ইসলামী ব্যাংকের নতুন পরিচালক হামিদ, বাদ পড়লেন জলিল

ইসলামী ব্যাংকের নতুন পরিচালক হামিদ, বাদ পড়লেন জলিল
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংকে স্বতন্ত্র পরিচালকের দায়িত্ব থেকে বাদ পড়েছেন খেলাপি ঋণ নিয়ে বিতর্কে থাকা আব্দুল জলিল। নতুন স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে পেয়েছেন পেশাদার চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ও ব্যাংকার এস এম আব্দুল হামিদ।
আব্দুল হামিদকে পরিচালকের দায়িত্ব দিয়ে ইসলামী ব্যাংকে চিঠি পাঠিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। আব্দুল হামিদ চিঠি না পেলেও নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও ইসলামী ব্যাংকের পক্ষ থেকে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি তাকে জানানো হয়।
আব্দুল হামিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ব্যাংকটির আর্থিক স্বাস্থ্য কীভাবে শক্তিশালী করা যায়– সে বিষয়ে অগ্রাধিকার থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু অগ্রাধিকার বিষয় আছে, তা ব্যাংকের বর্তমান চিত্র দেখে বুঝে নির্ধারণ করা হবে। চেষ্টা করবো ব্যাংকটি যেন ভালো অবস্থানে যেতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফুর রহমান খান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজন মনে করেছে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নতুন ব্যক্তি দেওয়ার, তাই দিয়েছে। এটি রুটিন কাজের অংশ।
তিনি জানান, ঈদের ছুটির পর প্রথম যে পরিচালনা পর্ষদের সভা হবে, তাতে যোগ দেবেন এস এম আব্দুল হামিদ।
এস এম আব্দুল হামিদ
হিসাববিদ্যায় পড়াশোনা শেষে বেসরকারি ব্যাংকে যোগ দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন এস এম আব্দুল হামিদ। ২০১৭ সালে তিনি আইএফআইসি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ছিলেন। চাকরি করেছেন বেসরকারি প্রিমিয়ার ব্যাংকেও।
ব্যাংকার হিসেবে ৩৭ বছর পার করা হামিদ বর্তমানে নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান ইসলাম জাহিদ অ্যান্ড কোম্পানির অংশীদার।
আব্দুল জলিল
২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আব্দুল জলিল ব্যাংকের পুনর্গঠিত পর্ষদে সদস্য হিসেবে যোগদান করেন।
আব্দুল জলিল একসময় এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের মালিকানাধীন নাসা গ্রুপে কর্মরত ছিলেন। ইসলামী ব্যাংকে পরিচালক হওয়ার পর তিনি সেই শিল্পগোষ্ঠীর একটি প্রতিষ্ঠানকে ঋণ পাইয়ে দিতে তদবির করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে সমালোচনা তৈরি হলে বাংলাদেশ ব্যাংক অভিযোগটি তদন্ত করে। এরপর সোমবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যায় তাকে সরানোর সিদ্ধান্ত আসে।
মঙ্গলবারও (১৭ মার্চ) ইসলামী ব্যাংকের ওয়েবসাইট থেকে পরিচালক হিসেবে আব্দুল জব্বারের নাম ও ছবি সরানো হয়নি। ব্যাংকের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ঈদের ছুটি শেষে ব্যাংক খুললে চিঠি দেখে নতুন পরিচালকের নাম সমন্বয় করা হবে।
ইসলামী ব্যাংকে পরিচালকের সংখ্যা ৫ জন। স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে তাদের নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত হওয়ার পর ব্যাংকটিতে কোনো শেয়ারধারী পরিচালক নেই।
বর্তমানে চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক এম জোবায়দুর রহমান। ৫ আগস্টের পর শুরুতে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান করা হয় রাষ্ট্রীয় মালিকানার সোনালী ও রুপালী ব্যাংকের সাবেক এমডি ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদকে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর তাকে সরিয়ে জোবায়দুর রহমানকে চেয়ারম্যান নিয়োগ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ইসলামী ব্যাংকে স্বতন্ত্র পরিচালকের দায়িত্ব থেকে বাদ পড়েছেন খেলাপি ঋণ নিয়ে বিতর্কে থাকা আব্দুল জলিল। নতুন স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে পেয়েছেন পেশাদার চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ও ব্যাংকার এস এম আব্দুল হামিদ।
