পরে নিউজিল্যান্ডে পৌঁছানোর পর সেই অর্থ মাসভিত্তিক কিস্তিতে তাদের সাধারণ অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়, যা দিয়ে দৈনন্দিন খরচ মেটানো যায়।
কারা এই স্কিম ব্যবহার করবেন, তা নির্ধারণ করে ইমিগ্রেশন নিউজিল্যান্ড। অনেক ক্ষেত্রে স্টুডেন্ট ভিসার শর্ত হিসেবেও এফটিএস বাধ্যতামূলক করা হয়। তবে শুধু এই স্কিমে অংশ নিলেই ভিসা নিশ্চিত হয় না।
এ স্কিমে অংশ নিতে শিক্ষার্থীর বয়স কমপক্ষে ১৩ বছর হতে হয়। পাশাপাশি এক বছরের জীবনযাত্রার ন্যূনতম ব্যয় আগাম জমা দিতে হয়। টারশিয়ারি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এই পরিমাণ প্রায় ২০ হাজার নিউজিল্যান্ড ডলার এবং স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রায় ১৭ হাজার ডলার। এতে টিউশন ফি অন্তর্ভুক্ত নয়।
সাধারণত অ্যাপ্রুভাল ইন প্রিন্সিপাল (এআইপি) পাওয়ার পর শিক্ষার্থীরা এফটিএস প্রক্রিয়া শুরু করেন। এরপর ব্যাংকে অনলাইনে আবেদন করলে প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই শেষে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। নির্ধারিত অর্থ জমা দেওয়ার পর ব্যাংক তা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিত করে, যা ভিসা চূড়ান্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
নিউজিল্যান্ডে পৌঁছানোর পর শিক্ষার্থীদের সরাসরি উপস্থিত হয়ে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করতে হয়। এফটিএস অ্যাকাউন্ট থেকে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট সীমার বেশি অর্থ তোলা যায় না। যেমন ২০ হাজার ডলার জমা থাকলে মাসে সর্বোচ্চ প্রায় ১ হাজার ৬৬৬ ডলার এবং ১৭ হাজার ডলার জমা থাকলে প্রায় ১ হাজার ৪১৬ ডলার খরচ করা যায়।
তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত অর্থ তোলার সুযোগ থাকতে পারে, যা ব্যাংকের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করে। শিক্ষার্থীরা চাইলে এফটিএসের পাশাপাশি অন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্টও ব্যবহার করতে পারেন।
ভিসা আবেদন বাতিল হলে বা পড়াশোনা শেষ হলে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ফেরত নেওয়া যায় এবং অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়।
সব মিলিয়ে, এফটিএস স্কিম আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে আনে। পাশাপাশি ভিসা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আর্থিক সক্ষমতা যাচাই ও জীবনযাত্রার খরচ নির্বিঘ্ন রাখতে ‘ফান্ডস ট্রান্সফার স্কিম’ (এফটিএস) চালু করেছে নিউজিল্যান্ড সরকার। ইমিগ্রেশন নিউজিল্যান্ডের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ স্কিম বাস্তবায়ন করছে এএনজেড ব্যাংক।
এফটিএস মূলত একটি বিশেষ ব্যাংকিং ব্যবস্থা, যেখানে শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত জীবনযাপনের খরচ একটি সেভিংস অ্যাকাউন্টে জমা রাখেন। পরে নিউজিল্যান্ডে পৌঁছানোর পর সেই অর্থ মাসভিত্তিক কিস্তিতে তাদের সাধারণ অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়, যা দিয়ে দৈনন্দিন খরচ মেটানো যায়।
কারা এই স্কিম ব্যবহার করবেন, তা নির্ধারণ করে ইমিগ্রেশন নিউজিল্যান্ড। অনেক ক্ষেত্রে স্টুডেন্ট ভিসার শর্ত হিসেবেও এফটিএস বাধ্যতামূলক করা হয়। তবে শুধু এই স্কিমে অংশ নিলেই ভিসা নিশ্চিত হয় না।
এ স্কিমে অংশ নিতে শিক্ষার্থীর বয়স কমপক্ষে ১৩ বছর হতে হয়। পাশাপাশি এক বছরের জীবনযাত্রার ন্যূনতম ব্যয় আগাম জমা দিতে হয়। টারশিয়ারি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এই পরিমাণ প্রায় ২০ হাজার নিউজিল্যান্ড ডলার এবং স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রায় ১৭ হাজার ডলার। এতে টিউশন ফি অন্তর্ভুক্ত নয়।
সাধারণত অ্যাপ্রুভাল ইন প্রিন্সিপাল (এআইপি) পাওয়ার পর শিক্ষার্থীরা এফটিএস প্রক্রিয়া শুরু করেন। এরপর ব্যাংকে অনলাইনে আবেদন করলে প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই শেষে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। নির্ধারিত অর্থ জমা দেওয়ার পর ব্যাংক তা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিত করে, যা ভিসা চূড়ান্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
