শিশুখাদ্য তৈরির কাঁচামালে কমছে শুল্ক

শিশুখাদ্য তৈরির কাঁচামালে কমছে শুল্ক
সিটিজেন ডেস্ক

শিশুখাদ্য তৈরির কাঁচামাল আমদানিতে ১৫ শতাংশ শুল্ক হ্রাস করা হবে বলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট প্রস্তাবে জানানো হয়েছে।
প্রস্তাবনা অনুযায়ী, আমদানিকৃত শিশু খাদ্য প্রস্তুতিমূলক সামগ্রীর ওপর শিল্পের কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ হতে হ্রাস করে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এর ফলে দেশের বাজারে শিশুখাদ্যের দাম হ্রাস পেয়ে সাধারণ মানুষের কাছে আরও সুলভ ও সহজলভ্য হবে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের বিশাল এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক-দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।

শিশুখাদ্য তৈরির কাঁচামাল আমদানিতে ১৫ শতাংশ শুল্ক হ্রাস করা হবে বলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট প্রস্তাবে জানানো হয়েছে।
প্রস্তাবনা অনুযায়ী, আমদানিকৃত শিশু খাদ্য প্রস্তুতিমূলক সামগ্রীর ওপর শিল্পের কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ হতে হ্রাস করে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এর ফলে দেশের বাজারে শিশুখাদ্যের দাম হ্রাস পেয়ে সাধারণ মানুষের কাছে আরও সুলভ ও সহজলভ্য হবে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের বিশাল এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক-দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।

শিশুখাদ্য তৈরির কাঁচামালে কমছে শুল্ক
সিটিজেন ডেস্ক

শিশুখাদ্য তৈরির কাঁচামাল আমদানিতে ১৫ শতাংশ শুল্ক হ্রাস করা হবে বলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট প্রস্তাবে জানানো হয়েছে।
প্রস্তাবনা অনুযায়ী, আমদানিকৃত শিশু খাদ্য প্রস্তুতিমূলক সামগ্রীর ওপর শিল্পের কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ হতে হ্রাস করে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এর ফলে দেশের বাজারে শিশুখাদ্যের দাম হ্রাস পেয়ে সাধারণ মানুষের কাছে আরও সুলভ ও সহজলভ্য হবে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের বিশাল এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক-দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।