আব্দুল হামিদকে পরিচালকের দায়িত্ব দিয়ে ইসলামী ব্যাংকে চিঠি পাঠিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। আব্দুল হামিদ চিঠি না পেলেও নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও ইসলামী ব্যাংকের পক্ষ থেকে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি তাকে জানানো হয়।
আব্দুল হামিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ব্যাংকটির আর্থিক স্বাস্থ্য কীভাবে শক্তিশালী করা যায়– সে বিষয়ে অগ্রাধিকার থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু অগ্রাধিকার বিষয় আছে, তা ব্যাংকের বর্তমান চিত্র দেখে বুঝে নির্ধারণ করা হবে। চেষ্টা করবো ব্যাংকটি যেন ভালো অবস্থানে যেতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফুর রহমান খান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজন মনে করেছে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নতুন ব্যক্তি দেওয়ার, তাই দিয়েছে। এটি রুটিন কাজের অংশ।
তিনি জানান, ঈদের ছুটির পর প্রথম যে পরিচালনা পর্ষদের সভা হবে, তাতে যোগ দেবেন এস এম আব্দুল হামিদ।
এস এম আব্দুল হামিদ
হিসাববিদ্যায় পড়াশোনা শেষে বেসরকারি ব্যাংকে যোগ দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন এস এম আব্দুল হামিদ। ২০১৭ সালে তিনি আইএফআইসি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ছিলেন। চাকরি করেছেন বেসরকারি প্রিমিয়ার ব্যাংকেও।
ব্যাংকার হিসেবে ৩৭ বছর পার করা হামিদ বর্তমানে নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান ইসলাম জাহিদ অ্যান্ড কোম্পানির অংশীদার।
আব্দুল জলিল
২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আব্দুল জলিল ব্যাংকের পুনর্গঠিত পর্ষদে সদস্য হিসেবে যোগদান করেন।
আব্দুল জলিল একসময় এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের মালিকানাধীন নাসা গ্রুপে কর্মরত ছিলেন। ইসলামী ব্যাংকে পরিচালক হওয়ার পর তিনি সেই শিল্পগোষ্ঠীর একটি প্রতিষ্ঠানকে ঋণ পাইয়ে দিতে তদবির করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে সমালোচনা তৈরি হলে বাংলাদেশ ব্যাংক অভিযোগটি তদন্ত করে। এরপর সোমবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যায় তাকে সরানোর সিদ্ধান্ত আসে।
মঙ্গলবারও (১৭ মার্চ) ইসলামী ব্যাংকের ওয়েবসাইট থেকে পরিচালক হিসেবে আব্দুল জব্বারের নাম ও ছবি সরানো হয়নি। ব্যাংকের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ঈদের ছুটি শেষে ব্যাংক খুললে চিঠি দেখে নতুন পরিচালকের নাম সমন্বয় করা হবে।
ইসলামী ব্যাংকে পরিচালকের সংখ্যা ৫ জন। স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে তাদের নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত হওয়ার পর ব্যাংকটিতে কোনো শেয়ারধারী পরিচালক নেই।
বর্তমানে চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক এম জোবায়দুর রহমান। ৫ আগস্টের পর শুরুতে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান করা হয় রাষ্ট্রীয় মালিকানার সোনালী ও রুপালী ব্যাংকের সাবেক এমডি ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদকে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর তাকে সরিয়ে জোবায়দুর রহমানকে চেয়ারম্যান নিয়োগ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ইসলামী ব্যাংকের নতুন পরিচালক হামিদ, বাদ পড়লেন জলিল
