গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে, কিছুটা কমেছে লোডশেডিং

গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে, কিছুটা কমেছে লোডশেডিং
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘ দেড় মাসের অধিক সময় পর দেশে গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে। শিল্পে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার পর গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) থেকে এই উন্নতি। মঙ্গলবার আরও কিছুটা বেড়েছে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে শিল্প গ্রাহকদের। বাড়তি গ্যাসের অধিকাংশ যাচ্ছে এই খাতে। সেইসঙ্গে কমেছে লোডশেডিংও।
পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, সারা দেশে দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। তবে ২৬৫ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। এর মধ্যে এলএনজি থেকে সর্বোচ্চ ১০৫ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হয়। গত সোমবার রাতে ৯৮ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হয়। আর মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় এটি বেড়ে হয়েছে ১০১ কোটি ঘনফুট। এতে মোট গ্যাস সরবরাহ হয়েছে ২৬৩ ঘনফুট। এর মধ্যে দেশি গ্যাসক্ষেত্র থেকে এসেছে ১৬২ কোটি ঘনফুট।
| abska | sAS | x | xA |
|---|---|---|---|
| zxax | XAS | sxDA | a |
গত ২১ জুলাই মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন ধরে যায়। এতে সারা দেশে গ্যাস সরবরাহে বিপর্যয় ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনাল গত ৬ আগস্ট ত্রুটিমুক্ত করা হলেও গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সময়মতো এলএনজির কার্গো না আসায় সরবরাহ বাড়াতে দেরি হয়েছে। দীর্ঘ দেড় মাস পর অবশেষে গত সোমবার পসকো কোম্পানির একটি কার্গো আসার পর দেশের দুটি টার্মিনাল থেকে পুরোদমে গ্যাস দেওয়া শুরু করেছে পেট্রোবাংলা।
পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএল সূত্র বলছে, সেপ্টেম্বরে ১০টি এলএনজি কার্গো আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একাধিকবার দরপত্র দিলেও সব মিলিয়ে ৯টি কার্গো নিশ্চিত হয়েছে। তবে সবগুলোই বেশি দামে আমদানি করতে হচ্ছে।
এদিকে গ্যাস বেশি পাওয়ায় সারা দেশে বিদ্যুতের উৎপাদনও কিছুটা বেড়েছে। তবে এর পরও সারা দেশে ব্যাপক লোডশেডিং ছিল। মঙ্গলবার দুপুর ৩টায় সারা দেশে লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৫৯৪ মেগাওয়াট। ওই সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ২৯১ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ দেওয়া হয়েছে ১৪ হাজার ৬৯৭ মেগাওয়াট। এর আগে গত মাসে সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং করতে হয়েছে। এ হিসাবে আগের তুলনায় লোডশেডিং কমে এসেছে।

দীর্ঘ দেড় মাসের অধিক সময় পর দেশে গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে। শিল্পে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার পর গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) থেকে এই উন্নতি। মঙ্গলবার আরও কিছুটা বেড়েছে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে শিল্প গ্রাহকদের। বাড়তি গ্যাসের অধিকাংশ যাচ্ছে এই খাতে। সেইসঙ্গে কমেছে লোডশেডিংও।
পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, সারা দেশে দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। তবে ২৬৫ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। এর মধ্যে এলএনজি থেকে সর্বোচ্চ ১০৫ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হয়। গত সোমবার রাতে ৯৮ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হয়। আর মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় এটি বেড়ে হয়েছে ১০১ কোটি ঘনফুট। এতে মোট গ্যাস সরবরাহ হয়েছে ২৬৩ ঘনফুট। এর মধ্যে দেশি গ্যাসক্ষেত্র থেকে এসেছে ১৬২ কোটি ঘনফুট।
| abska | sAS | x | xA |
|---|---|---|---|
| zxax | XAS | sxDA | a |
গত ২১ জুলাই মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন ধরে যায়। এতে সারা দেশে গ্যাস সরবরাহে বিপর্যয় ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনাল গত ৬ আগস্ট ত্রুটিমুক্ত করা হলেও গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সময়মতো এলএনজির কার্গো না আসায় সরবরাহ বাড়াতে দেরি হয়েছে। দীর্ঘ দেড় মাস পর অবশেষে গত সোমবার পসকো কোম্পানির একটি কার্গো আসার পর দেশের দুটি টার্মিনাল থেকে পুরোদমে গ্যাস দেওয়া শুরু করেছে পেট্রোবাংলা।
পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএল সূত্র বলছে, সেপ্টেম্বরে ১০টি এলএনজি কার্গো আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একাধিকবার দরপত্র দিলেও সব মিলিয়ে ৯টি কার্গো নিশ্চিত হয়েছে। তবে সবগুলোই বেশি দামে আমদানি করতে হচ্ছে।
এদিকে গ্যাস বেশি পাওয়ায় সারা দেশে বিদ্যুতের উৎপাদনও কিছুটা বেড়েছে। তবে এর পরও সারা দেশে ব্যাপক লোডশেডিং ছিল। মঙ্গলবার দুপুর ৩টায় সারা দেশে লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৫৯৪ মেগাওয়াট। ওই সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ২৯১ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ দেওয়া হয়েছে ১৪ হাজার ৬৯৭ মেগাওয়াট। এর আগে গত মাসে সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং করতে হয়েছে। এ হিসাবে আগের তুলনায় লোডশেডিং কমে এসেছে।

গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে, কিছুটা কমেছে লোডশেডিং
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘ দেড় মাসের অধিক সময় পর দেশে গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে। শিল্পে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার পর গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) থেকে এই উন্নতি। মঙ্গলবার আরও কিছুটা বেড়েছে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে শিল্প গ্রাহকদের। বাড়তি গ্যাসের অধিকাংশ যাচ্ছে এই খাতে। সেইসঙ্গে কমেছে লোডশেডিংও।
পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, সারা দেশে দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। তবে ২৬৫ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। এর মধ্যে এলএনজি থেকে সর্বোচ্চ ১০৫ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হয়। গত সোমবার রাতে ৯৮ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হয়। আর মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় এটি বেড়ে হয়েছে ১০১ কোটি ঘনফুট। এতে মোট গ্যাস সরবরাহ হয়েছে ২৬৩ ঘনফুট। এর মধ্যে দেশি গ্যাসক্ষেত্র থেকে এসেছে ১৬২ কোটি ঘনফুট।
| abska | sAS | x | xA |
|---|---|---|---|
| zxax | XAS | sxDA | a |
গত ২১ জুলাই মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন ধরে যায়। এতে সারা দেশে গ্যাস সরবরাহে বিপর্যয় ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনাল গত ৬ আগস্ট ত্রুটিমুক্ত করা হলেও গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সময়মতো এলএনজির কার্গো না আসায় সরবরাহ বাড়াতে দেরি হয়েছে। দীর্ঘ দেড় মাস পর অবশেষে গত সোমবার পসকো কোম্পানির একটি কার্গো আসার পর দেশের দুটি টার্মিনাল থেকে পুরোদমে গ্যাস দেওয়া শুরু করেছে পেট্রোবাংলা।
পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএল সূত্র বলছে, সেপ্টেম্বরে ১০টি এলএনজি কার্গো আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একাধিকবার দরপত্র দিলেও সব মিলিয়ে ৯টি কার্গো নিশ্চিত হয়েছে। তবে সবগুলোই বেশি দামে আমদানি করতে হচ্ছে।
এদিকে গ্যাস বেশি পাওয়ায় সারা দেশে বিদ্যুতের উৎপাদনও কিছুটা বেড়েছে। তবে এর পরও সারা দেশে ব্যাপক লোডশেডিং ছিল। মঙ্গলবার দুপুর ৩টায় সারা দেশে লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৫৯৪ মেগাওয়াট। ওই সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ২৯১ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ দেওয়া হয়েছে ১৪ হাজার ৬৯৭ মেগাওয়াট। এর আগে গত মাসে সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং করতে হয়েছে। এ হিসাবে আগের তুলনায় লোডশেডিং কমে এসেছে।

নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর 







