শিরোনাম

বিএসইসি চেয়ারম্যানকে ডিএসই’র অভিনন্দন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বিএসইসি চেয়ারম্যানকে ডিএসই’র অভিনন্দন
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কার্যালয়ে নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন

পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মাসুদ খান এবং নবনিযুক্ত তিন কমিশনারকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি।

আজ রবিবার (৭ জুন) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালনা পর্ষদ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কার্যালয়ে নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন এবং তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। ডিএসই প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক সৈয়দ হাম্মাদুল করীম, মুহাম্মদ ইসহাক মিয়া, সৈয়দা জাকেরিন বখত নাসির, স্নেহাশীষ বড়ুয়া, এফসিএ, রিচার্ড ডি রোজারিও, মিনহাজ মান্নান ইমন, মোঃ হানিফ ভূঁইয়া, মোঃ সাজেদুল ইসলাম এবং ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ারসহ ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাবৃন্দ।

বৈঠকের শুরুতেই, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মাসুদ খান বলেন, দেশের পুঁজিবাজারকে আরও কার্যকর, গতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব করতে কমিশন একটি সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে। কমিশনের মূল লক্ষ্য হবে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা কমিয়ে একটি সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর নিয়ন্ত্রক কাঠামো গড়ে তোলা। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি প্রণীত আইপিও, মার্জিন ঋণ ও মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিএসইসি’র চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজারের কার্যক্রমে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাইজেশন নিশ্চিত করা এবং আইপিও প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বাজারের সকল অংশীজনের সহযোগিতায় একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই পুঁজিবাজার গড়ে তুলতে কমিশন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

ডিএসই’র চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজারে কাঙ্ক্ষিত ও মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়নে ডিএসই বোর্ড ও ব্যবস্থাপনা সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করতে প্রস্তুত। পাশাপাশি আইপিও মূল্যায়ন ও বাজার তদারকিতে সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি ঝুঁকিভিত্তিক নিয়ন্ত্রক পদ্ধতি অনুসরণের আহ্বান জানান।

ডিএসই’র পরিচালক সৈয়দা জাকেরিন বখত নাসির বলেন, পুঁজিবাজারের কার্যকর উন্নয়নের জন্য বিএসইসি ও ডিএসই-এর মধ্যে দায়িত্ব ও কর্তৃত্বের স্পষ্ট বিভাজন, কার্যকর সমন্বয় এবং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার উন্নয়ন প্রয়োজন।

স্নেহাশীষ বড়ুয়া বলেন, পুঁজিবাজারের আইপিও ও রাইটস ইস্যু প্রক্রিয়ায় অধিকতর জবাবদিহিতা, দক্ষতা এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে।

রিচার্ড ডি রোজারিও বলেন, শেয়ার ক্যাটাগরি ব্যবস্থার পুনর্মূল্যায়ন, আধুনিক সেটেলমেন্ট ব্যবস্থা চালু এবং ডিলিস্টিং প্রক্রিয়া গুরুত্ব সহকারে কার্যকর করা প্রয়োজন।

মিনহাজ মান্নান ইমন ব্রোকারেজ খাতের অনিয়ম প্রতিরোধ এবং আইপিও প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় স্টক এক্সচেঞ্জের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে তিনি কমিশনের নতুন নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে একটি স্বচ্ছ, আধুনিক ও বিনিয়োগবান্ধব পুঁজিবাজার গড়ে তুলতে ডিএসই-এর সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

নুজহাত আনোয়ার বলেন, স্ক্রিপ্ট নেটিং ও টি+১ সেটেলমেন্ট ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে ডিএসই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করছে এবং এ বিষয়ে বিএসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

সবশেষে ডিএসই’র চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বিএসইসি’র নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের আবারও অভিনন্দন জানান।

/এমআর/