বেসরকারি খাতের বিকাশে অর্থায়ন সংকট দূর করার তাগিদ

বেসরকারি খাতের বিকাশে অর্থায়ন সংকট দূর করার তাগিদ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বাংলাদেশে নতুন ব্যবসা শুরু ও বিদ্যমান শিল্প কারখানা পরিচালনায় সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মূলধন এবং ঋণ পাওয়ার জটিলতা। দেশের ব্যবসা পরিবেশ সংক্রান্ত ১১টি মূল সূচকের মধ্যে ‘অর্থায়নের সুযোগ’ খাতটি সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে, যার সূচক মাত্র ৪০ দশমিক ০৭ শতাংশ। এই স্থবিরতা কাটাতে শুধু ব্যাংকের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদি বিকল্প মূলধন ব্যবস্থা, ডিজিটাল ইকোসিস্টেম এবং নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ নীতি-নির্ধারক ও ব্যবসায়ী নেতারা।
সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার গুলশানে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) কার্যালয়ে আয়োজিত ‘এক্সেস টু ফাইন্যান্স ইন বাংলাদেশ: বিল্ডিং আ মোর কন্ডুসিভ ফাইন্যান্সিয়াল সিস্টেম ফর দ্য প্রাইভেট সেক্টর’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন বক্তারা।
অস্ট্রেলীয় সরকারের বৈদেশিক বিষয়ক ও বাণিজ্য বিভাগের (ডিএফএটি) সহায়তায় পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ এবং এমসিসিআই যৌথভাবে এই আলোচনার আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন এমসিসিআইয়ের মহাসচিব ও সিইও ফারুক আহমেদ।
পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন শিল্প উদ্যোক্তা ও ব্যাংকিং খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা। আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উঠে আসে।
মূল বক্তব্যে পিডব্লিউসি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং পার্টনার শামস জামান বলেন, নতুন ঋণপ্রবাহ চালু ও আর্থিক খাতে আস্থা ফেরাতে খেলাপি ঋণের নির্ভরযোগ্য সমাধান জরুরি। একইসঙ্গে শুধু ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর নির্ভর না করে দীর্ঘমেয়াদি মূলধন পাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে হবে এবং ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিমকে একটি স্বাধীন ও পেশাদার কাঠামোর রূপ দেওয়া প্রয়োজন।
শাশা ডেনিমস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামস মাহমুদ বলেন, সাম্প্রতিক বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খাত মারাত্মক নগদ প্রবাহের (ক্যাশ-ফ্লো) সংকটে পড়েছে।
আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (আমচ্যাম) সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, ছোট ও মাঝারি শিল্পগুলো বড় প্রতিষ্ঠানের মতো সহজ সুযোগ পায় না, যার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বিচার ব্যবস্থার সমন্বিত নজরদারি প্রয়োজন।
ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আবদুল মোমেন ম্যানুয়াল ঋণের পরিবর্তে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর আহ্বান জানান।
এইচএসবিসি বাংলাদেশের মাল্টিন্যাশনাল হোলসেল ব্যাংকিং প্রধান অন্দালিব মির্জা বলেন, পোশাক খাতের বাইরে অন্যান্য খাতের ডিজিটাল তথ্য ও যাচাইযোগ্য আর্থিক হিসেব না থাকায় ব্যাংকগুলো সঠিক ঝুঁকি মূল্যায়ন করতে পারছে না।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরুল আমীন বলেন, দেশের আঞ্চলিক, লিঙ্গভিত্তিক ও সামাজিক বৈষম্য বিবেচনায় রেখে অর্থায়নের ক্ষেত্রে সবার জন্য এক নীতি না বানিয়ে ভিন্ন ভিন্ন কৌশল বা নীতি গ্রহণ করতে হবে।

বাংলাদেশে নতুন ব্যবসা শুরু ও বিদ্যমান শিল্প কারখানা পরিচালনায় সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মূলধন এবং ঋণ পাওয়ার জটিলতা। দেশের ব্যবসা পরিবেশ সংক্রান্ত ১১টি মূল সূচকের মধ্যে ‘অর্থায়নের সুযোগ’ খাতটি সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে, যার সূচক মাত্র ৪০ দশমিক ০৭ শতাংশ। এই স্থবিরতা কাটাতে শুধু ব্যাংকের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদি বিকল্প মূলধন ব্যবস্থা, ডিজিটাল ইকোসিস্টেম এবং নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ নীতি-নির্ধারক ও ব্যবসায়ী নেতারা।
সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার গুলশানে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) কার্যালয়ে আয়োজিত ‘এক্সেস টু ফাইন্যান্স ইন বাংলাদেশ: বিল্ডিং আ মোর কন্ডুসিভ ফাইন্যান্সিয়াল সিস্টেম ফর দ্য প্রাইভেট সেক্টর’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন বক্তারা।
অস্ট্রেলীয় সরকারের বৈদেশিক বিষয়ক ও বাণিজ্য বিভাগের (ডিএফএটি) সহায়তায় পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ এবং এমসিসিআই যৌথভাবে এই আলোচনার আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন এমসিসিআইয়ের মহাসচিব ও সিইও ফারুক আহমেদ।
পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন শিল্প উদ্যোক্তা ও ব্যাংকিং খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা। আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উঠে আসে।
মূল বক্তব্যে পিডব্লিউসি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং পার্টনার শামস জামান বলেন, নতুন ঋণপ্রবাহ চালু ও আর্থিক খাতে আস্থা ফেরাতে খেলাপি ঋণের নির্ভরযোগ্য সমাধান জরুরি। একইসঙ্গে শুধু ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর নির্ভর না করে দীর্ঘমেয়াদি মূলধন পাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে হবে এবং ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিমকে একটি স্বাধীন ও পেশাদার কাঠামোর রূপ দেওয়া প্রয়োজন।
শাশা ডেনিমস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামস মাহমুদ বলেন, সাম্প্রতিক বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খাত মারাত্মক নগদ প্রবাহের (ক্যাশ-ফ্লো) সংকটে পড়েছে।
আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (আমচ্যাম) সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, ছোট ও মাঝারি শিল্পগুলো বড় প্রতিষ্ঠানের মতো সহজ সুযোগ পায় না, যার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বিচার ব্যবস্থার সমন্বিত নজরদারি প্রয়োজন।
ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আবদুল মোমেন ম্যানুয়াল ঋণের পরিবর্তে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর আহ্বান জানান।
এইচএসবিসি বাংলাদেশের মাল্টিন্যাশনাল হোলসেল ব্যাংকিং প্রধান অন্দালিব মির্জা বলেন, পোশাক খাতের বাইরে অন্যান্য খাতের ডিজিটাল তথ্য ও যাচাইযোগ্য আর্থিক হিসেব না থাকায় ব্যাংকগুলো সঠিক ঝুঁকি মূল্যায়ন করতে পারছে না।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরুল আমীন বলেন, দেশের আঞ্চলিক, লিঙ্গভিত্তিক ও সামাজিক বৈষম্য বিবেচনায় রেখে অর্থায়নের ক্ষেত্রে সবার জন্য এক নীতি না বানিয়ে ভিন্ন ভিন্ন কৌশল বা নীতি গ্রহণ করতে হবে।

বেসরকারি খাতের বিকাশে অর্থায়ন সংকট দূর করার তাগিদ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বাংলাদেশে নতুন ব্যবসা শুরু ও বিদ্যমান শিল্প কারখানা পরিচালনায় সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মূলধন এবং ঋণ পাওয়ার জটিলতা। দেশের ব্যবসা পরিবেশ সংক্রান্ত ১১টি মূল সূচকের মধ্যে ‘অর্থায়নের সুযোগ’ খাতটি সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে, যার সূচক মাত্র ৪০ দশমিক ০৭ শতাংশ। এই স্থবিরতা কাটাতে শুধু ব্যাংকের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদি বিকল্প মূলধন ব্যবস্থা, ডিজিটাল ইকোসিস্টেম এবং নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ নীতি-নির্ধারক ও ব্যবসায়ী নেতারা।
সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার গুলশানে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) কার্যালয়ে আয়োজিত ‘এক্সেস টু ফাইন্যান্স ইন বাংলাদেশ: বিল্ডিং আ মোর কন্ডুসিভ ফাইন্যান্সিয়াল সিস্টেম ফর দ্য প্রাইভেট সেক্টর’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন বক্তারা।
অস্ট্রেলীয় সরকারের বৈদেশিক বিষয়ক ও বাণিজ্য বিভাগের (ডিএফএটি) সহায়তায় পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ এবং এমসিসিআই যৌথভাবে এই আলোচনার আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন এমসিসিআইয়ের মহাসচিব ও সিইও ফারুক আহমেদ।
পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন শিল্প উদ্যোক্তা ও ব্যাংকিং খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা। আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উঠে আসে।
মূল বক্তব্যে পিডব্লিউসি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং পার্টনার শামস জামান বলেন, নতুন ঋণপ্রবাহ চালু ও আর্থিক খাতে আস্থা ফেরাতে খেলাপি ঋণের নির্ভরযোগ্য সমাধান জরুরি। একইসঙ্গে শুধু ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর নির্ভর না করে দীর্ঘমেয়াদি মূলধন পাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে হবে এবং ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিমকে একটি স্বাধীন ও পেশাদার কাঠামোর রূপ দেওয়া প্রয়োজন।
শাশা ডেনিমস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামস মাহমুদ বলেন, সাম্প্রতিক বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খাত মারাত্মক নগদ প্রবাহের (ক্যাশ-ফ্লো) সংকটে পড়েছে।
আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (আমচ্যাম) সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, ছোট ও মাঝারি শিল্পগুলো বড় প্রতিষ্ঠানের মতো সহজ সুযোগ পায় না, যার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বিচার ব্যবস্থার সমন্বিত নজরদারি প্রয়োজন।
ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আবদুল মোমেন ম্যানুয়াল ঋণের পরিবর্তে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর আহ্বান জানান।
এইচএসবিসি বাংলাদেশের মাল্টিন্যাশনাল হোলসেল ব্যাংকিং প্রধান অন্দালিব মির্জা বলেন, পোশাক খাতের বাইরে অন্যান্য খাতের ডিজিটাল তথ্য ও যাচাইযোগ্য আর্থিক হিসেব না থাকায় ব্যাংকগুলো সঠিক ঝুঁকি মূল্যায়ন করতে পারছে না।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরুল আমীন বলেন, দেশের আঞ্চলিক, লিঙ্গভিত্তিক ও সামাজিক বৈষম্য বিবেচনায় রেখে অর্থায়নের ক্ষেত্রে সবার জন্য এক নীতি না বানিয়ে ভিন্ন ভিন্ন কৌশল বা নীতি গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামী ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতিতে সাবেক রাষ্ট্রপতির কোম্পানিও জড়িত







