ইসলামী ব্যাংকের এমডিকে পদত্যাগের চাপ পর্ষদের

ইসলামী ব্যাংকের এমডিকে পদত্যাগের চাপ পর্ষদের
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম ওমর ফারুক খানকে পরিচালনা পর্ষদ পদত্যাগের জন্য চাপ দিয়েছে বলে জানা গেছে।
রবিবার (২৪ মে) পরিচালনা পর্ষদের কাছে তাকে পদত্যাগপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, ওমর ফারুক বর্তমানে ৪৯ দিনের ‘বাধ্যতামূলক’ ছুটিতে আছেন, যা ৩১ মে শেষ হবে।
এর আগে, ওমর ফারুক ১৫ দিনের শ্রান্তি-বিনোদন ছুটি চেয়ে আবেদন করলে ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ তাকে দীর্ঘ ছুটিতে পাঠানো হয়। গত ১২ এপ্রিল থেকে ছুটিতে আছেন এই শীর্ষ ব্যাংকার।
সূত্র জানিয়েছে, রাজনৈতিক কারণে ওমর ফারুককে ব্যাংকটির এমডি পদে রাখতে চাইছে না ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ’। তবে এই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কে বা কারা সেই বিষয়ে কেউ মুখ খুলেনি কেউ।
ওমর ফারুক জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের সময় জামায়াতের পক্ষে প্রচারে ইসলামী ব্যাংককে ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে।
জানা গেছে, ওমর ফারুকের নিয়োগের অনুমোদনসংক্রান্ত নথি দুবার ফেরত গিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দপ্তর থেকে। তৃতীয় বারে বাংলাদেশ ব্যাংক তার নিয়োগ অনুমোদন করেছিল।
পদত্যাগের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ওমর ফারুক।
মো. ওমর ফারুক খান ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট ইসলামী ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ পান। এর আগে ওই বছরের মে মাসে চাকরি হারান ইসলামী ব্যাংকের তৎকালীন এমডি মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও জালিয়াতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ছিল। ওমর ফারুক প্রথমে এমডির চলতি দায়িত্ব পান।
তিনি ১৯৮৬ সালে ইসলামী ব্যাংকে যোগ দিয়ে ব্যাংকিং কর্মজীবন শুরু করেন। বিগত সরকারের সময়ে ডিএমডি থাকাবস্থায় পদত্যাগ করে তিনি এনআরবি ব্যাংকের অতিরিক্ত এমডি হিসেবে যোগ দেন।

ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম ওমর ফারুক খানকে পরিচালনা পর্ষদ পদত্যাগের জন্য চাপ দিয়েছে বলে জানা গেছে।
রবিবার (২৪ মে) পরিচালনা পর্ষদের কাছে তাকে পদত্যাগপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, ওমর ফারুক বর্তমানে ৪৯ দিনের ‘বাধ্যতামূলক’ ছুটিতে আছেন, যা ৩১ মে শেষ হবে।
এর আগে, ওমর ফারুক ১৫ দিনের শ্রান্তি-বিনোদন ছুটি চেয়ে আবেদন করলে ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ তাকে দীর্ঘ ছুটিতে পাঠানো হয়। গত ১২ এপ্রিল থেকে ছুটিতে আছেন এই শীর্ষ ব্যাংকার।
সূত্র জানিয়েছে, রাজনৈতিক কারণে ওমর ফারুককে ব্যাংকটির এমডি পদে রাখতে চাইছে না ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ’। তবে এই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কে বা কারা সেই বিষয়ে কেউ মুখ খুলেনি কেউ।
ওমর ফারুক জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের সময় জামায়াতের পক্ষে প্রচারে ইসলামী ব্যাংককে ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে।
জানা গেছে, ওমর ফারুকের নিয়োগের অনুমোদনসংক্রান্ত নথি দুবার ফেরত গিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দপ্তর থেকে। তৃতীয় বারে বাংলাদেশ ব্যাংক তার নিয়োগ অনুমোদন করেছিল।
পদত্যাগের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ওমর ফারুক।
মো. ওমর ফারুক খান ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট ইসলামী ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ পান। এর আগে ওই বছরের মে মাসে চাকরি হারান ইসলামী ব্যাংকের তৎকালীন এমডি মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও জালিয়াতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ছিল। ওমর ফারুক প্রথমে এমডির চলতি দায়িত্ব পান।
তিনি ১৯৮৬ সালে ইসলামী ব্যাংকে যোগ দিয়ে ব্যাংকিং কর্মজীবন শুরু করেন। বিগত সরকারের সময়ে ডিএমডি থাকাবস্থায় পদত্যাগ করে তিনি এনআরবি ব্যাংকের অতিরিক্ত এমডি হিসেবে যোগ দেন।

ইসলামী ব্যাংকের এমডিকে পদত্যাগের চাপ পর্ষদের
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম ওমর ফারুক খানকে পরিচালনা পর্ষদ পদত্যাগের জন্য চাপ দিয়েছে বলে জানা গেছে।
রবিবার (২৪ মে) পরিচালনা পর্ষদের কাছে তাকে পদত্যাগপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, ওমর ফারুক বর্তমানে ৪৯ দিনের ‘বাধ্যতামূলক’ ছুটিতে আছেন, যা ৩১ মে শেষ হবে।
এর আগে, ওমর ফারুক ১৫ দিনের শ্রান্তি-বিনোদন ছুটি চেয়ে আবেদন করলে ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ তাকে দীর্ঘ ছুটিতে পাঠানো হয়। গত ১২ এপ্রিল থেকে ছুটিতে আছেন এই শীর্ষ ব্যাংকার।
সূত্র জানিয়েছে, রাজনৈতিক কারণে ওমর ফারুককে ব্যাংকটির এমডি পদে রাখতে চাইছে না ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ’। তবে এই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কে বা কারা সেই বিষয়ে কেউ মুখ খুলেনি কেউ।
ওমর ফারুক জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের সময় জামায়াতের পক্ষে প্রচারে ইসলামী ব্যাংককে ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে।
জানা গেছে, ওমর ফারুকের নিয়োগের অনুমোদনসংক্রান্ত নথি দুবার ফেরত গিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দপ্তর থেকে। তৃতীয় বারে বাংলাদেশ ব্যাংক তার নিয়োগ অনুমোদন করেছিল।
পদত্যাগের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ওমর ফারুক।
মো. ওমর ফারুক খান ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট ইসলামী ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ পান। এর আগে ওই বছরের মে মাসে চাকরি হারান ইসলামী ব্যাংকের তৎকালীন এমডি মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও জালিয়াতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ছিল। ওমর ফারুক প্রথমে এমডির চলতি দায়িত্ব পান।
তিনি ১৯৮৬ সালে ইসলামী ব্যাংকে যোগ দিয়ে ব্যাংকিং কর্মজীবন শুরু করেন। বিগত সরকারের সময়ে ডিএমডি থাকাবস্থায় পদত্যাগ করে তিনি এনআরবি ব্যাংকের অতিরিক্ত এমডি হিসেবে যোগ দেন।

ব্যাংক থেকে নগদ টাকা উত্তোলনের সর্বোচ্চ সীমা বেধে দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক


