চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে: ডিসিসিআই

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে: ডিসিসিআই
নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্রমবর্ধমান চাঁদাবাজি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতিশীল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ। তিনি বলেন, শুধু প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগই পারে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার মিলনায়তনে সংগঠনটির আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।
ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণে নির্বাচন-পরবর্তী উন্নত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার অত্যাবশ্যকীয়তা বিষয়ে এ সভা হয়। স্বাগত বক্তব্যে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, চাঁদাবাজি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও যানজট শুধু ব্যবসায়ী এবং বেসরকারি খাতের সমস্যা নয়। এগুলো সামগ্রিকভাবে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রত্যেক নাগরিককে প্রভাবিত করছে। সরকারি কর্মকর্তা, এমনকি পুলিশ বাহিনীর সদস্যরাও দৈনন্দিন জীবনে এসব সমস্যার প্রভাব থেকে মুক্ত নন। তাদের পরিবারের সদস্যরাও চাঁদাবাজি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
তিনি যোগ করেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর দায় চাপিয়ে দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। পুলিশ বা কোনো একটি দপ্তর একা এই সংকট মোকাবিলা করতে পারবে না। আমাদের নিজেদের মধ্যেও দায়িত্ববোধ তৈরি করতে হবে।
এই ব্যবসায়ী নেতা জানান, ব্যবসায়িক আস্থা গড়ে ওঠে বিশ্বাস, আইনের শাসন ও স্থিতিশীল পরিবেশের ওপর। বিগত কয়েক বছরে নানা কারণে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ধীর হয়ে গিয়েছিল। কঠোর মুদ্রানীতি ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উদ্বেগ বেসরকারি খাতের সম্প্রসারণকে প্রভাবিত করেছে।
ডিসিসিআই সভাপতির মতে, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ব্যবসার জন্য নিরাপদ ও অনুমানযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করাও অপরিহার্য।
তাসকীন আহমেদ আরও বলেন, অবৈধ চাঁদাবাজি, অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রশাসনিক জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতা ব্যবসা পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এসব সমস্যা ব্যবসার ব্যয় বাড়ায় এবং দেশীয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করে। তাই সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, নীতিনির্ধারক প্রতিষ্ঠান ও অর্থনৈতিক মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন এ এইচ এম আহসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতির (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খান।
চাঁদাবাজির প্রসঙ্গে আবদুর রহিম খান বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এরই মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। সাম্প্রতিক অভিযানের উদাহরণ টেনে তিনি জানান, কয়েকটি থানায় একাধিক অভিযানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এটি একটি প্রচেষ্টা।

ক্রমবর্ধমান চাঁদাবাজি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতিশীল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ। তিনি বলেন, শুধু প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগই পারে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার মিলনায়তনে সংগঠনটির আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।
ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণে নির্বাচন-পরবর্তী উন্নত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার অত্যাবশ্যকীয়তা বিষয়ে এ সভা হয়। স্বাগত বক্তব্যে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, চাঁদাবাজি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও যানজট শুধু ব্যবসায়ী এবং বেসরকারি খাতের সমস্যা নয়। এগুলো সামগ্রিকভাবে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রত্যেক নাগরিককে প্রভাবিত করছে। সরকারি কর্মকর্তা, এমনকি পুলিশ বাহিনীর সদস্যরাও দৈনন্দিন জীবনে এসব সমস্যার প্রভাব থেকে মুক্ত নন। তাদের পরিবারের সদস্যরাও চাঁদাবাজি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
তিনি যোগ করেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর দায় চাপিয়ে দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। পুলিশ বা কোনো একটি দপ্তর একা এই সংকট মোকাবিলা করতে পারবে না। আমাদের নিজেদের মধ্যেও দায়িত্ববোধ তৈরি করতে হবে।
এই ব্যবসায়ী নেতা জানান, ব্যবসায়িক আস্থা গড়ে ওঠে বিশ্বাস, আইনের শাসন ও স্থিতিশীল পরিবেশের ওপর। বিগত কয়েক বছরে নানা কারণে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ধীর হয়ে গিয়েছিল। কঠোর মুদ্রানীতি ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উদ্বেগ বেসরকারি খাতের সম্প্রসারণকে প্রভাবিত করেছে।
ডিসিসিআই সভাপতির মতে, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ব্যবসার জন্য নিরাপদ ও অনুমানযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করাও অপরিহার্য।
তাসকীন আহমেদ আরও বলেন, অবৈধ চাঁদাবাজি, অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রশাসনিক জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতা ব্যবসা পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এসব সমস্যা ব্যবসার ব্যয় বাড়ায় এবং দেশীয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করে। তাই সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, নীতিনির্ধারক প্রতিষ্ঠান ও অর্থনৈতিক মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন এ এইচ এম আহসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতির (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খান।
চাঁদাবাজির প্রসঙ্গে আবদুর রহিম খান বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এরই মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। সাম্প্রতিক অভিযানের উদাহরণ টেনে তিনি জানান, কয়েকটি থানায় একাধিক অভিযানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এটি একটি প্রচেষ্টা।

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে: ডিসিসিআই
নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্রমবর্ধমান চাঁদাবাজি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতিশীল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ। তিনি বলেন, শুধু প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগই পারে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার মিলনায়তনে সংগঠনটির আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।
ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণে নির্বাচন-পরবর্তী উন্নত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার অত্যাবশ্যকীয়তা বিষয়ে এ সভা হয়। স্বাগত বক্তব্যে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, চাঁদাবাজি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও যানজট শুধু ব্যবসায়ী এবং বেসরকারি খাতের সমস্যা নয়। এগুলো সামগ্রিকভাবে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রত্যেক নাগরিককে প্রভাবিত করছে। সরকারি কর্মকর্তা, এমনকি পুলিশ বাহিনীর সদস্যরাও দৈনন্দিন জীবনে এসব সমস্যার প্রভাব থেকে মুক্ত নন। তাদের পরিবারের সদস্যরাও চাঁদাবাজি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
তিনি যোগ করেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর দায় চাপিয়ে দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। পুলিশ বা কোনো একটি দপ্তর একা এই সংকট মোকাবিলা করতে পারবে না। আমাদের নিজেদের মধ্যেও দায়িত্ববোধ তৈরি করতে হবে।
এই ব্যবসায়ী নেতা জানান, ব্যবসায়িক আস্থা গড়ে ওঠে বিশ্বাস, আইনের শাসন ও স্থিতিশীল পরিবেশের ওপর। বিগত কয়েক বছরে নানা কারণে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ধীর হয়ে গিয়েছিল। কঠোর মুদ্রানীতি ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উদ্বেগ বেসরকারি খাতের সম্প্রসারণকে প্রভাবিত করেছে।
ডিসিসিআই সভাপতির মতে, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ব্যবসার জন্য নিরাপদ ও অনুমানযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করাও অপরিহার্য।
তাসকীন আহমেদ আরও বলেন, অবৈধ চাঁদাবাজি, অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রশাসনিক জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতা ব্যবসা পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এসব সমস্যা ব্যবসার ব্যয় বাড়ায় এবং দেশীয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করে। তাই সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, নীতিনির্ধারক প্রতিষ্ঠান ও অর্থনৈতিক মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন এ এইচ এম আহসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতির (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খান।
চাঁদাবাজির প্রসঙ্গে আবদুর রহিম খান বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এরই মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। সাম্প্রতিক অভিযানের উদাহরণ টেনে তিনি জানান, কয়েকটি থানায় একাধিক অভিযানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এটি একটি প্রচেষ্টা।




