বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত

বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে প্রথমবারের মতো বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা ব্যবসা ও বিনিয়োগের পরিবেশ এবং সংস্কারের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার বিষয়ে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে সময়োপযোগী ও কাঠামোবদ্ধ মতামত দিতে পারবেন। উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রতি ৩ মাস অন্তর এই পরিষদ সভা করবে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে পরিষদের প্রথম সভা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচন করা পরিষদের সদস্যরা হলেন- এসিআই পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আরিফ দৌলা, এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী, বে গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউর রহমান, ইনসেপ্টা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মুকতাদির, ডিবিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল জাব্বার, র্যাংগস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহানা রউফ চৌধুরী এবং প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর।
পরিষদ সদস্যরা ফোরাম প্রতিষ্ঠায় সরকারের উদ্যোগ এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে একটি উন্মুক্ত ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার মানসিকতাকে সাধুবাদ জানান। প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুকতাদির, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদি আমিন ও বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।
তারেক রহমান সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেন। এরপর পরিষদ সদস্যদের মধ্যে উন্মুক্ত আলোচনা হয়। এতে নিয়ন্ত্রক পরিবেশ, জ্বালানি, মানবসম্পদ, করনীতি, লজিস্টিকস, রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।
সভায় জানানো হয়, পরিষদ এখন বেসরকারি খাতের মতামতের ভিত্তিতে একটি সংক্ষিপ্ত প্রস্তাব প্রস্তুত করবে, যার সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবসায়িক পরিবেশের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার জন্য একটি লক্ষ্যভিত্তিক ও কার্যকর কর্মপরিকল্পনা থাকবে।
এসময় প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দেন, বাংলাদেশকে বৈশ্বিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক রাখতে প্রস্তাবে অন্যান্য দেশের প্রমাণভিত্তিক আইনগত, নীতিগত ও নিয়ন্ত্রক দৃষ্টান্ত অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এতে সরকারপক্ষ থেকে সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে বিডা (বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) কাজ করবে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তাবিত কর্মপরিকল্পনার কার্যকর বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে।
সভায় বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদ গঠন বিডা প্রস্তাবিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের একটি। এর উদ্দেশ্য হলো সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে বেসরকারি খাতের ধারাবাহিক ও কাঠামোবদ্ধ মতামত দেওয়ার একটি কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি করা। এ বিষয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার এবং দেশের সংস্কার ও বিনিয়োগ এজেন্ডাকে এগিয়ে নিতে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের একত্র করার জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞ।

দেশে প্রথমবারের মতো বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা ব্যবসা ও বিনিয়োগের পরিবেশ এবং সংস্কারের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার বিষয়ে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে সময়োপযোগী ও কাঠামোবদ্ধ মতামত দিতে পারবেন। উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রতি ৩ মাস অন্তর এই পরিষদ সভা করবে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে পরিষদের প্রথম সভা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচন করা পরিষদের সদস্যরা হলেন- এসিআই পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আরিফ দৌলা, এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী, বে গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউর রহমান, ইনসেপ্টা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মুকতাদির, ডিবিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল জাব্বার, র্যাংগস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহানা রউফ চৌধুরী এবং প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর।
পরিষদ সদস্যরা ফোরাম প্রতিষ্ঠায় সরকারের উদ্যোগ এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে একটি উন্মুক্ত ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার মানসিকতাকে সাধুবাদ জানান। প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুকতাদির, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদি আমিন ও বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।
তারেক রহমান সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেন। এরপর পরিষদ সদস্যদের মধ্যে উন্মুক্ত আলোচনা হয়। এতে নিয়ন্ত্রক পরিবেশ, জ্বালানি, মানবসম্পদ, করনীতি, লজিস্টিকস, রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।
সভায় জানানো হয়, পরিষদ এখন বেসরকারি খাতের মতামতের ভিত্তিতে একটি সংক্ষিপ্ত প্রস্তাব প্রস্তুত করবে, যার সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবসায়িক পরিবেশের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার জন্য একটি লক্ষ্যভিত্তিক ও কার্যকর কর্মপরিকল্পনা থাকবে।
এসময় প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দেন, বাংলাদেশকে বৈশ্বিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক রাখতে প্রস্তাবে অন্যান্য দেশের প্রমাণভিত্তিক আইনগত, নীতিগত ও নিয়ন্ত্রক দৃষ্টান্ত অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এতে সরকারপক্ষ থেকে সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে বিডা (বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) কাজ করবে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তাবিত কর্মপরিকল্পনার কার্যকর বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে।
সভায় বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদ গঠন বিডা প্রস্তাবিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের একটি। এর উদ্দেশ্য হলো সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে বেসরকারি খাতের ধারাবাহিক ও কাঠামোবদ্ধ মতামত দেওয়ার একটি কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি করা। এ বিষয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার এবং দেশের সংস্কার ও বিনিয়োগ এজেন্ডাকে এগিয়ে নিতে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের একত্র করার জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞ।

বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে প্রথমবারের মতো বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা ব্যবসা ও বিনিয়োগের পরিবেশ এবং সংস্কারের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার বিষয়ে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে সময়োপযোগী ও কাঠামোবদ্ধ মতামত দিতে পারবেন। উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রতি ৩ মাস অন্তর এই পরিষদ সভা করবে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে পরিষদের প্রথম সভা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচন করা পরিষদের সদস্যরা হলেন- এসিআই পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আরিফ দৌলা, এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী, বে গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউর রহমান, ইনসেপ্টা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মুকতাদির, ডিবিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল জাব্বার, র্যাংগস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহানা রউফ চৌধুরী এবং প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর।
পরিষদ সদস্যরা ফোরাম প্রতিষ্ঠায় সরকারের উদ্যোগ এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে একটি উন্মুক্ত ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার মানসিকতাকে সাধুবাদ জানান। প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুকতাদির, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদি আমিন ও বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।
তারেক রহমান সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেন। এরপর পরিষদ সদস্যদের মধ্যে উন্মুক্ত আলোচনা হয়। এতে নিয়ন্ত্রক পরিবেশ, জ্বালানি, মানবসম্পদ, করনীতি, লজিস্টিকস, রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।
সভায় জানানো হয়, পরিষদ এখন বেসরকারি খাতের মতামতের ভিত্তিতে একটি সংক্ষিপ্ত প্রস্তাব প্রস্তুত করবে, যার সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবসায়িক পরিবেশের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার জন্য একটি লক্ষ্যভিত্তিক ও কার্যকর কর্মপরিকল্পনা থাকবে।
এসময় প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দেন, বাংলাদেশকে বৈশ্বিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক রাখতে প্রস্তাবে অন্যান্য দেশের প্রমাণভিত্তিক আইনগত, নীতিগত ও নিয়ন্ত্রক দৃষ্টান্ত অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এতে সরকারপক্ষ থেকে সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে বিডা (বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) কাজ করবে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তাবিত কর্মপরিকল্পনার কার্যকর বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে।
সভায় বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদ গঠন বিডা প্রস্তাবিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের একটি। এর উদ্দেশ্য হলো সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে বেসরকারি খাতের ধারাবাহিক ও কাঠামোবদ্ধ মতামত দেওয়ার একটি কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি করা। এ বিষয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার এবং দেশের সংস্কার ও বিনিয়োগ এজেন্ডাকে এগিয়ে নিতে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের একত্র করার জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞ।