নিউজিল্যান্ডে পৌঁছানোর পর শিক্ষার্থীদের সরাসরি উপস্থিত হয়ে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করতে হয়। এফটিএস অ্যাকাউন্ট থেকে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট সীমার বেশি অর্থ তোলা যায় না। যেমন ২০ হাজার ডলার জমা থাকলে মাসে সর্বোচ্চ প্রায় ১ হাজার ৬৬৬ ডলার এবং ১৭ হাজার ডলার জমা থাকলে প্রায় ১ হাজার ৪১৬ ডলার খরচ করা যায়।
তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত অর্থ তোলার সুযোগ থাকতে পারে, যা ব্যাংকের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করে। শিক্ষার্থীরা চাইলে এফটিএসের পাশাপাশি অন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্টও ব্যবহার করতে পারেন।
ভিসা আবেদন বাতিল হলে বা পড়াশোনা শেষ হলে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ফেরত নেওয়া যায় এবং অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়।
সব মিলিয়ে, এফটিএস স্কিম আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে আনে। পাশাপাশি ভিসা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের অর্থ ব্যবস্থাপনায় বদল আনছে নিউজিল্যান্ড
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ৩৮

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আর্থিক সক্ষমতা যাচাই ও জীবনযাত্রার খরচ নির্বিঘ্ন রাখতে ‘ফান্ডস ট্রান্সফার স্কিম’ (এফটিএস) চালু করেছে নিউজিল্যান্ড সরকার। ইমিগ্রেশন নিউজিল্যান্ডের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ স্কিম বাস্তবায়ন করছে এএনজেড ব্যাংক।
এফটিএস মূলত একটি বিশেষ ব্যাংকিং ব্যবস্থা, যেখানে শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত জীবনযাপনের খরচ একটি সেভিংস অ্যাকাউন্টে জমা রাখেন। পরে নিউজিল্যান্ডে পৌঁছানোর পর সেই অর্থ মাসভিত্তিক কিস্তিতে তাদের সাধারণ অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়, যা দিয়ে দৈনন্দিন খরচ মেটানো যায়।
কারা এই স্কিম ব্যবহার করবেন, তা নির্ধারণ করে ইমিগ্রেশন নিউজিল্যান্ড। অনেক ক্ষেত্রে স্টুডেন্ট ভিসার শর্ত হিসেবেও এফটিএস বাধ্যতামূলক করা হয়। তবে শুধু এই স্কিমে অংশ নিলেই ভিসা নিশ্চিত হয় না।
এ স্কিমে অংশ নিতে শিক্ষার্থীর বয়স কমপক্ষে ১৩ বছর হতে হয়। পাশাপাশি এক বছরের জীবনযাত্রার ন্যূনতম ব্যয় আগাম জমা দিতে হয়। টারশিয়ারি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এই পরিমাণ প্রায় ২০ হাজার নিউজিল্যান্ড ডলার এবং স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রায় ১৭ হাজার ডলার। এতে টিউশন ফি অন্তর্ভুক্ত নয়।
সাধারণত অ্যাপ্রুভাল ইন প্রিন্সিপাল (এআইপি) পাওয়ার পর শিক্ষার্থীরা এফটিএস প্রক্রিয়া শুরু করেন। এরপর ব্যাংকে অনলাইনে আবেদন করলে প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই শেষে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। নির্ধারিত অর্থ জমা দেওয়ার পর ব্যাংক তা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিত করে, যা ভিসা চূড়ান্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
নিউজিল্যান্ডে পৌঁছানোর পর শিক্ষার্থীদের সরাসরি উপস্থিত হয়ে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করতে হয়। এফটিএস অ্যাকাউন্ট থেকে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট সীমার বেশি অর্থ তোলা যায় না। যেমন ২০ হাজার ডলার জমা থাকলে মাসে সর্বোচ্চ প্রায় ১ হাজার ৬৬৬ ডলার এবং ১৭ হাজার ডলার জমা থাকলে প্রায় ১ হাজার ৪১৬ ডলার খরচ করা যায়।
তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত অর্থ তোলার সুযোগ থাকতে পারে, যা ব্যাংকের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করে। শিক্ষার্থীরা চাইলে এফটিএসের পাশাপাশি অন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্টও ব্যবহার করতে পারেন।
ভিসা আবেদন বাতিল হলে বা পড়াশোনা শেষ হলে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ফেরত নেওয়া যায় এবং অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়।
সব মিলিয়ে, এফটিএস স্কিম আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে আনে। পাশাপাশি ভিসা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
/এসএ/