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংকে স্বতন্ত্র পরিচালকের দায়িত্ব থেকে বাদ পড়েছেন খেলাপি ঋণ নিয়ে বিতর্কে থাকা আব্দুল জলিল। নতুন স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে পেয়েছেন পেশাদার চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ও ব্যাংকার এস এম আব্দুল হামিদ।
আব্দুল হামিদকে পরিচালকের দায়িত্ব দিয়ে ইসলামী ব্যাংকে চিঠি পাঠিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। আব্দুল হামিদ চিঠি না পেলেও নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও ইসলামী ব্যাংকের পক্ষ থেকে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি তাকে জানানো হয়।
আব্দুল হামিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ব্যাংকটির আর্থিক স্বাস্থ্য কীভাবে শক্তিশালী করা যায়– সে বিষয়ে অগ্রাধিকার থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু অগ্রাধিকার বিষয় আছে, তা ব্যাংকের বর্তমান চিত্র দেখে বুঝে নির্ধারণ করা হবে। চেষ্টা করবো ব্যাংকটি যেন ভালো অবস্থানে যেতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফুর রহমান খান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজন মনে করেছে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নতুন ব্যক্তি দেওয়ার, তাই দিয়েছে। এটি রুটিন কাজের অংশ।
তিনি জানান, ঈদের ছুটির পর প্রথম যে পরিচালনা পর্ষদের সভা হবে, তাতে যোগ দেবেন এস এম আব্দুল হামিদ।
এস এম আব্দুল হামিদ
হিসাববিদ্যায় পড়াশোনা শেষে বেসরকারি ব্যাংকে যোগ দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন এস এম আব্দুল হামিদ। ২০১৭ সালে তিনি আইএফআইসি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ছিলেন। চাকরি করেছেন বেসরকারি প্রিমিয়ার ব্যাংকেও।
ব্যাংকার হিসেবে ৩৭ বছর পার করা হামিদ বর্তমানে নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান ইসলাম জাহিদ অ্যান্ড কোম্পানির অংশীদার।
আব্দুল জলিল
২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আব্দুল জলিল ব্যাংকের পুনর্গঠিত পর্ষদে সদস্য হিসেবে যোগদান করেন।
আব্দুল জলিল একসময় এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের মালিকানাধীন নাসা গ্রুপে কর্মরত ছিলেন। ইসলামী ব্যাংকে পরিচালক হওয়ার পর তিনি সেই শিল্পগোষ্ঠীর একটি প্রতিষ্ঠানকে ঋণ পাইয়ে দিতে তদবির করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে সমালোচনা তৈরি হলে বাংলাদেশ ব্যাংক অভিযোগটি তদন্ত করে। এরপর সোমবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যায় তাকে সরানোর সিদ্ধান্ত আসে।
মঙ্গলবারও (১৭ মার্চ) ইসলামী ব্যাংকের ওয়েবসাইট থেকে পরিচালক হিসেবে আব্দুল জব্বারের নাম ও ছবি সরানো হয়নি। ব্যাংকের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ঈদের ছুটি শেষে ব্যাংক খুললে চিঠি দেখে নতুন পরিচালকের নাম সমন্বয় করা হবে।
ইসলামী ব্যাংকে পরিচালকের সংখ্যা ৫ জন। স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে তাদের নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত হওয়ার পর ব্যাংকটিতে কোনো শেয়ারধারী পরিচালক নেই।
বর্তমানে চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক এম জোবায়দুর রহমান। ৫ আগস্টের পর শুরুতে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান করা হয় রাষ্ট্রীয় মালিকানার সোনালী ও রুপালী ব্যাংকের সাবেক এমডি ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদকে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর তাকে সরিয়ে জোবায়দুর রহমানকে চেয়ারম্যান নিয়োগ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।




