যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম সাত মাসে প্রায় সর্বোচ্চ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম সাত মাসে প্রায় সর্বোচ্চ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম সাত মাসের প্রায় সর্বোচ্চ কাছাকাছি অবস্থান করছে। সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে– এমন শঙ্কা বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বেড়েছে। দুই দেশের মধ্যে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪৩ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৭১ দশমিক ২০ ডলারে দাঁড়ায়। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ৩৮ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৬৬ দশমিক ০১ ডলারে পৌঁছায়।
গত শুক্রবার ব্রেন্টের দাম ৩১ জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠে। সোমবার ডব্লিউটিআই ৪ আগস্টের পর সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছায়। বিশ্লেষকেরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়লে বৈশ্বিক সরবরাহে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করে ইরানকে তাদের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় বসতে চাপ দিচ্ছে। দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত হলে ওপেকভুক্ত তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল উৎপাদনকারী দেশ ইরানসহ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদনকারীদের সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে।
আইএনজি’র পণ্য কৌশলবিদেরা বলেছেন, বর্তমান অনিশ্চয়তার কারণে বাজারে বড় ধরনের ‘ঝুঁকি প্রিমিয়াম’ বজায় থাকবে এবং নতুন যেকোনো ঘটনার প্রতি বাজার সংবেদনশীল থাকবে।
বৃহস্পতিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উটকভ ও জারেড কুশনার ইরানি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে তৃতীয় দফা বৈঠকে বসবেন। মঙ্গলবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি হাতের নাগালে, তবে কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, চুক্তি না হলে ‘খুব খারাপ পরিণতি’ হবে।
এদিকে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে ছয়টি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইরান চীন থেকে সুপারসনিক জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র কেনার চুক্তির কাছাকাছি রয়েছে। আলোচনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য অনুযায়ী, চীনে নির্মিত সিএম-৩০২ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। প্রায় ২৯০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র নিচু উচ্চতায় উচ্চগতিতে উড়ে জাহাজের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিতে সক্ষম।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের সক্ষমতা অর্জন করলে অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর জন্য নতুন হুমকি তৈরি হতে পারে। গত বছরের জুনে ইসরায়েল-ইরান ১২ দিনের যুদ্ধের পর আলোচনা দ্রুত অগ্রসর হয়। আলোচনার শেষ পর্যায়ে ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তারা চীন সফর করেন।
তবে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে অবগত নয়। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম সাত মাসের প্রায় সর্বোচ্চ কাছাকাছি অবস্থান করছে। সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে– এমন শঙ্কা বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বেড়েছে। দুই দেশের মধ্যে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪৩ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৭১ দশমিক ২০ ডলারে দাঁড়ায়। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ৩৮ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৬৬ দশমিক ০১ ডলারে পৌঁছায়।
গত শুক্রবার ব্রেন্টের দাম ৩১ জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠে। সোমবার ডব্লিউটিআই ৪ আগস্টের পর সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছায়। বিশ্লেষকেরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়লে বৈশ্বিক সরবরাহে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করে ইরানকে তাদের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় বসতে চাপ দিচ্ছে। দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত হলে ওপেকভুক্ত তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল উৎপাদনকারী দেশ ইরানসহ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদনকারীদের সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে।
আইএনজি’র পণ্য কৌশলবিদেরা বলেছেন, বর্তমান অনিশ্চয়তার কারণে বাজারে বড় ধরনের ‘ঝুঁকি প্রিমিয়াম’ বজায় থাকবে এবং নতুন যেকোনো ঘটনার প্রতি বাজার সংবেদনশীল থাকবে।
বৃহস্পতিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উটকভ ও জারেড কুশনার ইরানি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে তৃতীয় দফা বৈঠকে বসবেন। মঙ্গলবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি হাতের নাগালে, তবে কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, চুক্তি না হলে ‘খুব খারাপ পরিণতি’ হবে।
এদিকে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে ছয়টি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইরান চীন থেকে সুপারসনিক জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র কেনার চুক্তির কাছাকাছি রয়েছে। আলোচনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য অনুযায়ী, চীনে নির্মিত সিএম-৩০২ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। প্রায় ২৯০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র নিচু উচ্চতায় উচ্চগতিতে উড়ে জাহাজের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিতে সক্ষম।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের সক্ষমতা অর্জন করলে অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর জন্য নতুন হুমকি তৈরি হতে পারে। গত বছরের জুনে ইসরায়েল-ইরান ১২ দিনের যুদ্ধের পর আলোচনা দ্রুত অগ্রসর হয়। আলোচনার শেষ পর্যায়ে ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তারা চীন সফর করেন।
তবে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে অবগত নয়। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম সাত মাসে প্রায় সর্বোচ্চ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম সাত মাসের প্রায় সর্বোচ্চ কাছাকাছি অবস্থান করছে। সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে– এমন শঙ্কা বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বেড়েছে। দুই দেশের মধ্যে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪৩ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৭১ দশমিক ২০ ডলারে দাঁড়ায়। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ৩৮ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৬৬ দশমিক ০১ ডলারে পৌঁছায়।
গত শুক্রবার ব্রেন্টের দাম ৩১ জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠে। সোমবার ডব্লিউটিআই ৪ আগস্টের পর সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছায়। বিশ্লেষকেরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়লে বৈশ্বিক সরবরাহে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করে ইরানকে তাদের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় বসতে চাপ দিচ্ছে। দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত হলে ওপেকভুক্ত তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল উৎপাদনকারী দেশ ইরানসহ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদনকারীদের সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে।
আইএনজি’র পণ্য কৌশলবিদেরা বলেছেন, বর্তমান অনিশ্চয়তার কারণে বাজারে বড় ধরনের ‘ঝুঁকি প্রিমিয়াম’ বজায় থাকবে এবং নতুন যেকোনো ঘটনার প্রতি বাজার সংবেদনশীল থাকবে।
বৃহস্পতিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উটকভ ও জারেড কুশনার ইরানি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে তৃতীয় দফা বৈঠকে বসবেন। মঙ্গলবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি হাতের নাগালে, তবে কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, চুক্তি না হলে ‘খুব খারাপ পরিণতি’ হবে।
এদিকে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে ছয়টি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইরান চীন থেকে সুপারসনিক জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র কেনার চুক্তির কাছাকাছি রয়েছে। আলোচনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য অনুযায়ী, চীনে নির্মিত সিএম-৩০২ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। প্রায় ২৯০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র নিচু উচ্চতায় উচ্চগতিতে উড়ে জাহাজের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিতে সক্ষম।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের সক্ষমতা অর্জন করলে অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর জন্য নতুন হুমকি তৈরি হতে পারে। গত বছরের জুনে ইসরায়েল-ইরান ১২ দিনের যুদ্ধের পর আলোচনা দ্রুত অগ্রসর হয়। আলোচনার শেষ পর্যায়ে ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তারা চীন সফর করেন।
তবে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে অবগত নয়। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।।




